তুমি বললে, রৌদ্র যাও, রৌদ্রে তো গেলাম
তুমি বললে, অগ্নিকুণ্ড জ্বালো, জ্বালালাম।
সমস্ত জমানো সুখ-তুমি বললে, বেচে দেওয়া ভালো
ডেকেছি নীলাম।
তবু আমি একা।
আমাকে করেছ তুমি একা।
একাকিত্বটুকুতেও ভেঙে চুরে শত টুকরো করে
বীজ বপনের মতো ছড়িয়ে দিয়েছ জলে-স্থলে।
তুমি বলেছিলে বলে সাজসজ্জা ছেড়েছি, ছুঁড়েছি।
যে অরণ্য দেখিয়েছ, তারই ডাল কেটেছি, খুঁড়েছি।
যখনই পেতেছ হাত দিয়েছি উপুড় করে প্রাণ
তবু আমি একা।
তবুও আমার কেউ নও তুমি
আমিও তোমার কেউ নই।
আমাদের অভ্যন্তরে স্রোতস্বিনী আছে, সেতু নেই।
Related Articles
নিজের সঙ্গে
আকাশের কোলে মেঘের স্তম্ভ বিদ্যুৎ চমকায় বুঝি ওই আসে কাল বৈশাখী দমকে গমকে ধবংসের গরিমায়। ঝরো বৃষ্টির ঘূর্নি উঠেছে- মাথা খুঁটে গাছপালা, বাজে ধমকে গমকে কাঁপছে আমার বুকের জ্বালা। কালো হয়ে আসে মেঘের স্তম্ভ, নাচের মুদ্রা তুলে নাচে নটরাজ দু’পায়ে আওয়াজ হাত দুটি তুলে ঐ কারা যেন বলে আমি তো এখানে ঝনজা কেহ নই নাচের […]
সখ্য
তোমার জন্য বৃষ্টি বাদল আমার জন্য রাত্রি গহন তোমার দিকে শ্যামলছায়া আমার বুকে লঙ্কাদহন, তোমার হাসি পৌর্ণমাসী সৌরনদী উতল হয় তোমার জন্য ঘর বেঁধেছি তোমার জন্য সূর্যোদয়, তেপান্তরের ডাক পেয়েছি বকুলবাগান বন্ধকি এক ডুবেতে ভোমরা টিপে রক্তসাঁতার মন্দ কি, তোমার জন্য উতল পবন গ্রীষ্মদেনা উসুল করে তপ্ত কড়াই রপ্ত এখন তিরিশ রকম ফোসকা পড়ে, সদ্যকাটা […]
কথোপকথন-২৮
আমার আগে আর কাউকে ভালবাসনি তুমি? —কেন বাসব না? অনেক। কৃষ্ণকান্তের উইলের ভ্রমর যোগাযোগের কুমু পুতুলনাচের ইতিকথার কুসুম অপরাজিত-র… —ইয়ার্কি করো না। সত্যি কথা বলবে। —রোগা ছিপছিপে যমুনাকে ভালবেসেছিলাম বৃন্দাবনে পাহাড়ী ফুলটুংরীকে ঘাটশীলায় দজ্জাল যুবতী তোর্সাকে জলপাইগুড়ির জঙ্গলে আর সেই বেগমসাহেবা, নীল বোরখায় জরীর কাজ নাম চিল্কা —আবার বাজে কথার আড়াল তুলছো? —বাজে কথা নয়। […]

