খবর্দার। হাত সরিয়ে নাও।
ব্যাগে ভরে নাও টাকাগুলো।
আজ সমস্ত কিছুউর দাম দেব আমি।
কী হচ্ছে কি শুভঙ্কর? কেম এমন পাগলামির ঢেউয়ে দুলছো?
এই জন্যেই তমার উপর রাগ হয় এমন।
মাঝে মাঝে অর্থমন্ত্রীদের মতো গোঁয়ার হয়ে ওথো তুমি।
কাল কতবার বলেছিলুম,চলো উঠি,চলো উঠি।
এখুনি সেনা বাহিনীর মত ঝাপিয়ে পড়বে বৃষ্টি,চলো উঠি।
তুমি ঘাসের উপর বুড়ো বটগাছ হয়ে বসে রইলে।
কলকাতা ডুবল,তুমিও ডুবলে
আমাকেও ডোবালে।
কেন আমার কথা শোনো না বল তো ?
আমি নির্বাচনের প্রতিশ্রুতি
যে সিংহাসনের হাতলে হাত রাখলেই হারিয়ে যাবে স্মৃতিহীন অন্ধকারে?
কলের জলের মতো
ক্যালেন্ডারের তারিখের মতো
বন্যার গায়ে গায়ে খরার মতো
আমি তো তোমার সঙ্গেই আছি এবং থাকবো।
তাহলে কেন আমার কথা শোনো না শুভঙ্কর?
Related Articles
রাশিয়ার চিঠি -৩
মস্কৌ বহুকাল গত হল তোমাদের উভয়কে পত্র লিখেছিলুম। তোমাদের সম্মিলিত নৈ:শব্দ থেকে অনুমান করি সেই যুগলপত্র কৈবল্য লাভ করেছে। এমনতরো মহতী বিনষ্টি ভারতীয় ডাকঘরে আজকাল মাঝে মাঝে ঘটছে বলে শঙ্কা করি। এই কারণেই আজকাল চিঠি লিখতে উৎসাহ বোধ করি নে। অন্তত তোমাদের দিক থেকে সাড়া না পেলে চুপ করে যাই। নি:শব্দ রাত্রির প্রহরগুলোকে দীর্ঘ বলে […]
বিবৃতি
ঊনিশে বিধবা মেয়ে কায়ক্লেশে উন্তিরিশে এসে গর্ভবতী হলো, তার মোমের আলোর মতো দেহ কাঁপালো প্রাণান্ত লজ্জা, বাতারে কুটিল সন্দেহ সমস্ত শরীরে মিশে, বিন্দু বিন্দু রক্ত অবশেষে যন্ত্রনার বন্যা এলো, অন্ধ হলো চক্ষু, দশ দিক, এবং আড়ালে বলি, আমিই সে সুচতুর গোপন প্রেমিক। দিবাসার্ধ পায়ে হেঁটে লিরি আমি জীবিকার দাসত্ব-ভিখারী ক্লান্ত লাগে সারারাত, ক্লান্তি যেন অন্ধকার […]
যদি মানুষ হয়ে না পারি, পাখি হয়েও ফিরব একদিন
আমার জন্য অপেক্ষা করো মধুপুর নেত্রকোনা অপেক্ষা করো জয়দেবপুরের চৌরাস্তা আমি ফিরব। ফিরব ভিড়ে হট্টগোল, খরায় বন্যায় অপেক্ষা করো চৌচালা ঘর, উঠোন, লেবুতলা, গোল্লাছুটের মাঠ আমি ফিরব। পূর্ণিমায় গান গাইতে, দোলনায় দুলতে, ছিপ ফেলতে বাঁশবনের পুকুরে- অপেক্ষা করো আফজাল হোসেন, খায়রুননেসা, অপেক্ষা করো ঈদুল আরা, আমি ফিরব। ফিরব ভালবাসতে, হাসতে, জীবনের সুতোয় আবার স্বপ্ন গাঁথতে- […]

