সূর্য নামের ছোকরাটা বড় জ্বলতে শিখেছে, তাই না হে?
আজ্ঞ হ্যাঁ।
গনগণে চোখ, জ্বলজ্বলে ভূরু, উরু ভেঙে দিলে কেমন হয়?
আজ্ঞ হ্যাঁ।
আজকাল আর চাঁদে সে রকম রাবড়ির মতো জেল্লা নেই
আজ্ঞে হ্যাঁ।
টুনি বালবদের ফোলাপে ফাঁপালে প্রতিভা ছড়াবে হাজার গুণ।
আজ্ঞে হ্যাঁ।
নিজের লালার সরু সুতোর দিয়ে বেনারসী বোনে মাকড়সা।
আজ্ঞে হ্যাঁ।
আমারও তেমনি, থুতু ছিটোলেই হীরে-জহরত আকাশময়।
আজ্ঞে হ্যাঁ।
কানেই শুনেছো, দেখনি কখনো ঈশ্বর নামে লোকটাকে।
আজ্ঞে হ্যাঁ।
কাল এসেছিলো, বেচতে চাইছে ধড়া-চূড়োসহ সিংহাসন।
আজ্ঞে হ্যাঁ।
ঈশ্বর হয়ে প্রথমেই আমি বুনবো কঠিন শৃঙ্খলা।
আজ্ঞে হ্যাঁ।
পাহাড়গুলোকে পিঁপড়ে বানাবো, সব গাছ হবে ভেরেন্ডা।
আজ্ঞে হ্যাঁ।
Related Articles
ঝলসানো রুটি
উর্বর কৃষি জমি; তারপর লাশের মিছিল। তারপর অন্ধগলি – পাথর হয়েছে চোরাবালি। আবার এসেছি সেই পথে, আলোর সন্ধানে অন্ধকারের আলিঙ্গনে – যেখানে শেষ বার ডেকেছে দাড়কাক। কোথাও বিদ্যুতের তারে ঝুলে আছে মরা বাদুড় নিথর দেহখানি দুলছে হাওয়ায় অজানা শীতের কুয়াশায় নিঃসিম জনসমুদ্রে ডুবে গেছে শেষ আর্তনাদ বাচার তীব্র অভিলাসে – আবার আবার আর্তনাদ। এক ফ্লাক্স […]
কবর
এইখানে তোর দাদীর কবর ডালিম গাছের তলে, তিরিশ বছর ভিজায়ে রেখেছি দুই নয়নের জলে। এতটুকু তারে ঘরে এনেছিনু সোনার মতন মুখ, পুতুলের বিয়ে ভেঙে গেল বলে কেঁদে ভাসাইত বুক। এখানে ওখানে ঘুরিয়া ফিরিতে ভেবে হইতাম সারা, সারা বাড়ি ভরি এত সোনা মোর ছড়াইয়া দিল কারা। সোনালী ঊষায় সোনামুখে তার আমার নয়ন ভরি, লাঙ্গল লইয়া ক্ষেতে […]
এই বৈশাখে তোমার কাছে প্রার্থনা
এই বৈশাখে তুমি আমার সাথে বিশুদ্ধ ভাষায় কথা বলবে, বিস্তৃত প্রান্তর থেকে মুছে যায়নি আমার পদছাপ, আমি হেঁটেছি বহুদূর, রুদ্র্র দহনের কাঠখড় পোড়াতে পোড়াতে যেখানে এসে দাঁড়িয়েছি সেখানে নদী নেই, প্রজাপতি নেই, আকাশ থেকে র্ঝু র্ঝু করে খুলে পড়ছে খরতাপ, মাটির সানকি থেকে উধাও হয়ে যাচ্ছে ইলিশের পোনা, তুমি ভাষার গায়ে কেন চড়ালে দুর্বৃত্তের শার্ট? […]

