সূর্য নামের ছোকরাটা বড় জ্বলতে শিখেছে, তাই না হে?
আজ্ঞ হ্যাঁ।
গনগণে চোখ, জ্বলজ্বলে ভূরু, উরু ভেঙে দিলে কেমন হয়?
আজ্ঞ হ্যাঁ।
আজকাল আর চাঁদে সে রকম রাবড়ির মতো জেল্লা নেই
আজ্ঞে হ্যাঁ।
টুনি বালবদের ফোলাপে ফাঁপালে প্রতিভা ছড়াবে হাজার গুণ।
আজ্ঞে হ্যাঁ।
নিজের লালার সরু সুতোর দিয়ে বেনারসী বোনে মাকড়সা।
আজ্ঞে হ্যাঁ।
আমারও তেমনি, থুতু ছিটোলেই হীরে-জহরত আকাশময়।
আজ্ঞে হ্যাঁ।
কানেই শুনেছো, দেখনি কখনো ঈশ্বর নামে লোকটাকে।
আজ্ঞে হ্যাঁ।
কাল এসেছিলো, বেচতে চাইছে ধড়া-চূড়োসহ সিংহাসন।
আজ্ঞে হ্যাঁ।
ঈশ্বর হয়ে প্রথমেই আমি বুনবো কঠিন শৃঙ্খলা।
আজ্ঞে হ্যাঁ।
পাহাড়গুলোকে পিঁপড়ে বানাবো, সব গাছ হবে ভেরেন্ডা।
আজ্ঞে হ্যাঁ।
Related Articles
কথোপকথন-৩৮
-নন্দিনী! আমার খুব ভয় করে ,বড় ভয় করে! কোনও একদিন বুঝি জ্বর হবে ,দরজা দালান ভাঙ্গা জ্বর তুষার পাতের মত আগুনের ঢল নেমে এসে নিঃশব্দে দখল করে নেবে এই শরীরের শহর বন্দর। বালিশের ওয়াড়ের ঘেরাটোপ ছিঁড়ে ফেলা তুলো এখন হয়েছে মেঘ,উঁড়ো হাস, সাঁদা কবুতর। সেই ভাবে জ্বর এসে আমাকে উড়িয়ে নিয়ে যাবে অন্য কোন ভুমন্ডলে […]
প্রলেতারিয়েত
যতক্ষণ তুমি কৃষকের পাশে আছো, যতক্ষণ তুমি শ্রমিকের পাশে আছো, আমি আছি তোমার পাশেই। যতক্ষণ তুমি মানুষের শ্রমে শ্রদ্ধাশীল যতক্ষণ তুমি পাহাড়ী নদীর মতো খরস্রোতা যতক্ষণ তুমি পলিমৃত্তিকার মতো শস্যময় ততক্ষণ আমিও তোমার। এই যে কৃষক বৃষ্টিজলে ভিজে করছে রচনা সবুজ শস্যের এক শিল্পময় মাঠ, এই যে কৃষক বধূ তার নিপুণ আঙুলে ক্ষিপ্র দ্রুততায় ভেজা […]
যে-ছাত্রীটি নিরুদ্দেশ হয়ে যাবে
কী বুঝেছে সে-মেয়েটি ? সে বুঝেছে রাজুমামা মায়ের প্রেমিক। কী শুনেছে সে-মেয়েটি ? সে শুনেছে মায়ের শীৎকার। কী পেয়েছে সে-মেয়েটি ? ___ সে পেয়েছে জন্মদিন ? চুড়িদার, আলুকাবলি ___ কু-ইঙ্গিত মামাতো দাদার। সে খুঁজেছে ক্লাসনোট, সাজেশন ___ সে ঠেলেছে বইয়ের পাহাড় পরীক্ষা, পরীক্ষা সামনে ___ দিনে পড়া, রাতে পড়া ___ ও পাশের ঘর অন্ধকার অন্ধকারে […]

