যুধিষ্ঠির আববে পাণ্ডবের বাচ্চা যুধিষ্ঠির বহুতল বাড়ি থেকে নেবে আয় গলির মোড়েতে নিআয় ল্যাংবোট কৃষ্ণ ভীম বা নকুল কে কে আছে পেটো হকিস্টিক ক্ষুর সোডার বোতল ছুরি সাইকেল-চেন বলে দে দ্রৌপদীকে আলসে থেকে ঝুঁকে দেখে নিক আমার সঙ্গে আজ কিছু নেই কেউ নেই ধৃষ্টদ্যুম্ন দুর্য্যোধন নেই তোদেরই অঙ্গুলিহেলনে কেটে তর্জনীও দিয়েছি শৈশবে দাঁড়াচ্ছি পা ফাঁক […]
কবিতা
বাংলা কবিতা সংকলন
কবির অ্যাশ ট্রে – মৃগাঙ্কশেখর গঙ্গোপাধ্যায়
ঋণঃ নো এস্কেপ একটা ছবি দেখলাম। তাতে এমন এক যন্ত্র দেখালো। ট্রিগার চাপলেই গর্ত জন্মাচ্ছে। এরকম দুটো গর্ত করলে, এক গর্ত দিয়ে ঢুকলে আর এক গর্ত দিয়েই বেরবেন। সে যেখানেই গর্ত করুন। এবার ধরুন গর্ত দুটো দুই মানুষের শরীরে…সেই উত্তর ছবি দেয় নি। ছবি যন্ত্র ট্রিগার গর্ত শরীরে উত্তর একটা যন্ত্র দেখলাম। তাতে এমন এক […]
এ কেমন বৈরী
ভাবা যায় ? কোনো প্রতিপক্ষ নেই ! সবকটা আধমরা হয়ে আজ শুয়ে আছে জুতোর তলায় ? কিছুই করিনি আমি কেবল মুখেতে হাত চাপা দিয়ে চিৎকার করেছি থেকে-থেকে হাহাহা হাহাহা হাহা হাহা পিস্তল কোমরে বাঁধা তেমনিই ছিল সঙ্গোপনে ক্ষুর বা ভোজালি বের করিনিকো বোমাগুলো শান্তিনিকেতনি ব্যাগে চুপচাপ যেমন-কে-তেমন পড়ে আছে আমি তো আটঘাট বেঁধে ভেবেছি […]
কবি মলয় রায়চৌধুরিকে
হে কবি হে মোর প্রিয় কবি তুমি পুরুষের কামনার প্রতীক চির যুবক আগুনের ঘোড়া, মূর্ত যৌবনের রূপ। একদা তোমাকেই লিখেছিলামঃ তোমার পিছু আমি ছাড়বনা। কিছুতেই না। আনাচে কানাচে গলি ঘুঁজিতে অথবা জঙ্গলে। সহুরে দিন গুজরোনোর ফাঁকে ফোকোড়ে, গেঁয়ো হাঁসির ছাতা পড়া দাঁতে অথবা নীল সমুদ্দুরের ওপারে গোলাপী চামড়ার জামায়। যখন যেখানেই থাকো। এ পাড়ায় বা ও […]
নখ কাটা ও প্রেম
রবীন্দ্রনাথ, দেড়শ বছর পর একটা প্রশ্ন আপনাকে : কে আপনার নখ কেটে দিত যখন বিদেশ-বিভুঁয়ে থাকতেন– সেই বিদেশিনী ? নাকি চৌখশ সুন্দরী ভক্তিমতীরা ? যুবতীরা আপনার হাতখানা কোলের ওপরে নিয়ে নখ কেটে দিচ্ছেন, এরকম ফোটো কেউ তোলেনি যে ; ওকামপোর হাঁটুর ওপরে রাখা আপনার দর্শনীয় পা ? মহাত্মা গান্ধীর দুই ডানা রাখবার সাথিনেরা বোধহয় […]
জীবন মানে
খর স্রোতে খড় ভেসে যায়। সে কি হারায়? হারিয়ে যায়? খরের আগায় একটি পোকা তর পেয়ে যায়, তর পেয়ে যায়। আয়না বড় ব্যপ্ত ওকে আঁজলা ভরে দ্যাখ। তারণ মানে কেমন বাওয়া কোন তরণী কেমন হাওয়া লাগছে পালেঃ কালই জানে। কালই জানে যাপন মানে, জীবন মানে।
জীবনানন্দের সাথে
আমি বিরহের কবিতা লিখতে চাইনি। লিখতে চেয়েছিলাম একটি গান। আমি ভাঙনের সূরে গলা সাধতে চাইনি, চেয়েছিলাম এক মুঠো প্রান। আমার দাম! গান থেকে কবিতায় খুজে ফেরা- আলোর সন্ধান । যেমন সন্ধ্যার চাঁদ চিকমিক করে ঘাসের চোখে আর নক্ষত্রকে জানান দেয় তার অস্তিত্ব। তেমনি কালো রাতের মহাকাশে অজস্র নক্ষত্রবিথীর মাঝে- দেখা করতে চেয়েছিলাম জীবনানন্দের সাথে। হাটতে […]
এসো, এসো, এসো হে বৈশাখ
এসো হে বৈশাখ এসো, এসো, তাপস নিশ্বাস বায়ে মু মূ র্ষুরে দাও উড়ায়ে, তাপস নিশ্বাস বায়ে মু মূ র্ষুরে দাও উড়ায়ে, বৎসরের আবর্জনা দূর হয়ে যাক যাক,যাক,যা্ক,এসো, এসো, এসো হে বৈশাখ এসো, এসো, যাক পুরাতন স্মৃতি, যাক ভুলে যাওয়া গীতি, যাক পুরাতন স্মৃতি, যাক ভুলে যাওয়া গীতি, যাক অশ্রু বাষ্প সুদূরে মিলাক। যাক,যাক,এসো, এসো, এসো […]
আমি কেবলি স্বপন করেছি বপন
আমি কেবলি স্বপন করেছি বপন বাতাসে— তাই আকাশকুসুম করিনু চয়ন হতাশে। ছায়ার মতন মিলায় ধরণী, কূল নাহি পায় আশার তরণী, মানসপ্রতিমা ভাসিয়া বেড়ায় আকাশে। কিছু বাঁধা পড়িল না শুধু এ বাসনা- বাঁধনে। কেহ নাহি দিল ধরা শুধু এ সুদূর সাধনে। আপনার মনে বসিয়া একেলা অনলশিখায় কী করিনু খেলা, দিনশেষে দেখি ছাই হল সব হুতাশে। আমি […]
ঝলসানো রুটি
উর্বর কৃষি জমি; তারপর লাশের মিছিল। তারপর অন্ধগলি – পাথর হয়েছে চোরাবালি। আবার এসেছি সেই পথে, আলোর সন্ধানে অন্ধকারের আলিঙ্গনে – যেখানে শেষ বার ডেকেছে দাড়কাক। কোথাও বিদ্যুতের তারে ঝুলে আছে মরা বাদুড় নিথর দেহখানি দুলছে হাওয়ায় অজানা শীতের কুয়াশায় নিঃসিম জনসমুদ্রে ডুবে গেছে শেষ আর্তনাদ বাচার তীব্র অভিলাসে – আবার আবার আর্তনাদ। এক ফ্লাক্স […]
