-যতক্ষন পাশে থাকো,যতক্ষন ছুঁয়ে ছুঁয়ে থাকি
আমি যেন মেঘে জলে মেশা কোনো আত্মহারা পাখি।
বলতো কী পাখি ?
-যতক্ষন পাশে থাকো,যতক্ষন ছুঁয়ে ছুঁয়ে থাকা
উলাক্র স্ফুলিঙ্গ দিয়ে অন্ধকারে দীর্ঘ ছবি আঁকা ।
বলতো কী ছবি?
-যতক্ষন কথা বলো,হাসো ও ঝরাও ধারাজল
বীজ থেকে জেগে ওঠে অফুরন্ত গাছ,বনতল।
বলতো কী গাছ?
-যতক্ষন পাশে থাকো ভুমিকম্প,সুখের সন্ত্রাস
পৌঁছে যাই সেইখানে,যেখানে বসন্ত বারোমাস।
বলতো কী দেশ?
Related Articles
না ঘুমানোর দল
নারকেলের ঐ লম্বা মাথায় হঠাৎ দেখি কাল ডাবের মতো চাদঁ উঠেছে ঠান্ডা ও গোলগাল । ছিটকিনিটা আস্তে খুলে পেরিয়ে এলেম ঘর ঘুমন্ত এই মস্ত শহর করছিলো থরথ । মিনারটাকে দেখছি যেন দাড়িয়ে আছেন কেউ, পাথরঘাটার গির্জেটা কি লাল পাথরের ঢেউ ? চৌকিদারের হাক শুনে যেই মোড় ফিরেছি বায় – কোত্থেকে এক উটকো পাহাড় ডাক দিল […]
অপয়া
উনিশ কুড়িটি কানমলা বাইশ তেইশটি নাকে খত এমনকি সাতাশ আটাশটি জুতার বাড়ি খাইবার পরেও আমার মনে হয় নাই কেহ আমাকে অপমান করিল। যিনি উহা করিয়াছিলেন তিনি কিছুক্ষণ আগে আসিয়া আমার নিকট হইতে ক্ষমা প্রার্থনা করিয়া গিয়াছেন। ক্ষমা যে মহত্ত্বের লক্ষণ তাহা মানিতে আমি মোটেই প্রস্তুত নহি, কেননা, সেদিন আমাকে যেভাবে প্রকাশ্য দিবালোকে এমনকি, জনসমক্ষে জুতা […]
হালুম
মাথায় মুকুটটা পরিয়ে দিতেই রাজা হয়ে গেলেন তিনি। আর সিংহাসনে পাছা রেখেই হাঁক পাড়লেন হালুম। অমনি মন্ত্রীরা ছুটলো ঘুরঘুট্টি বনে হরিণের মাংস সেকতে সেনাপতিরা ছুটলো খলখলে সমুদ্রে ফিস-ফ্রাইয়ের খোঁজে কোতোয়ালরা ছুটলো হাটে-বাজারে যেখান থেকে যা আনা যায় উপড়ে বরকন্দাজেরা ক্ষেত খামার ল্ড ভণ্ড করে বানালো ফ্রুটল্যলাড। রাজা সরলেন ব্রেক ফাস্ট। তারপরেই সিং-দুয়ারে বেজে উঠলো সাত-মণ […]

