তুমি বললে, রৌদ্র যাও, রৌদ্রে তো গেলাম
তুমি বললে, অগ্নিকুণ্ড জ্বালো, জ্বালালাম।
সমস্ত জমানো সুখ-তুমি বললে, বেচে দেওয়া ভালো
ডেকেছি নীলাম।
তবু আমি একা।
আমাকে করেছ তুমি একা।
একাকিত্বটুকুতেও ভেঙে চুরে শত টুকরো করে
বীজ বপনের মতো ছড়িয়ে দিয়েছ জলে-স্থলে।
তুমি বলেছিলে বলে সাজসজ্জা ছেড়েছি, ছুঁড়েছি।
যে অরণ্য দেখিয়েছ, তারই ডাল কেটেছি, খুঁড়েছি।
যখনই পেতেছ হাত দিয়েছি উপুড় করে প্রাণ
তবু আমি একা।
তবুও আমার কেউ নও তুমি
আমিও তোমার কেউ নই।
আমাদের অভ্যন্তরে স্রোতস্বিনী আছে, সেতু নেই।
Related Articles
জলে তার চোখের কাজল
হঠাত্ এ কোন গ্রামে এসে গেলে তুমি! কোথাও সড়ক নেই, শুধু জলাভূমি যেন কেউ কেঁদে কেঁদে ঝরিয়েছে জল- জলে তার চোখের কাজল৷ অথবা সে আকাশের নীলে ছায়া ফেলে জলসঙ্গী ঝিলে৷ চলা থামে- এখানেই থামা পথিকের যে হোক সে হোক সে তো আমাদেরই- সে তো আমাদের৷
গল্প বলা
“এক যে রাজা”–”থাম্ না দাদা, রাজা নয় সে, রাজ পেয়াদা৷” “তার যে মাতুল”–”মাতুল কি সে?— সবাই জানে সে তার পিশে৷” “তার ছিল এক ছাগল ছানা”— “ছাগলের কি গজায় ডানা?” “একদিন তার ছাতের ‘পরে”— “ছাত কোথা হে টিনের ঘরে?” “বাগানের এক উড়ে মালী”— “মালী নয়তো! মেহের আলী৷” “মনের সাধে গাইছে বেহাগ”— “বেহাগ তো নয়! বসন্ত রাগ৷” […]
পহেলা বৈশাখ
মেঘের ডাকের সঙ্গে কাল আমারও সামান্য ডাক মিশে গিয়েছিল ভুলে! ভুল আমি সারা জীবন করেছি অনেক—ভুলে ভুলে ভরে আছে এত্তটুকু ছোট্ট লগবুক! তারও পরে অবিরাম ভুল করে যেতে ইচ্ছে করে! ভুল মানুষের কাছে হাত পেতে খেতে যাই চড় ও চাপড়—অথচ আশ্চর্য, পাই ধুলোমুঠি সোনা! যা চাওয়া উচিত নয় যার কাছে পেয়ে যাই অযাচিত মূল্যবান খনিজ […]

