খবর্দার। হাত সরিয়ে নাও।
ব্যাগে ভরে নাও টাকাগুলো।
আজ সমস্ত কিছুউর দাম দেব আমি।
কী হচ্ছে কি শুভঙ্কর? কেম এমন পাগলামির ঢেউয়ে দুলছো?
এই জন্যেই তমার উপর রাগ হয় এমন।
মাঝে মাঝে অর্থমন্ত্রীদের মতো গোঁয়ার হয়ে ওথো তুমি।
কাল কতবার বলেছিলুম,চলো উঠি,চলো উঠি।
এখুনি সেনা বাহিনীর মত ঝাপিয়ে পড়বে বৃষ্টি,চলো উঠি।
তুমি ঘাসের উপর বুড়ো বটগাছ হয়ে বসে রইলে।
কলকাতা ডুবল,তুমিও ডুবলে
আমাকেও ডোবালে।
কেন আমার কথা শোনো না বল তো ?
আমি নির্বাচনের প্রতিশ্রুতি
যে সিংহাসনের হাতলে হাত রাখলেই হারিয়ে যাবে স্মৃতিহীন অন্ধকারে?
কলের জলের মতো
ক্যালেন্ডারের তারিখের মতো
বন্যার গায়ে গায়ে খরার মতো
আমি তো তোমার সঙ্গেই আছি এবং থাকবো।
তাহলে কেন আমার কথা শোনো না শুভঙ্কর?
Related Articles
স্মৃতির মেঘলাভোরে
কোনো এক ভোরবেলা, রাত্রিশেষে শুভ শুক্রবারে মৃত্যুর ফেরেস্তা এসে যদি দেয় যাওয়ার তাকিদ; অপ্রস্তুত এলোমেলো এ গৃহের আলো অন্ধকারে ভালোমন্দ যা ঘটুক মেনে নেবো এ আমার ঈদ। ফেলে যাচ্ছি খড়কুটো, পরিধেয়, আহার, মৈথুন– নিরুপায় কিছু নাম, কিছু স্মৃতি কিংবা কিছু নয়; অশ্রুভারাক্রান্ত চোখে জমে আছে শোকের লেগুন কার হাত ভাঙে চুড়ি? কে ফোঁপায়? পৃথিবী নিশ্চয়। […]
পরিকল্পিত একার্থ
যদি যাবার ইচ্ছে থাকে- এখনই চলে যাও, স্মৃতি রেখে যেও না; যদি যাবার ইচ্ছে থাকে- খুঁজে নাও সুখ, আমার কথা ভেবো না । যদি যাবার ইচ্ছে থাকে- ভুলে যেও প্রেম, তুলে রেখো গোপনে; যদি যাবার ইচ্ছে থাকে- কেউ যেন না জানে, কী ছিল আলাপনে । যদি যাবার ইচ্ছে থাকে- আবাগী চকিত, নিগীর্ণ বঞ্চনায়; যদি যাবার […]
আফিম তবুও ভালো, ধর্ম সে তো হেমলক বিষ
যেমন রক্তের মধ্যে জন্ম নেয় সোনালি অসুখ তারপর ফুটে ওঠে ত্বকে মাংসে বীভৎস ক্ষরতা। জাতির শরীরে আজ তেম্নি দ্যাখো দুরারোগ্য ব্যাধি ধর্মান্ধ পিশাচ আর পরকাল ব্যবসায়ি রূপে ক্রমশঃ উঠছে ফুটে ক্ষয়রোগ, রোগের প্রকোপ একদার অন্ধকারে ধর্ম এনে দিয়েছিল আলো, আজ তার কংকালের হাড় আর পঁচা মাংসগুলো ফেরি কোরে ফেরে কিছু স্বার্থাণ্বেষী ফাউল মানুষ- সৃষ্টির অজানা […]

