সূর্য নামের ছোকরাটা বড় জ্বলতে শিখেছে, তাই না হে?
আজ্ঞ হ্যাঁ।
গনগণে চোখ, জ্বলজ্বলে ভূরু, উরু ভেঙে দিলে কেমন হয়?
আজ্ঞ হ্যাঁ।
আজকাল আর চাঁদে সে রকম রাবড়ির মতো জেল্লা নেই
আজ্ঞে হ্যাঁ।
টুনি বালবদের ফোলাপে ফাঁপালে প্রতিভা ছড়াবে হাজার গুণ।
আজ্ঞে হ্যাঁ।
নিজের লালার সরু সুতোর দিয়ে বেনারসী বোনে মাকড়সা।
আজ্ঞে হ্যাঁ।
আমারও তেমনি, থুতু ছিটোলেই হীরে-জহরত আকাশময়।
আজ্ঞে হ্যাঁ।
কানেই শুনেছো, দেখনি কখনো ঈশ্বর নামে লোকটাকে।
আজ্ঞে হ্যাঁ।
কাল এসেছিলো, বেচতে চাইছে ধড়া-চূড়োসহ সিংহাসন।
আজ্ঞে হ্যাঁ।
ঈশ্বর হয়ে প্রথমেই আমি বুনবো কঠিন শৃঙ্খলা।
আজ্ঞে হ্যাঁ।
পাহাড়গুলোকে পিঁপড়ে বানাবো, সব গাছ হবে ভেরেন্ডা।
আজ্ঞে হ্যাঁ।
Related Articles
জলে তার চোখের কাজল
হঠাত্ এ কোন গ্রামে এসে গেলে তুমি! কোথাও সড়ক নেই, শুধু জলাভূমি যেন কেউ কেঁদে কেঁদে ঝরিয়েছে জল- জলে তার চোখের কাজল৷ অথবা সে আকাশের নীলে ছায়া ফেলে জলসঙ্গী ঝিলে৷ চলা থামে- এখানেই থামা পথিকের যে হোক সে হোক সে তো আমাদেরই- সে তো আমাদের৷
জ্যোৎস্নার অত্যাচার
জ্যোৎস্না আমাকে ঠেলে ফেলে দিলো ফুটপাথে ল্যাম্পপোস্টে সবগুলো গাছের চূড়ায় এই রাতে। আমি জামা খুলে ঘুমাতে যাবার আগে জানালায় অনভ্যাসে দাঁড়িয়েছিলাম আর অমনি জ্যোৎস্না ধাক্কা দিলো এ কী অধঃপতন আমার! ড্রেন ডাস্টবিন একেকটি পদ্মের মতোন ফুটে আছে জ্যোৎস্নায় সাইরেন সানইয়ের সুর আমাকে বাজিয়ে চলে অন্ধ এক শিল্পীর আঙুল আমার সমস্ত পাপ এই রাতে জ্বলজ্বলে নক্ষত্র […]
বিলাপ অথবা আরেকটি ভালবাসার কবিতা
গ্রিলের ফাঁকে মখমলে চাঁদ পেড়িয়ে ঠিক দু’পা এগুলেই যে মেলা বসে নিশি-লগ্নে, সেই তারার মেলা নেমে আসুক আজ ছুঁয়ে যাক হাজার শতাব্দীর তৃষ্ণা তোমার চোখ রাঙিয়ে যাক জোনাকের পাপড়ি, এলোমেলো চুলে এঁকে যাক বিভূঁই রুপালি জলে চুপচাপ আমার হয়ে থেকো !! মহাকাশের নক্ষত্র খুলে ছায়াপথ যে মালা বানিয়েছিল সুতোর মায়াজালে, তুমি তাকে […]

