লেবুর পাতার ঘ্রাণে জব্দ তুমি,
করলব্ধ, নাবালিকা ভুমি;
যেতে যেতে ফিরে আসো,
ভালোবাসো সর্বনাশও,
তুমি ঘূর্ণি-রুমি;
হে গর্ভিনী জলাঙ্গিনী,
স্বরস্বতী দুগ্ধবতী,
মা-দুর্গা ওলান –
রেখেছি অমৃতে মুখ,
জন্মে-জন্মে সর্বভূক,
সতৃষ্ণ পরাণ।
দাও শস্য, দাও জল,
আকাশগঙ্গায় খল
নক্ষত্রের ঢল,
জোনাকি বধুর মুখ,
জন্মে-জন্মে সর্বভূক,
পিপাসা অমল।
যাই দূরে যাই,
গোলাবাড়ি ছেড়ে যাই,
শস্যমুখে যাই,
ওরে, উড়ে উড়ে যাই।
Related Articles
আবুল-বিষয়ক কবিতা
এ পাড়ার সকলেই জানে তিন তিনবার ডুব-সাঁতারে হেরেছ তুমি আবুলের কাছে। সেই আবুল এখন ঢাকায় টেম্পু চালায় আমি ঢাকা গেলে সে আমাকে একবার চিড়িয়াখানায়, দুইবার চন্দ্রিমা উদ্যানে বেড়াতে নিয়ে গিয়েছিল। গিয়ে দেখি, জোড়া জোড়া পাতিহাঁস হাঁটছে লেকের পাড়ে, খুব ভালো লাগল আমার এমনকি আবুলেরও। কিছুদিন আগে শুনলাম, আবুল যে শুধু আমাকেই তার টেম্পুতে চড়িয়েছে তা-ই […]
বন্ধুকে মনে রাখার কিছু ২
দল বেঁধে সিনেমায় ঢুকে মনে পড়ে যায় যদি আমাকে সবার কোনোদিন দীর্ঘায়িত পর্দার অলৌকিক স্পর্শে সেদিন পরিপূর্ণ শিহরনময় একটি দুঃখের দৃশ্যে আমাকে খুঁজবে তুমি? ঘরে ফিরে যাবার বেলায় মনে হবে? নাকি, সে-রাতের কথা আকস্মাৎ দগ্ধ কোরে দেবে? যে রাত্রে অর্থহীন পাগলের মতো কী সে এক দুর্মর আকাঙ্খায় শহরের শব্দহীন রাস্তায় সারারাত ঘুরে শৈশবের পুরনো ইতিহাস […]
দরজা বিষয়ে ভাবনা
বারবার দরজাটা ভেঙে গেছে আমার ঘরের, মনে হয় কাঠ ভালো ততটা ছিল না। একটি দোয়েল কেঁদে উঠেছিল আমলকী ডালে— কিন্তু ভিত এখনো মজবুত বলে আমি কাঁদি নাই। উৎসন্ন সংসারে তাই ভেবেই চলেছি। কবে সেই একদিন তুমুল স্বপ্নের ধাক্কা লেগে উড়ে যাই মানবের ইতিহাস পাঠে; তারপর থেকে আমি ঘর আর দরজা বিষয়ে অনেক ভেবেছি আর ঘুরে […]

