তুমি উঠে এসেছো অন্ধকূপ থেকে
তোমার মাথায় জ্বলছে চিতার আগুন
তোমার বাহু বেয়ে নেমে যাচ্ছে ঝর্ণা-সরীসৃপ
তোমার শরীরে বলয়িত হচ্ছে ঘূর্ণিঝড়
তোমার পা পিচ্ছিল কর্দমে প্রোথিত
ভয় পেয়ো না, আমি তোমাকে বাঁধবোই
আমার বন্ধনের নাম ভালোবাসা
আমার ভালোবাসার নাম মুক্তি
এই পৃথিবীর দূর এক প্রান্তে
আমি তোমার হাতে, পায়ে, মাথায়, গায়ে
এঁকে দেবো জন্মের স্বার,
তুমি চুষ্মান হও
তোমার শরীর ফুঁড়ে জন্ম নিক
ভুবনবিদারী বর্শা।
Related Articles
আবুল-বিষয়ক কবিতা
এ পাড়ার সকলেই জানে তিন তিনবার ডুব-সাঁতারে হেরেছ তুমি আবুলের কাছে। সেই আবুল এখন ঢাকায় টেম্পু চালায় আমি ঢাকা গেলে সে আমাকে একবার চিড়িয়াখানায়, দুইবার চন্দ্রিমা উদ্যানে বেড়াতে নিয়ে গিয়েছিল। গিয়ে দেখি, জোড়া জোড়া পাতিহাঁস হাঁটছে লেকের পাড়ে, খুব ভালো লাগল আমার এমনকি আবুলেরও। কিছুদিন আগে শুনলাম, আবুল যে শুধু আমাকেই তার টেম্পুতে চড়িয়েছে তা-ই […]
একেই বুঝি মানুষ বলে
নষ্ট জলে পা ধুয়েছো এখন উপায় কি? আচ্ছাদিত বুকের বোঁটা চুমোয় কেটেছি। কথার কোলে ইচ্ছেগুলো বাৎসায়নের রতি, মানে এবং অন্য মানে দুটোই জেনেছি। নষ্ট জলে ধুইয়ে দেবে কখন আমার গা, তোমার দিকে হাঁটবে কখন আমার দুটো পা? সেই দিকে মন পড়েই আছে, দিন তো হলো শেষ; তোমার মধ্যে পবিত্রতার একটি মহাদেশ এবং এক জলের ধারা […]
শুধু কবিতার জন্য
শুধু কবিতার জন্য এই জন্ম, শুধু কবিতার জন্য কিছু খেলা, শুধু কবিতার জন্য একা হিম সন্ধেবেলা ভূবন পেরিয়ে আসা, শুধু কবিতার জন্য অপলক মুখশ্রীর শান্তি একঝলক; শুধু কবিতার জন্য তুমি নারী, শুধু কবিতার জন্য এত রক্তপাত, মেঘে গাঙ্গেয় প্রপাত শুধু কবিতার জন্য, আরো দীর্ঘদিন বেঁচে থাকতে লোভ হয়। মানুষের মতো ক্ষোভময় বেঁচে থাকা, মুধু কবিতার […]

