হ্যালো, হ্যালো কখন আসছ তুমি ?
কোথায় মেঘ ? কোথাও মেঘ নেই ।
হ্যালো,হ্যালো,বৃষতি যদি নামে ?
ভিজবে,হ্যালো ভিজবো,অনায়াসে
গাছপালারা যেমন করে ভেজে
ভিজলে তৃণ রাজার ছেলে হয়
হ্যালো,হ্যালো বলছি ভিজবো জলে
ভেজা মাঠির গন্ধ হবে তুমি
আমি তাতে ছড়াবো ডালপালা।
শুনতে পাচ্ছো ? হ্যালো হ্যালো হ্যালো
বেরিয়ে পড়,আকাশে রামধনু
উঠবে,হ্যালো উঠবে এবার রোদ
রোদের হাতে বর্শা,হ্যালো হ্যালো
তোমার পায়ের ঘুঙুর শুনতে পেলে
সমস্ত মেঘ,আধাঁর খসে হ্যালো
সমস্ত মেঘ আধাঁর,হ্যালো হ্যালো
সমস্ত মেঘ,হ্যালো,হ্যালো হ্যালো।
Related Articles
অথচ
তোমাকে দেখে অবাক হয়ে যাই বারবার। এত আক্রমণ পরস্পরবিরোধী এত শোকমিছিলের মধ্যেও কী অনায়াসে বুনে যাচ্ছ লাল পশমের শৃঙ্খলা। উদ্ভিদের চেয়ে নীরব, ছাপানো মহাভারতের চেয়ে উদাসীন। অথচ পিছনের দেয়ালেই রক্তছাপ অথচ বুকের শাড়ি সরালেই অনাবৃষ্টির চৌচির।
নীরা তোমার কাছে
সিঁড়ির মুখে কারা অমন শান্তভাবে কথা বললো? বেরিয়ে গেল দরজা ভেজিয়ে, তবু তুমি দাঁড়িয়ে রইলে সিঁড়িতে রেলিং-এ দুই হাত ও থুত্নি, তোমায় দেখে বলবে না কেউ থির বিজুরি তোমার রঙ একটু ময়লা, পদ্মপাতার থেকে যেন একটু চুরি, দাঁড়িয়ে রইলে নীরা, তোমায় দেখে হঠাৎ নীরার কথা মনে পড়লো। নীরা, তোমায় দেখি আমি সারা বছর মাত্র দু’দিন […]
সেদিন বিকেলবেলা
সাতশো একান্নতম আনন্দটি পেয়েছি সেদিন যখন বিকেলবেলা মেঘ এসে ঝুঁকে পড়েছিল গোলাপ বাগানে এবং তোমার পায়ে ফুটে গেল লক্ষ্মীছাড়া কাঁটা! তখন বাতাসে ছিল বিহ্্লতা, তখন আকাশে ছিল কৃষ্ণক্লান্তি আলো, ছিল না রঙের কোলাহল ছিল না নিষেধ- অতটুকা ওষ্ঠ থিকে অতখানি হাসির ফোয়ারা মন্দিরের ভাস্কর্যকে ম্লান করে নতুন দৃুশ্যটি। এর পরই বৃষ্টি আসে সাতশো বাহান্ন সঙ্গে […]

