তুমি উঠে এসেছো অন্ধকূপ থেকে
তোমার মাথায় জ্বলছে চিতার আগুন
তোমার বাহু বেয়ে নেমে যাচ্ছে ঝর্ণা-সরীসৃপ
তোমার শরীরে বলয়িত হচ্ছে ঘূর্ণিঝড়
তোমার পা পিচ্ছিল কর্দমে প্রোথিত
ভয় পেয়ো না, আমি তোমাকে বাঁধবোই
আমার বন্ধনের নাম ভালোবাসা
আমার ভালোবাসার নাম মুক্তি
এই পৃথিবীর দূর এক প্রান্তে
আমি তোমার হাতে, পায়ে, মাথায়, গায়ে
এঁকে দেবো জন্মের স্বার,
তুমি চুষ্মান হও
তোমার শরীর ফুঁড়ে জন্ম নিক
ভুবনবিদারী বর্শা।
Related Articles
কেরানিও দৌড়ে ছিল
১৭. জীবন কী? মৃত্যুই বা কী? জীবন তো বেঁচে থাকা। অবিরাম বেঁচে থাকার চেষ্টা। আর মৃত্যু? কারো জন্যে চিতার আগুন, কারো জন্যে মাটির ঘর। আহা, তখন তাহারা আপনাকে লইয়া যাইবে। কবরে শোয়াইয়া রাখিবে। তারপর তাহারা আপনাকে মাটির অন্ধকার ঘরে রাখিয়া চলিয়া যাইবে। চলি্লশ কদম দূরে তাহারা চলিয়া গেলেই কবরে আসিবে ফেরেশতা। পুছ করিবে_ বোল তেরা […]
স্মৃতি : কৈশোরিক
অদৃশ্য ফিতে থেকে ঝুলছে রঙিন বেলুন রাত্রির নীলাভ আসঙ্গে আর স্বপ্নের ওপর যেন তার নৌকা- দোলা; সোনার ঘণ্টার ধ্বনি ছড়িয়ে পড়ছে সমস্ত শহরের! আমি ফিরলাম ঝর্ণার মতো সেই গ্রীষ্ম দিনগুলোর ভেতর যেখানে শীৎকার, মত্ততা আর বেলফুলে গাঁথা জন্মরাত্রির উৎসবের আলো; দীর্ঘ দুপুর ভরে অপেমান ঘোড়ার ভৌতিক পিঠের মতো রাস্তাগুলো, গলা পিচে তরল বুদ্বুদে ছলছল নত্ররাজি, […]
কবি মলয় রায়চৌধুরিকে
হে কবি হে মোর প্রিয় কবি তুমি পুরুষের কামনার প্রতীক চির যুবক আগুনের ঘোড়া, মূর্ত যৌবনের রূপ। একদা তোমাকেই লিখেছিলামঃ তোমার পিছু আমি ছাড়বনা। কিছুতেই না। আনাচে কানাচে গলি ঘুঁজিতে অথবা জঙ্গলে। সহুরে দিন গুজরোনোর ফাঁকে ফোকোড়ে, গেঁয়ো হাঁসির ছাতা পড়া দাঁতে অথবা নীল সমুদ্দুরের ওপারে গোলাপী চামড়ার জামায়। যখন যেখানেই থাকো। এ পাড়ায় বা ও […]


