তোমার কাছে ক্ষমা চাইতে এসেছি আমি,
যদিও অনেক দেরী হলো।
তোমার মাথার সমস্ত চুল এখন সাদা ;
আমিও আর শিশুটি নেই, তোমার পায়ের শুকনো পাতা
চোখের জলে ধুয়ে দেবো!
কী করে যে ক্ষমা চাইবো? তোমার মাথার সমস্ত চুঁল
এখন সাদা ;
এই কী ক্ষমা চাওয়ার সময়! অথচ দুরে ঘন্টা বাজছে
আর দেরী নয়— যেতেই হবে।
আর দরী নয়—অথচ কত বছর তোমার মুখ দেখি নি!
কত বছর চোখের জলে তোমার পায়ের ছায়া পড়ে নি,
কত বছর…
Related Articles
বুকের মধ্যে বাহান্নটা আলমারি
বুকের মধ্যে বাহান্নটা মেহগনি কাঠের আলমারি। আমার যা কিছু প্রিয় জিনিস, সব সেইখানে। সেই সব হাসি, যা আকাশময় সোনালী ডানার ওড়াউড়ি সেই সব চোখ, যার নীল জলে কেবল ডুবে মরবার ঢেউ সেই সব স্পর্শ, যা সুইচ টিপলে আলোর জ্বলে ওঠার মতো সব ঐ আলমারির ভিতরে। যে সব মেঘ গভীর রাতের দিকে যেতে যেতে ঝরে পড়েছে […]
জয়ী নই, পরাজিত নই
পাহাড়-চুড়ায় দাঁড়িয়ে মনে হয়েছিল আমি এই পৃথিবীকে পদতলে রেখেছি এই আক্ষরিক সত্যের কছে যুক্তি মূর্ছা যায়। শিহরিত নির্জনতার মধ্যে বুক টন্টন করে ওঠে হাল্কা মেঘের উপচ্ছায়ায় একটি ম্লান দিন সবুজকে ধূসর হতে ডাকে আ-দিগন্ত প্রান্তের ও টুকরো ছড়ানো টিরার উপর দিয়ে ভেসে যায় অনৈতিহাসিক হাওয়া অরণ্য আনে না কোনো কস্তুরীর ঘ্রাণ কিছু নিচে ছুটন্ত মহিলার […]
নিঃসঙ্গ মৃত্যু
অনুবাদঃ অসিত সরকার নির্জন কবরখানা স্মৃতিস্তম্ভগুলো নিঃশব্দ অস্থিতে পরিপূর্ণ, অন্ধকার সংকীর্ণ গুহার মধ্যে দিয়ে হৃদয় আসে যায়ঃ যেন জন্মলগ্ন এক জাহাজের খোলের মধ্যে আমরা মারা গেলাম যেন হৃদয়ের অতলান্তে আমরা তলিয়ে গেলাম যেন সত্তার আপন অস্তিত্বে আমরা মিশে গেলাম। অজস্র মৃতদেহ ক্লেদাক্ত হিমেল পা, পাঁজরে পাঁজরে জড়ানো মৃত্যু, পবিত্র একটা শব্দের মতো কুকুরবিহীন তীক্ষ্ণ চিতকারের […]

