তুমি উঠে এসেছো অন্ধকূপ থেকে
তোমার মাথায় জ্বলছে চিতার আগুন
তোমার বাহু বেয়ে নেমে যাচ্ছে ঝর্ণা-সরীসৃপ
তোমার শরীরে বলয়িত হচ্ছে ঘূর্ণিঝড়
তোমার পা পিচ্ছিল কর্দমে প্রোথিত
ভয় পেয়ো না, আমি তোমাকে বাঁধবোই
আমার বন্ধনের নাম ভালোবাসা
আমার ভালোবাসার নাম মুক্তি
এই পৃথিবীর দূর এক প্রান্তে
আমি তোমার হাতে, পায়ে, মাথায়, গায়ে
এঁকে দেবো জন্মের স্বার,
তুমি চুষ্মান হও
তোমার শরীর ফুঁড়ে জন্ম নিক
ভুবনবিদারী বর্শা।
Related Articles
এখনো
কাগজ পেলেই আঁকচারা কাটা অভ্যেস। একবার আঁকছিলুম রাজবাড়ি। আঁকতে আঁকতে হয়ে উঠলো আলকাতরা মাখা দৈত্য, কাগজ থেকে লাফ দিয়ে উঠলো দশ আঙুলের থাবা খাঁবো, খাঁবো, খাঁবো। সেই থেকে আর রাজবাড়ি আঁকি না। আঁকি রাজহাঁস, ময়ুর, জলের ঘূর্নি, আর সেই সব শিকড় যা ডুবে আছে আকুলি-বিকুলি তৃষ্ণার ভিতরে। পদ্মপাতায় ডুমুরের গুছির মতো ফলে থাকে যে শিশির […]
বসন্তের প্রথম লিরিক
দীর্ঘ বিরহ , আমি ছুঁড়ে দিচ্ছি মুষ্ঠিভর ভালোবাসা, আজ বৃষ্টি নামুক সব ভারতীয় মেয়েদের চোখে, বৃষ্টি নামুক আজ, গ্রীষ্মপুতনার স্তনে এতটুকু জল নেই বৃন্তে বিষ ভারি হয়ে আছে । যে মেয়েটি কাজল পড়েছে আর যে মেয়েটি মেহেদি রাঙানো হাত মেলে ধরেছিল, তাদের সবার কষ্টে শিয়ালদা জুড়ে কাল বহুক্ষণ বন্ধ ছিল বাস; যে মেয়েটি সদ্যযুবতী আর […]
ম্যাজিক
ছেলেবেলায় পাড়ার ছোটরা মিলে, রোয়াকে বসে একরাশ বেলুন নিয়ে ফোলাবার চেষ্টা করতাম আচ্ছা আপনারাই বলুন বেলুন, ফোলানো কি সহজ কাজ ? কোনোটা আবার এমন নরম, যে ফুলাতে না ফুলাতে ফটাস করে যেত ফেটে আবার কোনোটা এমন শক্ত, যে ফু দিতে দিতে চোয়াল হয়ে যেত ব্যথা। তাই একদিন সবাই মিলে ঠিক করলাম পাড়ার এক দাদাকে ধরে […]

