লেবুর পাতার ঘ্রাণে জব্দ তুমি,
করলব্ধ, নাবালিকা ভুমি;
যেতে যেতে ফিরে আসো,
ভালোবাসো সর্বনাশও,
তুমি ঘূর্ণি-রুমি;
হে গর্ভিনী জলাঙ্গিনী,
স্বরস্বতী দুগ্ধবতী,
মা-দুর্গা ওলান –
রেখেছি অমৃতে মুখ,
জন্মে-জন্মে সর্বভূক,
সতৃষ্ণ পরাণ।
দাও শস্য, দাও জল,
আকাশগঙ্গায় খল
নক্ষত্রের ঢল,
জোনাকি বধুর মুখ,
জন্মে-জন্মে সর্বভূক,
পিপাসা অমল।
যাই দূরে যাই,
গোলাবাড়ি ছেড়ে যাই,
শস্যমুখে যাই,
ওরে, উড়ে উড়ে যাই।
Related Articles
বিবৃতি
ঊনিশে বিধবা মেয়ে কায়ক্লেশে উন্তিরিশে এসে গর্ভবতী হলো, তার মোমের আলোর মতো দেহ কাঁপালো প্রাণান্ত লজ্জা, বাতারে কুটিল সন্দেহ সমস্ত শরীরে মিশে, বিন্দু বিন্দু রক্ত অবশেষে যন্ত্রনার বন্যা এলো, অন্ধ হলো চক্ষু, দশ দিক, এবং আড়ালে বলি, আমিই সে সুচতুর গোপন প্রেমিক। দিবাসার্ধ পায়ে হেঁটে লিরি আমি জীবিকার দাসত্ব-ভিখারী ক্লান্ত লাগে সারারাত, ক্লান্তি যেন অন্ধকার […]
আমাদের ভালোবাসা
আপন আলোয় আমি নেমে আসি তোমার দক্ষিণে যেমন সূর্যাস্ত এসে ঘিরে নেয় মন্দির, বটতলা গ্রামান্তে মন্থর দিন নতজানু নদীর কিনারে এই প্রেম, আমাদের ভালোবাসা। যদি বলো ব্যক্তিগত, তবে তাই; এরই তো বীজের মধ্যে দশ দিক ঘুরে আসা নিজেরই ধরনে আমি তাপ রেখে সবার দুহাতে ‘ভালো আছো? বন্ধু, ভালো আছো?’ অনেকেই ভালো নেই, ফিরে চলে আসি […]
বুকের মধ্যে বাহান্নটা আলমারি
বুকের মধ্যে বাহান্নটা মেহগনি কাঠের আলমারি। আমার যা কিছু প্রিয় জিনিস, সব সেইখানে। সেই সব হাসি, যা আকাশময় সোনালী ডানার ওড়াওড়ি সেই সব চোখ, যার নীল জলে কেবল ডুবে মরবার ঢেউ সেই সব স্পর্ম, যা সুইচ টিপলে আলোর জ্বলে ওঠার মতো সব ঐ আলমারির ভিতরে। যে সব মেঘ গভীর রাতের দিকে যেতে যেতে ঝরে পড়েছে […]

