বহুক্রোশ হাঁটা পথিকের মতো আর জাগে না
জলের তৃষ্ণা,
মাঝে মাঝে শুধু একটু গলা ভেজানোর ইচ্ছা হয়;
কিন্তু তখন কী সে তৃষ্ণা, ইচ্ছা করে শুষে নিই
গঙ্গা, ব্রহ্মপুত্র, কুশিয়ারা
অাঁজলা ভরে খেতে চাই পৃথিবীর
সব নদী সমুদ্রের জল
মনে হয় তাতেও মিটবে না তৃষ্ণা, নিষেধ
অমান্য করে নেমে যাই মৃত্যু সরোবরে,
এমন কোথায় সে আকুল তৃষ্ণা,
সেই জলপানের আনন্দ
অবিরাম আষাঢ়ে ভেজার সুখ।
এখন বুঝি না আর গলা কাঠ হয়ে যাওয়ার সেই তৃষ্ণা
পাই না এখন প্রবল তৃষ্ণায় সেই ঢকঢক জলপানের প্রশান্তি।
এখন কেবল এই আধা গেলাসের মাপা জলে তৃষ্ণা মেটাই
নেই সেই অবগাহনের তৃষ্ণা,
এখন কেবল আছে দীর্ঘশ্বাস, এই ক্ষয়,
পুড়ে যাওয়া।
Related Articles
আমি কবি নই
অনেক যুগ কবিতা লিখিনা ফ্যাকাসে হয়ে যাচ্ছে কালির দোয়াত, কাগজের পাতা সন্ধিকাল পেড়িয়ে হুট করেই বুড়িয়ে গেছে গতরাত; তবু কবিতা লিখতে পারিনি বহুকাল ওরা এখন আর আসে না, একঘেয়ে কবিতা সাজাতে সাজাতে ওরা ক্লান্ত, আমি ছন্দ-প্রতিবন্ধী ।। কী দোষ আমার ? পুরোটা জীবন যে হাতে তুলে নিয়েছি কলম সেই হাত যখন তুলে নেয় অস্ত্র, […]
একমুঠো জোনাকী
একমুঠো জোনাকীর আলো নিয়ে ফাঁকা মাঠে ম্যাজিক দেখাচ্ছে অন্ধকার। একমুঠো জোনাকীর আলো পেয়ে এক একটা যুবক হয়ে যাচ্ছে জলটুঙি পাহাড় যুবতীরা সুবর্ণরেখা। সাপুড়ের ঝাঁপি খুলতেই বেরিয়ে পড়ল একমুঠো জোনাকী পুজো সংখ্যা খুলতেই বেরিয়ে পড়ল একমুঠো জোনাকী। একমুঠো জোনাকীর আলো নিয়ে ফাঁকা মাঠে ম্যাজিক দেখাচ্ছে অন্ধকার। ময়দানের মঞ্চে একমুঠো জোনাকী উড়িয়ে জয়ধ্বনি দিয়ে উঠল যেন কারা। […]
লোকটি তবে কবি ছিলো?
সুখে তারও লোভ ছিলো -চিরকাল অ-সুখে ভুখেছে! মাথার অসুখ ছিলো, লোকটির -বুকের, দাঁতের- নিত্যসঙ্গী গিঁটেবাত, হাঁটতো তাই খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে; শেষদিকে শ্বাসকষ্ট -নিঃশ্বাসের জন্যে একবুক বাতাসও তা ভাগ্যে বরাদ্দ ছিলো না! -লোকটির শরীরে অসুখ ছিল নানা -এজন্যে সে আজীবন লাঞ্চিত হয়েছে আর অপমান সয়েছে অনেক! সমাজও ছিলো না তার, বলতে গেলে, সামান্য প্রভাবও; লোকটির কোনো গুণই, […]

