মিত্রা দিদি, তোমাকে নিয়ে কাব্য
লেখেনি কোন পুরুষ কোন দিন।
গলির মোড়ে বাজেনি সম্মিলিত
শীৎকার, বখাটে ছেলেদের।
তোমাকে দেখতে আসেনি পাত্রপক্ষ,
এসেছিল শুধু মেপে নিতে,
তোমার বুক, চুল, নিতম্ব
যাবতীয় সব শারিরিক।
কত বার গেছ তুমি কামরূপ-কামাক্ষা ?
কত বার ছুঁয়েছ তুমি কাম পীঠে সিঁদুর ?
কত বার পাল্টেছ জ্যোতিষি তুমি ?
কত বার করিয়েছ জাদুটোনা ?
কত যুগ উপবাসী তুমি ঢেলেছ দুগ্ধ,
সুগঠিত শিবলিঙ্গে ?
সে খবর জানে শুধু,
একলা রাতের পাশ বালিশ।
Related Articles
এই ধারা বর্ষণে
এই ধারা বর্ষণের সন্ধ্যাবেলায় ভাবনা একটি ভেজা পাতার মতো দুলতে লাগলো। কেন যেন মনে হলো এসো মৃত্যুর কথা ভাবি মাঠের ওপাশের কবরগুলো বৃষ্টির ধোয়ায় আবছা শান্ত হয়ে আছে। মনে হয় নিঃশ্বাস ফিরিয়ে দিলেও এদের কেউ পৃথিবীতে বাস করতে চায় না। কতো মৃত্যুর কথা মনে পড়তে লাগলো। পিতা-পিতামহের মৃত্যু অপরিচিতদের মৃত্যু পাখির নিঃসীম ওড়াওড়ির মতো সেই […]
তোমার কাছেই
সকাল নয়, তবু আমার প্রথম দেখার ছটফটানি দুপুর নয়, তবু আমার দুপুরবেলার প্রিয় তামাশা ছিল না নদী, তবুও নদী পেরিয়ে আসি তোমার কাছে তুমি ছিলে না তবুও যেন তোমার কাছেই বেড়াতে আসা! শিরীষ গাছে রোদ লেগেছে শিরীষ কোথায়, মরুভূমি! বিকেল নয়, তবু আমার বিকেলবেলর ক্ষুৎপিপাসা চিঠির খামে গন্ধ বকুল তৃষ্ণা ছোটে বিদেশ পানে তুমি ছিলে […]
আমরা আবহমান ধ্বংস ও নির্মানে
সেদিন ছিল শনিবার আমার মনে ঘুংঘুর বেজে উঠল হঠাৎ তুমি তাহলে নিশ্চয়ই আসছো । তুমি মেজেন্টা ভালোবাস, শাড়িতে সেই রঙ তুমি বর্ষা দেখতে পাগল,তাই চোখের চার পাশে কাজল পরা মেঘ । বিছানা একটু নরম না হলে লাগবে তাই আচলের ঘের কমিয়ে তুলতুলে দুটো বালিশ এভাবে দ্বিকবিদ্বিক জেগে বসে চাঁদ চলে গেল দখিনের পথে তাঁর মুচকি […]

