বহুক্রোশ হাঁটা পথিকের মতো আর জাগে না
জলের তৃষ্ণা,
মাঝে মাঝে শুধু একটু গলা ভেজানোর ইচ্ছা হয়;
কিন্তু তখন কী সে তৃষ্ণা, ইচ্ছা করে শুষে নিই
গঙ্গা, ব্রহ্মপুত্র, কুশিয়ারা
অাঁজলা ভরে খেতে চাই পৃথিবীর
সব নদী সমুদ্রের জল
মনে হয় তাতেও মিটবে না তৃষ্ণা, নিষেধ
অমান্য করে নেমে যাই মৃত্যু সরোবরে,
এমন কোথায় সে আকুল তৃষ্ণা,
সেই জলপানের আনন্দ
অবিরাম আষাঢ়ে ভেজার সুখ।
এখন বুঝি না আর গলা কাঠ হয়ে যাওয়ার সেই তৃষ্ণা
পাই না এখন প্রবল তৃষ্ণায় সেই ঢকঢক জলপানের প্রশান্তি।
এখন কেবল এই আধা গেলাসের মাপা জলে তৃষ্ণা মেটাই
নেই সেই অবগাহনের তৃষ্ণা,
এখন কেবল আছে দীর্ঘশ্বাস, এই ক্ষয়,
পুড়ে যাওয়া।
Related Articles
ঘুণপোকা
ঘুণপোকা আজ যৌবন কুরে খাচ্ছে নতুন স্বপ্ন অচেনা হাওয়ায় ভাসছে অমিত সাহস পকেটে আটকে ঘুরছি জ্বালানো আগুনে নিজেই এখন পুড়ছি। করতল থেকে মুছে যায় সৌভাগ্য ভুঁইফোড় আমি নিজেকে ভেবেছি প্রাজ্ঞ অন্ধকারের জানালায় ডাকে পক্ষী অরণ্যে নেই পাহারার বনরক্ষী। ফুল থেকে আর পাইনাতো কোনো গন্ধ বিবেক ঘুমায়, নেই তার মনে দ্বন্দ্ব ব্যাঘ্র-জীবন হারিয়ে ফেলেছে গর্জন সিন্দুক […]
বাঙলা ভাষা
শেকলে বাঁধা শ্যামল রূপসী, তুমি-আমি, দুর্বিনীত দাসদাসী- একই শেকলে বাঁধা প’ড়ে আছি শতাব্দীর পর শতাব্দী। আমাদের ঘিরে শাঁইশাঁই চাবুকের শব্দ, স্তরে স্তরে শেকলের ঝংকার। তুমি আর আমি সে-গোত্রের যারা চিরদিন উৎপীড়নের মধ্যে গান গায়- হাহাকার রূপান্তরিত হয় সঙ্গীতে-শোভায়। লকলকে চাবুকের আক্রোশ আর অজগরের মতো অন্ধ শেকলের মুখোমুখি আমরা তুলে ধরি আমাদের উদ্ধত দর্পিত সৌন্দর্য: আদিম […]
আমার পতাকা
ওই তো আমার পতাকা উড়ছে স্বাধীনতার সবুজের মাঝে লাল সূর্যের আলোর ধার শ্যামল কোমল শস্যের রঙ মাতায় মন তার মাঝে গোল আলোর গোলক, বয় পবন বাতাসে ছড়ায় আশার সুরভী ভাষার গান আমরা গাইবো মিলিত কণ্ঠে স্বাধীন প্রাণ দিক বিজয়ের সুর ঝংকারে কাঁপে ঈশান তার মাঝে আজ ছড়িয়ে পড়–ক এই নিশান আমাদের পথ আমাদের মত দেখায় […]

