তুমি বললে, রৌদ্র যাও, রৌদ্রে তো গেলাম
তুমি বললে, অগ্নিকুণ্ড জ্বালো, জ্বালালাম।
সমস্ত জমানো সুখ-তুমি বললে, বেচে দেওয়া ভালো
ডেকেছি নীলাম।
তবু আমি একা।
আমাকে করেছ তুমি একা।
একাকিত্বটুকুতেও ভেঙে চুরে শত টুকরো করে
বীজ বপনের মতো ছড়িয়ে দিয়েছ জলে-স্থলে।
তুমি বলেছিলে বলে সাজসজ্জা ছেড়েছি, ছুঁড়েছি।
যে অরণ্য দেখিয়েছ, তারই ডাল কেটেছি, খুঁড়েছি।
যখনই পেতেছ হাত দিয়েছি উপুড় করে প্রাণ
তবু আমি একা।
তবুও আমার কেউ নও তুমি
আমিও তোমার কেউ নই।
আমাদের অভ্যন্তরে স্রোতস্বিনী আছে, সেতু নেই।
Related Articles
সুন্দরের হাতে আজ হাতকড়া, গোলাপের বিরুদ্ধে হুলিয়া
সুন্দরের হাতে আজ হাতকড়া, গোলাপের বিরুদ্ধে হুলিয়া, হৃদয়ের তর্জমা নিষিদ্ধ আর মননের সম্মুখে প্রাচীর বিবেক নিয়ত বন্দী, প্রেমের বিরুদ্ধে পরোয়ানা; এখানে এখন পাখি আর প্রজাপতি ধরে ধরে কারাগারে রাখে- সবাই লাঞ্ছিত করে স্বর্ণচাঁপাকে; সুপেয় নদীর জলে ঢেকে দেয় বিষ, আকাশকে করে উপহাস। আলোর বিরুদ্ধাচারী আঁধারের করে শুধু স্ততি, বসন্তের বার্তা শুনে জারি করে পূর্বাহ্নে কারফিউ, […]
কথোপকথন-১৭
-নন্দিনী,তুমি একটুখানি তো জল অথচ ভাসাও স্রোতের কলস্বরে । -তুমিও তো মিহি বাতাস,শুভঙ্কর অথচ কী করে কাঁপাও সুখের ঝড়ে ?
প্রিয় রোকোনালী
যদি মুক্তিযোদ্ধারা স্টেনগান দিয়া ফাটুস, ফুটস করিয়া থাকে তাহা হইলে আমাকে খবর দিস আমি আছি আমি ক্যাম্পে রিফুজি সীমার আমার মাতাল প্রিয় রোকোনালীকে কহিলেন গতরাত্রে শুনিলাম সপ্তম নৌবহর কয়েক ঘন্টার মধ্যে পৌঁছাবে। হঠাত্ শুনিতে পাইলাম জয় বাংলার ধ্বনি হঠাত্ দেখিতে পাইলাম রক্তাক্ত প্রান্তর চারিদিকে ছড়ানো ছিটানো অসীম নিষাদ। পরক্ষণেই দেখিলাম। রোকোনালী মামা—রিফুজি […]

