বহুক্রোশ হাঁটা পথিকের মতো আর জাগে না
জলের তৃষ্ণা,
মাঝে মাঝে শুধু একটু গলা ভেজানোর ইচ্ছা হয়;
কিন্তু তখন কী সে তৃষ্ণা, ইচ্ছা করে শুষে নিই
গঙ্গা, ব্রহ্মপুত্র, কুশিয়ারা
অাঁজলা ভরে খেতে চাই পৃথিবীর
সব নদী সমুদ্রের জল
মনে হয় তাতেও মিটবে না তৃষ্ণা, নিষেধ
অমান্য করে নেমে যাই মৃত্যু সরোবরে,
এমন কোথায় সে আকুল তৃষ্ণা,
সেই জলপানের আনন্দ
অবিরাম আষাঢ়ে ভেজার সুখ।
এখন বুঝি না আর গলা কাঠ হয়ে যাওয়ার সেই তৃষ্ণা
পাই না এখন প্রবল তৃষ্ণায় সেই ঢকঢক জলপানের প্রশান্তি।
এখন কেবল এই আধা গেলাসের মাপা জলে তৃষ্ণা মেটাই
নেই সেই অবগাহনের তৃষ্ণা,
এখন কেবল আছে দীর্ঘশ্বাস, এই ক্ষয়,
পুড়ে যাওয়া।
Related Articles
রাশিয়ার চিঠি-৯
ব্রেমেন জাহাজ আমাদের দেশে পলিটিক্স্কে যারা নিছক পালোয়ানি বলে জানে সব-রকম ললিতকলাকে তারা পৌরুষের বিরোধী বলে ধরে রেখেছেন। এ সম্বন্ধে আমি আগেই লিখেছি। রাশিয়ার জার ছিল একদিন দশাননের মতো সম্রাট; তার সাম্রাজ্য পৃথিবীর অনেকখানিকেই অজগর সাপের মতো গিলে ফেলেছিল, লেজের পাকে যাকে সে জড়িয়েছে তার হাড়গোড় দিয়েছে পিষে। প্রায় বছর-তেরো হল এরই প্রতাপের সঙ্গে বিপ্লবীদের […]
ফিরে পেতে চাই
দেশহীন মানুষের আর্তি আমি প্রিয় বন্ধু আজিজের কণ্ঠে শুনে মোহ্যমান— জাতিসংঘের উদ্বাস্তুবিষয়ক দপ্তরের দায়িত্বে ছিল সে; সংবেদনশীল বন্ধু আজিজের আর্দ্রকণ্ঠ আজও আমি শুনতে পাই— ‘একজন মানুষের দেশ থাকতে হয়;’ আনপড় এই আমিও বুঝতে পারি—‘দেশ’ কতটা দরকার, একজন মানুষের! প্রণম্যা আমার, আমি চাই পিতার স্বপ্নের দেশ— আমার জীবদ্দশায় সেই বাঙলাটি আমি চাই; চর্যাপদের বাঙলা, চণ্ডীদাসের বাঙলা, […]
একশ কোটি বছর এভাবেই ভালবাসবো
আগামী একশ কোটি বছর এভাবেই ভালবাসবো, তোমার নাম বুকের মাজারে এভাবেই আগলে রাখবো । বুকের ভেতর ঝড় উঠবে যেদিন আমি শুধু তোমায় ভেবেই সামলে নেবো সব, ভাঙা চাঁদের আলোয় ভিজে শুধু তোমার কাছেই চাইবো ভালোবাসা; আগামী একশ কোটি বছর আমি ফোটাবো গোলাপ, জারবারা আর রক্তাক্ত ক্যালেন্ডুলা তোমার চুল সাজাবো, মাখাবো আশীর্বাদ; অক্সিজেনের মত ভালবাসবো […]

