এই এক ছবি দেখি, দিন রাত দুর্বোধ্য আয়নায়
বিকেলের মতো এক ক্লান্ত নারী রহস্য ভিতরে ;
কিংবা আমাদের মন আছে কিনা, অস্ফুট বার্তায়
প্রশ্ন শুনি যেন ; কিংবা যতটুকু এ হৃদয়ে ধরে
ততটুকু নিতে গিয়ে দেখি ছবি অগাধ গভীর
কোথায় যে নিয়ে যায়? তারপর সকলি নিবিড়
চেতনা চেতনা শুধু! এক ছবি বহু ছবি হয়
তখন কি? তখনো কি নিরুত্তর কিছু প্রশ্ন থাকে?
পৃথিবীর সব নিয়ে, তবু যেন সব পাওয়া নয়
এমনি অভাব?…যারা আয়নার ক্লান্ত মুখ রাখে
তারা তো একটি মেয়ে; তবু তারা কেমন ছড়ায়
সর্বত্র, সর্বত্র তারা অব্যর্থ অস্বস্তি রেখে যায়
চিল ঘরে, রাস্তায়, এভেন্যুয়ে উদ্বাস্তু মিছিলে
অথবা প্রথম-প্রেম-গুঞ্জনে কি বিবাহসভায়!
Related Articles
পৌষের মাঠও
এক মাঘে শীত যায় না, দিন আসছে বুঝলে হে, মৃতেরা যখন জেগে উঠবে, বলে রাখছি সমস্ত দিনের গুরুভার তোমাকেই বইতে হবে বাড়ছে দিনের তাপমাত্রা, যে-সব পাজির পা-ঝাড়ারা রৌদ্র আর জ্যোত্স্নাকে এক করে দ্যাখে, প্রতিসরণের বিভাবে হঠাত্ সংঘাতুর হয়ে যায়, জেনো শীত মানেই তুষারাচ্ছন্ন নয়, পৌষের মাঠও পোড়ে সূর্যের ঠাণ্ডা রোদ্দুরে। …
এক গ্লাস অন্ধকার হাতে
এক গ্লাস অন্ধকার হাতে নিয়ে বসে আছি। শুন্যতার দিকে চোখ, শুন্যতা চোখের ভেতরও- এক গ্লাস অন্ধকার হাতে নিয়ে বসে আছি। বিলুপ্ত বনস্পতির ছায়া, বিলুপ্ত হরিণ। মৌসুমী পাখির ঝাঁক পালকের অন্তরালে তুষারের গহন সৌরভ ব’য়ে আর আনে না এখন। দৃশ্যমান প্রযুক্তির জটাজুটে অবরুদ্ব কাল, পূর্ণিমার চাঁদ থেকে ঝ’রে পড়ে সোনালী অসুখ। ডাক শুনে পেছনে তাকাই- কেউ […]
একটি সন্তানসম্ভবা পাখির গল্প
একজন পাখি বিশারদ আমাকে বলেছিলেন-, পাখিদের আপনি বিশ্বাস করতে পারেন। ওরা কখনও মিথ্যা কথা বলে না। সম্প্রতি আমি হাতে নাতে তার প্রমাণ পেয়েছি। নয়াগাঁওয়ের এই নতুন বাড়িটিতে আসার পর বেশ ক’জন পাখির সঙ্গে আমার আলাপ হয়েছে। তাদের মধ্যে একজন বাবুই পাখির সঙ্গে গড়ে উঠেছে আমার খুব বিশেষ সম্পর্ক। আমরা পরস্পরকে ভালোবেসে ফেলেছি। এখন আর আমাদের […]

