অনিকেত শব্দরা ঘোরে মুখে মুখে
এক কান থেকে আর এক কানে;
ঝাপটায় ডানা পরিযায়ী হংসযূথ
পড়ে মুখ থুবড়ে ফাঁদে আটকে;
অভিভাবকহীন শব্দের মঞ্জুরি
ঝরে টুপটাপ রাত-দিন সারাবেলা,
নির্জন অরণ্যে বাজে কুঠারের শব্দ
নিঃসঙ্গ আকাশে যায় উঠে যায় চৈত্রের হাওয়া
পাতারা ওড়ে ঘরময় আনাচে-কানাচে কাননে
আলো ছায়ায় নকশা ভাঙে সাদা কাগজে,
আত্মতুষ্ট কালো অক্ষরের চাতক হা-মুখে
মোড়ে মোড়ে এক, ঠ্যাং ঢালে অবিরল নির্ঝর।
Related Articles
নোলক
আমার মায়ের সোনার নোলক হারিয়ে গেল শেষে হেথায় খুঁজি হোথায় খুঁজি সারা বাংলাদেশে। নদীর কাছে গিয়েছিলাম, আছে তোমার কাছে ? -হাত দিওনা আমার শরীর ভরা বোয়াল মাছে। বললো কেঁদে তিতাস নদী হরিণবেড়ের বাঁকে শাদা পালক বকরা যেথায় পাখ ছড়িয়ে থাকে। জল ছাড়িয়ে দল হারিয়ে গেলাম বনের দিক সবুজ বনের হরিৎ টিয়ে করে রে ঝিকমিক। বনের […]
আরও নিচে
সিংহাসন থেকে একটু নিচে নেমে, পাথরের সিঁড়ির উপর বসে থাকি একা, চিবুক নির্ভরশীল চোখ লোকচক্ষু থেকে দূরে। ‘সম্রাটের চেয়ে কিছু কম সম্রাটত্ব’ থেকে ছুটি নিয়ে আজ হলুদ দিনাবসানে পরিকীর্ণ শব্দটির মোহে মাটির মানুষ হতে সাধ হয়। এক-একদিন একরকম হয়। আমার চোখের নীচে কালো দাগ ব্যান্ডেজের মধ্যে একটা পোকা ঢুকলে যে-রকম জাদুদন্ডসম কোনো মহিলার মতো নিয়তি […]
কাঁকর
আমি হিমু হতে পারি নি হলুদ পাঞ্জাবি পড়ে নিশাচর হতে পারি নি, কোন উপন্যাস থেকে উঠে আসা হতে পারি নি নায়িকার প্রথম প্রেম । বাসের ভিড়ে ঝুলে থাকা হাতের মত অথবা জীবনানন্দের অসমাপ্ত কোন কবিতার মত, জায়গা হলো না কোথাও । মিসির আলী হয়ে ওঠা হলো না আমার ইচ্ছে ছিল শুভ্র হবো, আর না […]

