খবর্দার। হাত সরিয়ে নাও।
ব্যাগে ভরে নাও টাকাগুলো।
আজ সমস্ত কিছুউর দাম দেব আমি।
কী হচ্ছে কি শুভঙ্কর? কেম এমন পাগলামির ঢেউয়ে দুলছো?
এই জন্যেই তমার উপর রাগ হয় এমন।
মাঝে মাঝে অর্থমন্ত্রীদের মতো গোঁয়ার হয়ে ওথো তুমি।
কাল কতবার বলেছিলুম,চলো উঠি,চলো উঠি।
এখুনি সেনা বাহিনীর মত ঝাপিয়ে পড়বে বৃষ্টি,চলো উঠি।
তুমি ঘাসের উপর বুড়ো বটগাছ হয়ে বসে রইলে।
কলকাতা ডুবল,তুমিও ডুবলে
আমাকেও ডোবালে।
কেন আমার কথা শোনো না বল তো ?
আমি নির্বাচনের প্রতিশ্রুতি
যে সিংহাসনের হাতলে হাত রাখলেই হারিয়ে যাবে স্মৃতিহীন অন্ধকারে?
কলের জলের মতো
ক্যালেন্ডারের তারিখের মতো
বন্যার গায়ে গায়ে খরার মতো
আমি তো তোমার সঙ্গেই আছি এবং থাকবো।
তাহলে কেন আমার কথা শোনো না শুভঙ্কর?
Related Articles
পাঁচটি উজ্জ্বল মাছ
পাঁচটি উজ্জ্বল মাছ ঝর্না থেকে নেমে এসেছিলো। এখন, রহস্যময় জলে, খেলা করে অবিরল। পদ্মায় গিয়েছে একটি– মেঘনায়-যমুনায়-সুরমায়– আর-একটি গোপন ইচ্ছায়। পাঁচটি উজ্জ্বল মাছ ঝর্না থেকে নেমে এসে সাঁতরে চলে বিভিন্ন নদীতে। পাঁচটি উজ্জ্বল মাছ জলের রহস্য ভেদ করে এখন একাকী এক শব্দহীন সমুদ্রে চলেছে।
আজ্ঞে হ্যাঁ
সূর্য নামের ছোকরাটা বড় জ্বলতে শিখেছে, তাই না হে? আজ্ঞ হ্যাঁ। গনগণে চোখ, জ্বলজ্বলে ভূরু, উরু ভেঙে দিলে কেমন হয়? আজ্ঞ হ্যাঁ। আজকাল আর চাঁদে সে রকম রাবড়ির মতো জেল্লা নেই আজ্ঞে হ্যাঁ। টুনি বালবদের ফোলাপে ফাঁপালে প্রতিভা ছড়াবে হাজার গুণ। আজ্ঞে হ্যাঁ। নিজের লালার সরু সুতোর দিয়ে বেনারসী বোনে মাকড়সা। আজ্ঞে হ্যাঁ। আমারও তেমনি, […]
তোমাকে
একদিন মনে হতো জলের মতন তুমি। সকালবেলার রোদে তোমার মুখের থেকে বিভা– অথবা দুপুরবেলা — বিকেলের আসন্ন আলোয়– চেয়ে আছে — চলে যায় — জলের প্রতিভা। মনে হতো তীরের উপরে বসে থেকে। আবিষ্ট পুকুর থেকে সিঙাড়ার ফল কেউ কেউ তুলে নিয়ে চলে গেলে — নীচে তোমার মুখের মতন অবিকল। নির্জন জলের রঙ তাকায়ে রয়েছে; স্থানান্তরিত […]

