বহুক্রোশ হাঁটা পথিকের মতো আর জাগে না
জলের তৃষ্ণা,
মাঝে মাঝে শুধু একটু গলা ভেজানোর ইচ্ছা হয়;
কিন্তু তখন কী সে তৃষ্ণা, ইচ্ছা করে শুষে নিই
গঙ্গা, ব্রহ্মপুত্র, কুশিয়ারা
অাঁজলা ভরে খেতে চাই পৃথিবীর
সব নদী সমুদ্রের জল
মনে হয় তাতেও মিটবে না তৃষ্ণা, নিষেধ
অমান্য করে নেমে যাই মৃত্যু সরোবরে,
এমন কোথায় সে আকুল তৃষ্ণা,
সেই জলপানের আনন্দ
অবিরাম আষাঢ়ে ভেজার সুখ।
এখন বুঝি না আর গলা কাঠ হয়ে যাওয়ার সেই তৃষ্ণা
পাই না এখন প্রবল তৃষ্ণায় সেই ঢকঢক জলপানের প্রশান্তি।
এখন কেবল এই আধা গেলাসের মাপা জলে তৃষ্ণা মেটাই
নেই সেই অবগাহনের তৃষ্ণা,
এখন কেবল আছে দীর্ঘশ্বাস, এই ক্ষয়,
পুড়ে যাওয়া।
Related Articles
অহল্যা তোমার জন্য নিশিভোর বৃষ্টি
অহল্যা অভিমানে দূরে সরে আছ কেন… মেঘে-মেঘে চরে বেড়াচ্ছে বৃষরাশি বজ্রবিদ্যুতে তার টঙ্কারিত ট্যরাস দু-পা ছড়িয়ে রয়েছে বসুন্ধরা ভিজিয়ে নেবে তার মর্জি বৎসতরী অতিশুক্রপাতে সিক্ত হতে চায় ধরণি ফোঁটায়-ফোঁটায় মাতাল জঙ্ঘাদেশ ধর্ম আজ কামবর্ষী ময়ূরপুচ্ছ… কাছে আরো কাছে এসো অহল্যা দেরি করে ঘুম ভাঙবে ভোর হলে দেখব তোমার রঙিনপাড় সকাল… এসো দেখি বৃষ্টি নামে শরীর […]
হাত
আবার আমি তোমার হাতে রাখবো বলে হাত গুছিয়ে নিয়ে জীবনখানি উজান ডিঙি বেয়ে এসেছি সেই উঠোনটিতে গভীর করে রাত দেখছ না কি চাঁদের নীচে দাঁড়িয়ে কাঁদি দুঃখবতী মেয়ে ! আঙুলগুলো কাঁপছে দেখ, হাত বাড়াবে কখন ? কুয়াশা ভিজে শরীরখানা পাথর হয়ে গেলে ? হাত ছাড়িয়ে নিয়েছিলাম বর্ষা ছিল তখন, তখন তুমি ছিঁড়ে খেতে আস্ত কোনও […]
মজা নদী
মজা নদী ওগো মজা নদী মনে আছে? তীর ভাঙা তিন তরঙ্গে খান খান হয়েছিল বুক, ঠুকরে নিলো কি মাছে? ওষ্ঠের সব চুম্বন অভিমান? মনে করো সেই ঢেউয়ে ভরা দিনগুলি দিন চলে গেছে শেওলার স্মৃতি ভরা, আজও কি ডাকে না কলমির অঙ্গুলি? নদী করেছিল নদীকে স্বয়ম্বরা! নদী তুমি নেই, তবু যে দীর্ঘ রেখা কল্পিত স্রোতে ভেসে […]

