অল্পকথা ডট কম

স্বর্নালী দিনের স্পর্শ

সাথে থাকুন

Download

গান শুনতে এখানে ক্লিক »করুন !

Member Login

Lost your password?

Not a member yet? Sign Up!



হুমায়ুন আজাদ

লেখকঃ হুমায়ুন আজাদ

লেখক সম্পর্কেঃ হুমায়ুন আজাদ:(জন্ম: ২৮শে এপ্রিল, ১৯৪৭ (১৪ই বৈশাখ, ১৩৫৪ বঙ্গাব্দ), রাড়িখাল, বিক্রমপুর; মৃত্যু: ১১ই আগস্ট, ২০০৪, মিউনিখ, জার্মানি) একজন বাংলাদেশী কবি, ঔপন্যাসিক, সমালোচক, ভাষাবিজ্ঞানী, কিশোর সাহিত্যিক এবং কলাম প্রাবন্ধিক। ৭০ টি'র উপর তার রচনা রয়েছে। তিনি বাঙলাদেশের প্রধান প্রথাবিরোধী লেখক হুমায়ুন আজাদ। ব্যক্তিগত জীবন: হুমায়ুন আজাদ রাড়িখালের স্যার জগদীশ চন্দ্র বসু ইন্সটিটিউশন থেকে ১৯৬২ সালে মাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে ১৯৬৪ সালে ঢাকা কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করেন। মেধাবী ছাত্র আজাদ ১৯৬৭ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলায় স্নাতক ডিগ্রি এবং ১৯৬৮ সালে একই বিভাগ থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন; উভয় ক্ষেত্রেই তিনি প্রথম শ্রেণীতে প্রথম হন। ১৯৭৬ সালে তিনি এডিনবরা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ভাষাবিজ্ঞানে পিএইচডি ডিগ্রি লাভ করেন। তাঁর গবেষণার বিষয় ছিল বাংলা ভাষায় সর্বনামীয়করণ। তাঁর স্ত্রী লতিফা কোহিনুর। তাঁর দুই কন্যা মৌলি আজাদ, স্মিতা আজাদ এবং একমাত্র পুত্র অনন্য আজাদ। বাঙলাদেশে যখন মৌলবাদ বিস্তারলাভ করতে থাকে, বিশেষ করে ২০০১ সাল থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত, তখন ২০০৪ এ প্রকাশিত হয় হুমায়ুন আজাদের 'পাক সার জমিন সাদ বাদ' বইটি। বইটি প্রকাশিত হলে মৌলবাদীরা ক্ষেপে ওঠে, তারা মসজিদে মসজিদে হুমায়ুন আজাদের বিরুদ্ধে সাধারণ জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করে। বইটিতে উঁনি মৌলবাদীদের, ফ্যাসিবাদীদের চিত্রের শৈল্পিক রূপ দেন, মুখোশ খুলে ফেলেন ফ্যাসিবাদী জামাতের । আর তারই জের ধরে ২০০৪ সালে হুমায়ুন আজাদের উপর সন্ত্রাসী হামলা হয়, যার দায়িত্ব পরবর্তীতে জমিয়াতুল মুজাহেদীনের জঙ্গী সন্ত্রাসবাদীরা স্বীকার করে। হুমায়ুন আজাদ ১১ আগষ্ট ২০০৪ সালে জার্মানির মিউনিখ শহরে মৃত্যুবরণ করেন। ভাষাবিজ্ঞানী হুমায়ুন আজাদ: হুমায়ুন আজাদ যখন ৬০-এর দশকে বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা পড়ছিলেন, তখন ভাষাবিজ্ঞানে চম্‌স্কি-উদ্ভাবিত সৃষ্টিশীল রূপান্তরমূলক ব্যাকরণ তত্ত্বটি আলোড়নের সৃষ্টি করেছিল। আজাদই প্রথম এই তত্ত্বের কাঠামোর উপর ভিত্তি করে বাংলা ভাষার গবেষণার একটি অবহেলিত ক্ষেত্র বাক্যতত্ত্ব নিয়ে এডিনবরা বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণাকর্ম সম্পাদন করেন ও বাংলা ভাষার গবেষণাকে আধুনিক ভাষাবিজ্ঞানে উত্তরণ ঘটান। আজাদের পিএইচডি অভিসন্দর্ভের নাম ছিল Pronominalization in Bengali (অর্থাৎ বাংলা সর্বনামীয়করণ)। পরবর্তীতে এটি একই শিরোনামের ইংরেজি বই আকারে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৮৩ সালে প্রকাশিত হয়। এর পর ১৯৮৪ সালে আজাদ বাংলা বাক্যতত্ত্বের উপর বাক্যতত্ত্ব নামে একটি বাংলা বই প্রকাশ করেন। একই সালে তিনি বাঙলা ভাষা শিরোনামে দুই খণ্ডের একটি সঙ্কলন প্রকাশ করেন, যেটিতে বাংলা ভাষার বিভিন্ন ক্ষেত্রের উপর বিগত শতাধিক বছরের বিভিন্ন ভাষাবিদ ও সাহিত্যিকের লেখা গুরুত্বপূর্ণ ভাষাতাত্ত্বিক রচনা স্থান পায়। এই তিনটি গ্রন্থই ছিল তৎকালীন বাংলা ভাষাবিজ্ঞানের ইতিহাসে অভূতপূর্ব ঘটনা। পরবর্তীতে আজাদ তুলনামূলক-ঐতিহাসিক ভাষাবিজ্ঞান ও অর্থবিজ্ঞানের উপর দুইটি সংক্ষিপ্ত প্রাথমিক পাঠ্যপুস্তক লেখেন। ৯০-এর দশকের শেষের দিকে আজাদ বাংলা ভাষার একটি পূর্ণাঙ্গ ব্যাকরণ রচনার ব্যাপারে আগ্রহী হয়ে ওঠেন এবং এই ব্যাপারে ব্যক্তিগত পর্যায়ে ব্যাপক পরিকল্পনাও যে তিনি করছিলেন, তাঁর বিভিন্ন উক্তিতে তার প্রমাণ মেলে। তবে দুর্ভাগ্যবশত তিনি তাঁর স্বপ্ন বাস্তবায়ন করে যেতে পারেননি। সাহিত্যকৃতি: কবিতা: তাঁর প্রথম কাব্যগন্থের নাম 'অলৌকিক ইস্টিমার' যা প্রথম প্রকাশিত হয় পৌষ, ১৩৭৯ বঙ্গাব্দে (জানুয়ারি ১৯৭৩)। কাব্যগ্রন্থটি তিনি উৎসর্গ করেন ১৯৬৮- ৭২ এর রাতদিনগুলোর উদ্দেশে। দ্বিতীয় কাব্যগ্রন্থ 'জ্বলো চিতাবাঘ। প্রথম প্রকাশ হয় ফাল্গুন, ১৩৮৬ বঙ্গাব্দে (মার্চ ১৯৮০) 'সবকিছু নষ্টদের অধিকারে যাবে' তাঁর তৃতীয় কাব্যগ্রন্থ। প্রথম প্রকাশের সময় বৈশাখ ১৩৯২ বঙ্গাব্দ (এপ্রিল, ১৯৮৫)। কাব্যগ্রন্থটি বাংলাভাষার সাম্প্রতিক সময়ের দুইজন জনপ্রিয় লেখক হুমায়ূন আহমেদ (এইক্ষেত্রে হুমায়ূনের হু-টা অন্য রকম হওয়ার কথা) এবং ইমদাদুল হক মিলন কে উৎসর্গিত। ১৩৯৩ বঙ্গাব্দের ফাল্গুনে (মার্চ ১৯৮৭) প্রকাশিত হয় তাঁর চতুর্থ কাব্যগ্রন্থ ' যতোই গভীরে যাই মধু যতোই ওপরে যাই নীল' 'আমি বেঁচে ছিলাম অন্যদের সময়ে' প্রকাশিত হয় ১৩৯৬ বঙ্গাব্দের ফাল্গুনে (ফেব্রুয়ারি ১৯৯০) প্রথমবারের মত। এটি তাঁর পঞ্চম কাব্যগ্রন্থ। এর আট বছর পর ১৪০৪ এর ফাল্গুনে (ফেব্রুয়ারি ১৯৯৮) প্রকাশিত হয় তার ষষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ 'কাফনে মোড়া অশ্রুবিন্দু'। কাব্যগ্রন্থটি কবি তার 'প্রিয় মৃতদের জন্য' উৎসর্গ করেন। সপ্তম কাব্যগ্রন্থ 'পেরোনোর কিছু নেই প্রকাশিত হয় ১৪১০ বঙ্গাব্দের মাঘ(ফেব্রুয়ারি, ২০০৪) মাসে।এটিই হুমায়ুন আজাদের শেষ কাব্যগ্রন্থ। তবে হুমায়ুন আজাদের মৃত্যুর পর বঙ্গাব্দ ১৪১১ এর ফাল্গুনে (ফেব্রুয়ারি,২০০৫) এই সাতটি কাব্যগ্রন্থ সহ আরো কিছু অগ্রন্থিত ও অনূদিত কবিতা নিয়ে তাঁর 'কাব্যসমগ্র' প্রকাশিত হয়। উপন্যাস:মূলতঃ গবেষক ও প্রাবন্ধিক হলেও হুমায়ূন আজাদ ১৯৯০-এর দশকে একজন প্রতিভাবান ঔপন্যাসিক হিসাবে আত্মপ্রকাশ করেন। ২০০৪ খৃস্টাব্দে মৃত্যু অবধি তাঁর প্রকাশিত উপন্যাসের সংখ্যা ১৩। তাঁর ভাষা দৃঢ়, কাহিনীর গঠন সংহতিপূর্ণ এবং রাজনৈতিক দর্শন স্বতঃস্ফূর্ত। তবে কাহিনীতে যৌনতার ব্যবহার কখনো কখনো মাত্রাতিরিক্ত বা অপ্রয়োজনীয় হয়েছে বলে তিনি সমালোচিত হয়েছেন। শেষ দিককার কয়েকটি উপন্যাসে তাঁর দৃষ্টিভঙ্গি মূলতঃ রাজনৈতিক রচনার শিল্পরূপকে ক্ষুণ্ণ করেছে বলে প্রতীয়মান হয়। মূলত ১৯৯৪ সালে তিনি ঔপন্যাসিক হিসেবে নিজেকে আত্মপ্রকাশ করেন প্রথম উপন্যাস ছাপ্পান্নো হাজার বর্গমাইলের মধ্যে দিয়ে। ১৯৯৫ সালে প্রকাশিত হয় সব কিছু ভেঙ্গে পড়ে। আর এই বইয়ের জন্য তিনি বাংলা একাডেমীর পুরস্কার পেয়েছেন। ২০০২ সালে ১০০০০ এবং আরও একটি ধর্ষণ, ২০০৩ সালে একটি খুনের স্বপ্ন এবং ২০০৪ সালে প্রকাশিত পাক সার জমিন সাদ বাদ-এর মতো একটি অসাধারণ নতুন মাত্রার উপন্যাস। প্রবন্ধ: ১৯৯২ সালে প্রকাশিত হয় প্রবন্ধের বই নারী। আর এই বইয়ের প্রকাশের পর তিনি মৌলবাদীদের তীব্র রোষানলে পড়েন। মৌলবাদীদের ঘৃণ্য চেষ্টার প্রভাবে ১৯৯৫ সালে নারী বইটি নিষিদ্ধ করতে বাধ্য হয় বাংলাদেশ সরকার। দীর্ঘ ৪ বছর পর ২০০০ সালে বইটি আবার আলোর মুখ দেখে। রাজনৈতিক বিশ্বাস ও দর্শন:ড. হুমায়ুন আজাদ ছিলেন স্বঘোষিত নাস্তিক। তিনি আস্তাকুড়ে ফেলে দিয়েছিলেন সমস্ত প্রথাকে। নিজে হয়ে উঠেছিলেন প্রথাবিরোধী। তাঁর সমস্ত বই, প্রবন্ধ, কবিতা সৃষ্টি হয়েছে প্রথাকে অস্বীকার করে। তাঁর প্রবচনগুচ্ছ এদেশের পাঠক সমাজকে করে তুলেছে সচেতন, অপরদিকে ভণ্ডদের করে তুলেছে ক্রুদ্ধ। আর এ কারণেই তিনি হয়ে ওঠেছিলেন এদেশের কান্ট। হুমায়ুন আজাদের লেখালেখির পুরোটাই ছিল বিজ্ঞানমনস্ক ও যুক্তিবাদী। তিনি নিজেই ছিলেন তাঁর চিন্তা-চেতনা ও বিশ্বাসের মুখপত্র। তবে তিনি তাঁর রাজনৈতিক আদর্শকে কখনো ঢেকে রাখেননি। তাঁর বিশ্বাস ছিল বৈষম্যহীন অর্থনৈতিক ব্যবস্থার প্রতি এবং তিনি তা অনেকবারই উল্লেখ করেছেন। সমাজতান্ত্রিক অর্থনীতিকেই তিনি মুক্ত মানবের মুক্ত সমাজ গড়ার পক্ষে অনুকূল বলে মনে করতেন। মৃত্যু: ২০০৪ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি বাংলা একাডেমীতে অনুষ্ঠিত বইমেলা থেকে বেরিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে নিজের বাসায় যাওয়ার পথে ঘাতকদের আক্রমণের শিকার হন তিনি। হত্যাপ্রচেষ্টা ঘটনার কিছুদিন পরেই জার্মান সরকার তাকে সেই কাজ করার জন্য বৃত্তি দেয়। ২০০৪-এর ৭ আগস্ট জার্মান কবি হাইনরিশ হাইনের ওপর গবেষণা বৃত্তি নিয়ে জার্মানি যান।২০০৪ সালের ১১ আগস্ট আকস্মিকভাবে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন হুমায়ুন আজাদ। ১২ আগস্ট তার ফ্ল্যাটের নিজ কক্ষে তাকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। জার্মানি যাওয়ার মাত্র পাঁচ দিন পর তার এই মৃত্যু রহস্যময় প্রতীয়মান হয়েছে। ড. হুমায়ুন আজাদের মৃত্যুর পর জার্মান সরকারের তত্ত্বাবধানে মিউনিখে তার এপার্টমেন্টে পাওয়া সব জিনিসপত্র ঢাকায় তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে। ওই জিনিসপত্রের ভেতরেই পাওয়া যায় তার হাতের লেখা তিনটি চিঠি। চিঠি তিনটি আলাদা তিনটি পোস্ট কার্ডে লিখেছেন বড় মেয়ে মৌলিকে, ছোট মেয়ে স্মিতাকে এবং একমাত্র ছেলে অনন্য আজাদকে। অনুমান করা হয়, ওই লেখার অক্ষরগুলোই ছিল তার জীবনের শেষ লেখা। তাঁর মরদেহ কফিনে করে জার্মানি থেকে ঢাকায় আনা হয়। এরপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদে জানাযার নামাজশেষে তাঁর মরদেহ জন্মস্থান রাড়িখালে নিয়ে যাওয়া হয় এবং সেখানেই সমাহিত করা হয়। প্রকাশিত গ্রন্থাবলী: কবিতা: অলৌকিক ইস্টিমার (১৯৭৩) জ্বলো চিতাবাঘ (১৯৮০) সবকিছু নষ্টদের অধিকারে যাবে (১৯৮৫) যতোই গভীরে যাই মধু যতোই উপরে যাই নীল (১৯৮৭) আমি বেঁচে ছিলাম অন্যদের সময়ে (১৯৯০) হুমায়ুন আজাদের শ্রেষ্ঠ কবিতা (১৯৯৩) আধুনিক বাংলা কবিতা (১৯৯৪) কাফনে মোড়া অশ্রু বিন্দু (১৯৯৮) কাব্য সংগ্রহ (১৯৯৮) পেরোনোর কিছু নেই (২০০৪) কথাসাহিত্য: ছাপ্পান্নো হাজার বর্গমাইল (১৯৯৪) সব কিছু ভেঙে পড়ে (১৯৯৫) মানুষ হিশেবে আমার অপরাধসমূহ (১৯৯৬) যাদুকরের মৃত্যু (১৯৯৬) শুভব্রত, তার সম্পর্কিত সুসমাচার (১৯৯৭) রাজনীতিবিদগণ (১৯৯৮) কবি অথবা দন্ডিত অপুরুষ (১৯৯৯) নিজের সঙ্গে নিজের জীবনের মধু (২০০০) ফালি ফালি ক'রে কাটা চাঁদ (২০০১) শ্রাবণের বৃষ্টিতে রক্তজবা (২০০২) ১০,০০০, এবং আরো একটি ধর্ষণ (২০০৩) একটি খুনের স্বপ্ন (২০০৪) পাক সার জমিন সাদ বাদ (২০০৪) কিশোরসাহিত্য: লাল নীল দীপাবলি বা বাঙলা সাহিত্যের জীবনী (১৯৭৬) ফুলের গন্ধে ঘুম আসেনা (১৯৮৫) কতো নদী সরোবর বা বাঙলা ভাষার জীবনী (১৯৮৭) আব্বুকে মনে পড়ে (১৯৮৯) বুকপকেটে জোনাকিপোকা (১৯৯৩) আমাদের শহরে একদল দেবদূত (১৯৯৬) অন্ধকারে গন্ধরাজ (২০০৩) Our Beautiful Bangladesh (২০০৪) সমালোচনা: শিল্পকলার বিমানবিকীকরণ ও অন্যান্য প্রবন্ধ (১৯৮৮) ভাষা-আন্দোলন: সাহিত্যিক পটভূমি (১৯৯০) নারী (১৯৯২) প্রতিক্রিয়াশীলতার দীর্ঘ ছায়ার নিচে (১৯৯২) নিবিড় নীলিমা (১৯৯২) মাতাল তরণী (১৯৯২) নরকে অনন্ত ঋতু (১৯৯২) জলপাই রঙের অন্ধকার (১৯৯২) রবীন্দ্র প্রবন্ধ/রাষ্ট্র ও সমাজচিন্তা (১৯৯৩) শামসুর রাহমান/নিঃসঙ্গ শেরপা (১৯৯৩) সীমাবদ্ধতার সূত্র (১৯৯৩) আধার ও আধেয় (১৯৯৩) আমার অবিশ্বাস (১৯৯৭) পার্বত্য চট্টগ্রাম : সবুজ পাহাড়ের ভেতর দিয়ে প্রবাহিত হিংসার ঝরনাধারা (১৯৯৭) মহাবিশ্ব (২০০০) দ্বিতীয় লিঙ্গ (মূল : সিমোন দ্য বোভোয়ার) (২০০১) আমরা কি এই বাঙলাদেশ চেয়েছিলাম (২০০৩) ধর্মানভূতির উপকথা ও অন্যান্য (২০০৪) ভাষাবিজ্ঞান: Pronominalization in Bengali (১৯৮৩) বাঙলা ভাষার শত্রুমিত্র (১৯৮৩) বাক্যতত্ত্ব (১৯৮৪) বাঙলা ভাষা (প্রথম খন্ড) (১৯৮৪) বাঙলা ভাষা (দ্বিতীয় খন্ড) (১৯৮৫) তুলনামূলক ও ঐতিহাসিক ভাষাবিজ্ঞান (১৯৮৮) অর্থবিজ্ঞান (১৯৯৯) অন্যান্য: হুমায়ুন আজাদের প্রবচনগুচ্ছ (১৯৯২) সাক্ষাৎকার (১৯৯৪) আততায়ীদের সঙ্গে কথোপকথন (১৯৯৫) বহুমাত্রিক জ্যোতির্ময় (১৯৯৭) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রধান কবিতা (১৯৯৭) পুরস্কার ও স্বীকৃতিঃ একুশে পদক (২০১২)

লেখকের ইউআরএলঃ
অবস্থান: বাংলাদেশ
প্রোফাইলঃ ৪৯ views হয়েছে ।

হুমায়ুন আজাদ, মন্তব্য সংখ্যাঃ ০

হুমায়ুন আজাদ, পোষ্ট সংখ্যাঃ ৩৪

যুক্ত হয়েছেনঃ মে ১৪, ২০১২, সোমবার,

হুমায়ুন আজাদ 'র পছন্দের পোষ্টঃ
  • "এখনো কোন পছন্দের পোষ্ট যুক্ত করেন নাই ।"

  • আমাকে ছেড়ে যাবার পর

    সংযুক্তির তারিখঃ ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৬ লিখেছেনঃ হুমায়ুন আজাদ

    আমাকে ছেড়ে যাবার পর শুনেছি তুমি খুব কষ্টে আছো। তোমার খবরের জন্যে যে আমি খুব ব্যাকুল এমনটি নয়। তবে ঢাকা খুবই ছোট্ট শহর, কারো কষ্টের কথা এখানে চাপা থাকে না। শুনেছি আমাকে ছেড়ে যাবার পর তুমি খুবই কষ্টে আছো। প্রত্যেক রাতে সেই ঘটনার পর নাকি আমাকে মনে পড়ে তোমার। পড়বেই তো, পৃথিবীতে সেই ঘটনা তুমি […] বিস্তারিত

    ট্যাগসমুহঃ

    মন্তব্য (নেই )

    সামরিক আইন ভাঙার পাঁচ রকম পদ্ধতি

    সংযুক্তির তারিখঃ ০৯ নভেম্বর ২০১৪ লিখেছেনঃ হুমায়ুন আজাদ

    তুমি তো জানোই ভালো ক’রে আমাদের বর্বর সমাজে এক রকম সামরিক আইন চিরকালই আছে । দ্বাদশ শতকে ছিল,আছে আজো, হয়তো থাকবে আগামী শতকে । এতে কিন্তু আসলে সুবিধা সকলেরই- অর্থাৎ দালাল ও সুবিধাবাদীরা অর্থাৎ সমস্ত বাঙালি এতে খুবই সুবিধা বোধ করে। শুধু অসুবিধা তোমার আমার, প্রিয়তমা । আমরা কি তিলে তিলে বুঝতে পারছি না সামরিক […] বিস্তারিত

    ট্যাগসমুহঃ

    মন্তব্য (নেই )

    তুমি তো যাচ্ছো চ'লে

    সংযুক্তির তারিখঃ ১০ জানুয়ারী ২০১৪ লিখেছেনঃ হুমায়ুন আজাদ

    তুমি তো যাচ্ছো চ’লে আমাকে কিছু দাও। দাও বিষ করি পান, রক্ত ক’রে রেখে দিই রক্তনালিতে; প্রত্যহ বইবো দেহে সে-দূর্লভ উপহারস্মৃতি। তুমি তো যাচ্ছো চ’লে আমাকে কিছু দাও। বিষাক্ত ছোবল দাও উদ্বেলিত হৃৎপিন্ডে; স্মরণে সজীব ক’রে রেখে দিই অপ্রাপণীয় চুম্বনের দাগ। তুমি তো যাচ্ছো চ’লে আমাকে কিছু দাও। দাও ঘৃণা তীব্রতম, মর্মে প’শে জীর্ণ করি […] বিস্তারিত

    ট্যাগসমুহঃ

    মন্তব্য (নেই )

    মুক্তিবাহিনীর জন্যে

    সংযুক্তির তারিখঃ ১৬ ডিসেম্বর ২০১৩ লিখেছেনঃ হুমায়ুন আজাদ

    তোমার রাইফেল থেকে বেরিয়ে আসছে গোলাপ তোমার মেশিনগানের ম্যাগজিনে ৪৫টি গোলাপের কুঁড়ি তুমি ক্যামোফ্লেজ করলেই মরা ঝোপে ফোটে লাল ফুল বস্তুত দস্যুরা অস্ত্রকে নয় গোলাপকেই ভয় পায় বেশি তুমি পা রাখলেই অকস্মাৎ ধ্বংস হয় শত্রুর কংক্রিট বাংকার তুমি ট্রিগারে আঙুল রাখতেই মায়াবীর মতো জাদুবলে পতন হয় শত্রুর দুর্ভেদ্য ঘাঁটি ঢাকা নগরীর তোমার রাইফেল থেকে বেরিয়ে […] বিস্তারিত

    ট্যাগসমুহঃ

    মন্তব্য (নেই )

    সেই কবে থেকে

    সংযুক্তির তারিখঃ ১১ ডিসেম্বর ২০১৩ লিখেছেনঃ হুমায়ুন আজাদ

    সেই কবে থেকে জ্বলছি জ্ব‘লে জ্ব‘লে নিভে গেছি ব‘লে তুমি দেখতে পাও নি । সেই কবে থেকে দাঁড়িয়ে রয়েছি দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে বাতিস্তম্ভের মতো ভেঙে পড়েছি ব‘লে তুমি লক্ষ্য করো নি । সেই কবে থেকে ডাকছি ডাকতে ডাকতে স্বরতন্ত্রি ছিঁড়ে বোবা হয়ে গেছি ব‘লে তুমি শুনতে পাও নি । সেই কবে থেকে ফুটে আছি ফুটে ফুটে […] বিস্তারিত

    ট্যাগসমুহঃ

    মন্তব্য (নেই )

    কখনো আমি

    সংযুক্তির তারিখঃ ০৮ ডিসেম্বর ২০১৩ লিখেছেনঃ হুমায়ুন আজাদ

    কখনো আমি স্বপ্ন দেখি যদি স্বপ্ন দেখবো একটি বিশাল নদী। নদীর ওপর আকাশ ঘন নীল নীলের ভেতর উড়ছে গাঙচিল। আকাশ ছুঁয়ে উঠছে কেবল ঢেউ আমি ছাড়া চারদিকে নেই কেউ। কখনো আমি কাউকে যদি ডাকি ডাকবো একটি কোমল সুদূর পাখি। পাখির ডানায় আঁঁকা বনের ছবি চোখের তারায় জ্বলে ভোরের রবি। আকাশ কাঁপে পাখির গলার সুরে বৃষ্টি […] বিস্তারিত

    ট্যাগসমুহঃ

    মন্তব্য (নেই )

    ভিখারী

    সংযুক্তির তারিখঃ ২০ মে ২০১৩ লিখেছেনঃ হুমায়ুন আজাদ

    আমি বাঙালি, বড়োই গরিব। পূর্বপুরুষেরা- পিতা, পিতামহ ভিক্ষাই করেছে; শতাব্দী, বর্ষ, মাস, সপ্তাহ, প্রত্যহ। এমন সৌন্দর্য নেই- তুমি সব কিছু ফেলে ছুটে আসবে আমার উদ্দেশে দুই বাহু মেলে। এত শৌর্যবীর্য নেই যে সদম্ভে ফেলবো চরণ আর দিনদুপুরে সকলের চোখের সামনে তোমাকে করবো হরণ। হে সৌন্দর্য হে স্বপ্ন হে ক্ষুধা হে তৃষ্ণার বারি, আমি শুধু দুই […] বিস্তারিত

    ট্যাগসমুহঃ

    মন্তব্য (নেই )

    পর্বত

    সংযুক্তির তারিখঃ ১৩ মে ২০১৩ লিখেছেনঃ হুমায়ুন আজাদ

    ছোটোবেলায় উঠোনের কোণে স্বপ্নের মতো একরত্তি লাল একটা ঘাসফুল দেখে বিভোর হ’য়ে গিয়েছিলাম। তারপর কতো ভোরে সেই একরত্তি ফুল হ’য়ে উঠোনের কোণে আমি অত্যন্ত নি:শব্দে ফুটেছি। আট বছর বয়সে আমার খুব ভালো লেগেছিলো ডালিমের ডালে ঘুমের মতোন ব’সে থাকা দোয়েলটিকে। তারপর অসংখ্য দুপুরে আমি ঘুম হ’য়ে ডালিমের শাখায় বসেছি। পুকুরে পানির সবুজ কোমল ঢেউ হয়েছি […] বিস্তারিত

    ট্যাগসমুহঃ

    মন্তব্য (নেই )

    গরীবের সৌন্দর্য

    সংযুক্তির তারিখঃ ৩০ জানুয়ারী ২০১৩ লিখেছেনঃ হুমায়ুন আজাদ

    গরিবেরা সাধারণত সুন্দর হয় না। গরিবদের কথা মনে হ’লে সৌন্দর্যের কথা মনে পড়ে না কখনো। গরিবদের ঘরবাড়ি খুবই নোংরা, অনেকের আবার ঘরবাড়িই নেই। গরিবদের কাপড়চোপড় খুবই নোংরা, অনেকের আবার কাপড়চোপড়ই নেই। গরিবেরা যখন হাঁটে তখন তাদের খুব কিম্ভুত দেখায়। যখন গরিবেরা মাটি কাটে ইট ভাঙে খড় ঘাঁটে গাড়ি ঠেলে পিচ ঢালে তখন তাদের সারা দেহে […] বিস্তারিত

    ট্যাগসমুহঃ

    মন্তব্য (নেই )

    প্রার্থনালয় -কাফনে মোড়া অশ্রুবিন্দু

    সংযুক্তির তারিখঃ ৩০ জানুয়ারী ২০১৩ লিখেছেনঃ হুমায়ুন আজাদ

    ছেলেবেলায় আমি যেখানে খেলতাম তিরিশ বছর পর গিয়ে দেখি সেখানে একটি মসজিদ উঠেছে। আমি জানতে চাই ছেলেরা এখন খেলে কোথায়? তারা বলে ছেলেরা এখন খেলে না, মসজিদে পাঁচবেলা নামাজ পড়ে। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় বুড়িগঙ্গার ধারে বেড়াতে গিয়ে যেখানে একঘন্টা পরস্পরের দিকে নিষ্পলক তাকিয়ে ছিলাম আমি আর মরিয়ম, গিয়ে দেখি সৌদি সাহায্যে সেখানে একটা লাল ইটের […] বিস্তারিত

    ট্যাগসমুহঃ

    মন্তব্য (নেই )

    ই-মেইলের মাধ্যমে নতুন পোষ্ট-এর জন্য

    আপনার ই-মেইল লিখুন

    ,

    অক্টোবর ২৪, ২০১৭,মঙ্গলবার

    Custom Search
    আপনার বিজ্ঞাপন !
    setubondhon

    বিজ্ঞাপনের জন্য