এই এক ছবি দেখি, দিন রাত দুর্বোধ্য আয়নায়
বিকেলের মতো এক ক্লান্ত নারী রহস্য ভিতরে ;
কিংবা আমাদের মন আছে কিনা, অস্ফুট বার্তায়
প্রশ্ন শুনি যেন ; কিংবা যতটুকু এ হৃদয়ে ধরে
ততটুকু নিতে গিয়ে দেখি ছবি অগাধ গভীর
কোথায় যে নিয়ে যায়? তারপর সকলি নিবিড়
চেতনা চেতনা শুধু! এক ছবি বহু ছবি হয়
তখন কি? তখনো কি নিরুত্তর কিছু প্রশ্ন থাকে?
পৃথিবীর সব নিয়ে, তবু যেন সব পাওয়া নয়
এমনি অভাব?…যারা আয়নার ক্লান্ত মুখ রাখে
তারা তো একটি মেয়ে; তবু তারা কেমন ছড়ায়
সর্বত্র, সর্বত্র তারা অব্যর্থ অস্বস্তি রেখে যায়
চিল ঘরে, রাস্তায়, এভেন্যুয়ে উদ্বাস্তু মিছিলে
অথবা প্রথম-প্রেম-গুঞ্জনে কি বিবাহসভায়!
Related Articles
আসামি হাজির
ঘরে ও বাইরে আমি একা অপরাধী অন্য কেউ নয়_ সব দোষ এই আমার, আমার; আসামি হাজির_ মাননীয় আদালত, স্যার শাস্তি দিন, মানব-সংসারে যাবতীয় অপরাধ একা আমি করিয়াছি; অন্য কেউ দায়ী নয়_ আসামি হাজির; জন্মেছি মানুষ হয়ে এ_ আমার বড় অপরাধ।
প্রিয়তমাসু
সীমান্তে আজ আমি প্রহরী। অনেক রক্তাক্ত পথ অতিক্রম ক’রে আজ এখানে এসে থমকে দাড়িয়েছি- স্বদেশের সীমানায়। দূসর তিউনিসিয়া থেকে স্নিগ্ধ ইতালী, স্নিগ্ধ ইতালী থেকে ছুটে গেছি বিপ্লবী ফ্রান্সে নক্ষত্রনিয়ন্ত্রিত নিয়তির মতো দুর্নিবার, অপরাহত রাইফেল হাতে; – ফ্রান্স থেকে প্রতিবেশী বার্মাতেও। আজ দেহে আমার সৈনিকের কড়া পোশাক, হাতে এখনো দুর্জয় রাইফেল, রক্তে রক্তে তরঙ্গিত জয়ের আর […]
পুনর্জন্মে নয়
পুনর্জন্মে নয়, প্রতি জন্মে তোমাকে আমার চাই রক্তে ধমনিতে জ্বলে লাল অগ্নিশিখাঃ কবিতার থেকে যতদূরে যাই বন্দিশিবিরে দেখি উদ্ধত কনীনিকা। তোমাকে আমার চাই, তুমি ছাড়া এ-বিশ্বের অস্তিত্ব আদৌ মানি না__ সমস্ত পদাবলী, রবীন্দ্রসংগীত তুমি ছাড়া সব বৃথা এমনকি সূর্যোদয়, তারা-ছাওয়া সৌর-আকাশ, কোনোকিছু চিনি না__ _আমি নই রাম, লোকভয়ে ছেড়ে দেব সীতা। _পারি, সমস্ত উপেক্ষা করে […]

