তুমি বললে, রৌদ্র যাও, রৌদ্রে তো গেলাম
তুমি বললে, অগ্নিকুণ্ড জ্বালো, জ্বালালাম।
সমস্ত জমানো সুখ-তুমি বললে, বেচে দেওয়া ভালো
ডেকেছি নীলাম।
তবু আমি একা।
আমাকে করেছ তুমি একা।
একাকিত্বটুকুতেও ভেঙে চুরে শত টুকরো করে
বীজ বপনের মতো ছড়িয়ে দিয়েছ জলে-স্থলে।
তুমি বলেছিলে বলে সাজসজ্জা ছেড়েছি, ছুঁড়েছি।
যে অরণ্য দেখিয়েছ, তারই ডাল কেটেছি, খুঁড়েছি।
যখনই পেতেছ হাত দিয়েছি উপুড় করে প্রাণ
তবু আমি একা।
তবুও আমার কেউ নও তুমি
আমিও তোমার কেউ নই।
আমাদের অভ্যন্তরে স্রোতস্বিনী আছে, সেতু নেই।
Related Articles
বুদ্ধনং শরনং গচ্ছামি
বুড়ি হও, ছুড়ি হও, তোমার কাশ-শাদা হাসির অর্থই শরৎ নয়। তোমার দশহাতে দশ বিপদসংহারী অস্ত্র হাসে; অথচ শরৎ হাসে না। বাঁকখালির জলে ঢেউয়ের ত্রিভঙ্গ থেমে যায়; অথচ আশ্বিন নেচে ওঠে না বালিতে বা ফেনায়। ঘোর পূর্ণিমায় সোনাইছড়ির পাহাড়ে পাহাড়ে শিশির নামে। রামুর হাজার বছরের প্রাচীন কিয়াং জোছনায় সাঁতরায়। তখন বুদ্ধের শত ফুট দীর্ঘ শান্তিশয়ান চাঁদের […]
দেখা শোনা
কত কি বলতে চাইতে তুমি। তোমার মা, স্কুল, ছাত্রী বাসের ভিড়, রাস্তার ময়লা, মোড়ের বখাটে ছেলেটা, আরও কত কি। আমি শুনতাম না, সময় ছিল না। সংকটমোচন টুপি মাথায় গলিয়ে বাতলে দিতাম সহজ উপায়। একনিষ্ঠ শ্রোতার খোঁজে…… সেদিন বেরিয়ে গেলে তুমি। আজ আমি সব শুনি। নৈশব্দের এই গ্রামের সব শব্দ আমি স্পষ্ট শুনি। পাগল বাতাস যখন […]
এক অসুখে দুজন অন্ধ
আজ বাতাসের সঙ্গে ওঠে, সমুদ্র, তোর আমিষ গন্ধ দীর্ঘ দাঁতের করাত ও ঢেউ নীল দিগন্ত সমান করে বালিতে আধ-কোমর বন্ধ এই আনন্দময় কবরে আজ বাতাসের সঙ্গে ওঠে, সমুদ্র, তোর আমিষ গন্ধ | হাত দুখানি জড়ায় গলা, সাঁড়াশি সেই সোনার অধিক উজ্জ্বলতায় প্রখর কিন্তু উষ্ণ এবং রোমাঞ্চকর আলিঙ্গনের মধেযে আমার হৃদয় কি পায় পুচ্ছে শিকড় আঁকড়ে […]

