-তুমি আজকাল বড় সিগারেট খাচ্ছ শুভঙ্কর
এখুনি ছুঁড়ে ফেলে দিচ্ছি ।
কিন্তু তার বদলে ?
বড্ড হ্যাংলা। যেন খাওনি কখনো?
-খেয়েছি।
কিন্তু আমার খিদের কাছে সে সব নস্যি।
কলকাতাকে এক খাবলায় চিবিয়ে খেতে পারি আমি।
আকাশটাকে ওমলেটের মত চিরে চিরে
নক্ষত্রগুলোকে চিনেবাদামের মত টুকটাক করে
পাহাড়গুলোকে পাঁপড় ভাজার মত মড়মড়িয়ে
আর গঙ্গা ?
সেতো এক গ্লাস শরবত।
-থাক। খুব বীর পুরুষ
-সত্যি তাই?
পৃথিবীর কাছে আমি এইরকমই ভয়ংকর বিস্ফোরণ।
কেবল তোমার কাছে এলেই দুধের বালক
কেবল তোমার কাছে এলেই ফুটপাথের নুলো ভিখারী
এক পয়সা, আধ পয়সা কিংবা এক পাউরুটির বেশী
আর কিছু ছিনিয়ে পারি না।
-মিথ্যুক।
-কেন?
-সেদিন আমার সর্বাঙ্গের শাড়ী ধরে টান মারোনি ?
-হতে পারে।
ভিখারীদের কি ডাকাত হতে ইচ্ছে করে না একদিনও?
Related Articles
কোথাও কেউ নেই
স্বপ্নের ভিতর থেকে হেঁটে আসে এক সিদ্ধ পুরুষ; সস্নেহে হাত বাড়িয়ে বললেন, ‘চলো’ । অমোঘ নির্দেশের মতো শোনায় তাঁর কণ্ঠস্বর – যেমন বলতেন বাবা ছোটবেলায় ! মন্ত্রাবিস্টের মতো উঠে বসি আমি আর অনুগামী হই নিঃশব্দে অনন্তের পথ ধরে অনন্তকাল – গন্তব্য কোথায় জানিনা । না আলো না আঁধার, অসীমের মতো নিরাকার নির্ভার মনে হয়, ভূত […]
আড়াল
আমি আড়াল চেয়েছিলাম চার কিনারে । কিন্তু প্রভু ভুল কোরো না রাত্রিসকাল পথই আমার পথের আড়াল । দু-হাত তোমায় বাড়িয়ে দিইনি সে কি কেবল আত্মাভিমান ? যখন মুঠো খুলতে গেছি হাতের রেখায় দীনাতিদীন কাল রজনীর নিস্ফলতা চাবুক মারে । এখনো তো ঠিক সময় নয় তো, শরীর আমার জন্মজামিন পথিক জনস্রোতের টান তার ভিতরে এমন উজান […]
এখনো
কাগজ পেলেই আঁকচারা কাটা অভ্যেস। একবার আঁকছিলুম রাজবাড়ি। আঁকতে আঁকতে হয়ে উঠলো আলকাতরা মাখা দৈত্য, কাগজ থেকে লাফ দিয়ে উঠলো দশ আঙুলের থাবা খাঁবো, খাঁবো, খাঁবো। সেই থেকে আর রাজবাড়ি আঁকি না। আঁকি রাজহাঁস, ময়ুর, জলের ঘূর্নি, আর সেই সব শিকড় যা ডুবে আছে আকুলি-বিকুলি তৃষ্ণার ভিতরে। পদ্মপাতায় ডুমুরের গুছির মতো ফলে থাকে যে শিশির […]


