এই এক ছবি দেখি, দিন রাত দুর্বোধ্য আয়নায়
বিকেলের মতো এক ক্লান্ত নারী রহস্য ভিতরে ;
কিংবা আমাদের মন আছে কিনা, অস্ফুট বার্তায়
প্রশ্ন শুনি যেন ; কিংবা যতটুকু এ হৃদয়ে ধরে
ততটুকু নিতে গিয়ে দেখি ছবি অগাধ গভীর
কোথায় যে নিয়ে যায়? তারপর সকলি নিবিড়
চেতনা চেতনা শুধু! এক ছবি বহু ছবি হয়
তখন কি? তখনো কি নিরুত্তর কিছু প্রশ্ন থাকে?
পৃথিবীর সব নিয়ে, তবু যেন সব পাওয়া নয়
এমনি অভাব?…যারা আয়নার ক্লান্ত মুখ রাখে
তারা তো একটি মেয়ে; তবু তারা কেমন ছড়ায়
সর্বত্র, সর্বত্র তারা অব্যর্থ অস্বস্তি রেখে যায়
চিল ঘরে, রাস্তায়, এভেন্যুয়ে উদ্বাস্তু মিছিলে
অথবা প্রথম-প্রেম-গুঞ্জনে কি বিবাহসভায়!
Related Articles
সারাটা জীবন
আমাকে দিও না শাস্তি, শিয়রের কাছে কেন এত নীল জল কোথাও বোঝার ভুল ছিল তাই ঝড় এল সন্ধের আকাশে আমাকে দিও না শাস্তি, কেন ফেলে চলে গেলে অসমাপ্ত বই চতুর্দিকে এত শব্দ, শব্দ গিরিবর্ত্মে ঝোলে অদ্ভুত শূন্যতা আকাশের গায়ে গায়ে কালো তাঁবু, জগতের সব দীন দু:খী শুয়ে আছে একজন শুধু বাইরে, তুমি তার একাকীত্ব তুলে […]
বিপুলা পৃথিবী
একদিন সে এসে পড়েছিল এই ভুল মানুষের অরণ্যে। হাতে তাদের গা ছুঁতে গিয়ে কর্কশ বল্কল লাগে বারে বারে। আজ মনে হয় কেন সে গিয়েছিল। সে কি ভেবেছিল তার চিকন মোহ উদ্ভিন্ন করে দেবে অন্ধকারের শরীর? সে কি যেন মেঘলা জল কালো বনের মাথায়? প্রতিটি পাতা তার নন্দন বরণ করে নেবে সবুজ কৃতজ্ঞতায়? আঙুরের আভার মতো […]
কোথাও কেউ নেই
স্বপ্নের ভিতর থেকে হেঁটে আসে এক সিদ্ধ পুরুষ; সস্নেহে হাত বাড়িয়ে বললেন, ‘চলো’ । অমোঘ নির্দেশের মতো শোনায় তাঁর কণ্ঠস্বর – যেমন বলতেন বাবা ছোটবেলায় ! মন্ত্রাবিস্টের মতো উঠে বসি আমি আর অনুগামী হই নিঃশব্দে অনন্তের পথ ধরে অনন্তকাল – গন্তব্য কোথায় জানিনা । না আলো না আঁধার, অসীমের মতো নিরাকার নির্ভার মনে হয়, ভূত […]


