জন্মেরও আগে আমি এইখানে
জন্মেছিলাম, এই বাংলায়;
এই ঘাসের ঘুঙুর ‘পরে কত যে নেচেছি,
পালকে পল্লবে হয়েছি মাতাল;
এখানে হেঁটেছি হাঁটা শিখবারও আগে
বাংলার ধুলো মাটি শরীরে মেখেছি,
নিয়েছি জলের ঘ্রাণ, পাতার সৌরভ
এইখানে এই দেশে এক কোটি বছর আগে
হয়তো জন্মেছি।
Related Articles
রাশিয়ার চিঠি-৫
বর্লিন মস্কৌ থেকে তোমাকে একটা বড়ো চিঠিতে রাশিয়া সম্বন্ধে আমার ধারণা লিখেছিলুম। সে চিঠি যদি পাও তো রাশিয়া সম্বন্ধে কিছু খবর পাবে। এখানে চাষীদের সর্বাঙ্গীণ উন্নতির জন্য কতটা কাজ করা হচ্ছে তারই বিবরণ কিছু দিয়েছি। আমাদের দেশে যে শ্রেণীর লোক মূক মূঢ়, জীবনের সকল সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়ে যাদের মন অন্তর-বাহিরের দৈন্যের তলায় চাপা পড়ে […]
একুশের কবিতা
ফেব্রুয়ারির একুশ তারিখ দুপুর বেলার অক্ত বৃষ্টি নামে, বৃষ্টি কোথায় ? বরকতের রক্ত। হাজার যুগের সূর্যতাপে জ্বলবে এমন লাল যে, সেই লোহিতেই লাল হয়েছে কৃষ্ণচূড়ার ডাল যে ! প্রভাতফেরীর মিছিল যাবে ছড়াও ফুলের বন্যা বিষাদগীতি গাইছে পথে তিতুমীরের কন্যা। চিনতে না কি সোনার ছেলে ক্ষুদিরামকে চিনতে ? রুদ্ধশ্বাসে প্রাণ দিলো যে মুক্ত বাতাস কিনতে ? […]
কথোপকথন-১২
-কাল বিকেলে তোমার ঘাড়ে চিবুক রেখে প্রকান্ড বাঘ কি খুঁজছিল দেখতে পেলে ? -জানি জানি, খুঁজছিল তার সুখের নদীর উৎস এবং পারাপারের শেষ পারানি । -সমস্ত রাত নিজের বুকের পাথর খুঁড়ে বইয়েছে কাল ক্ষতিকারক জলপ্রপাত । -লক্ষী সোনা, আমি তোমার আমি তোমার রৌদ্রছায়ায় সর্বক্ষণই সঙ্গে হাঁঠি সমুদ্রতীর কষ্ট দিলেই বিছোই বালির শীতল পাটি বুকের কাছে […]

