অনিকেত শব্দরা ঘোরে মুখে মুখে
এক কান থেকে আর এক কানে;
ঝাপটায় ডানা পরিযায়ী হংসযূথ
পড়ে মুখ থুবড়ে ফাঁদে আটকে;
অভিভাবকহীন শব্দের মঞ্জুরি
ঝরে টুপটাপ রাত-দিন সারাবেলা,
নির্জন অরণ্যে বাজে কুঠারের শব্দ
নিঃসঙ্গ আকাশে যায় উঠে যায় চৈত্রের হাওয়া
পাতারা ওড়ে ঘরময় আনাচে-কানাচে কাননে
আলো ছায়ায় নকশা ভাঙে সাদা কাগজে,
আত্মতুষ্ট কালো অক্ষরের চাতক হা-মুখে
মোড়ে মোড়ে এক, ঠ্যাং ঢালে অবিরল নির্ঝর।
Related Articles
সংক্রান্তি
মেঘ ঝুঁকে আছে বহুতল সেই মানুষের সিঁথির উপরে, যেখানে কখনো সিন্দুর ছোঁয়াবেনা আর, বরং কাটাবে এরপর চেতাবনি দিন, সাঁজোয়াজীবন অম্বার। আমি তাকে বলি (প্রকরণগত কারণে নীরব ভাষায়)—“স্বীকার করাই ভালো, আমারও রক্তে গত কয়েকশো যুগ দূর থেকে আসা অক্ষত আধিপত্য ; তবু কি আমাকে একটুও ভালোবাসবে? যদি কোনদিন নতুন বর্ষপঞ্জি বিধান জানায়—আমি এতদূরই আমি হয়ে উঠেছি […]
সুখের অ-সুখ
মন খারাপের চাদর সরিয়ে সুখের মুখ খুঁজি সুখের আমার অ-সুখ করেছে দুঃখ আমার নিশিদিন আমি যে তাই দুঃখ বিলাসী । সুখ, তুমি কেমন আছ ? একটিবার আসতে পারো আমার যত দুঃখ আছে দু’ ডানাতে ভাসাতে পারো ? সুখ, তোমার বসত কোথায় ? একটিবার আসতে পারো আমার দুঃখ দিয়ে তুমি সুখের বসত গড়তে পারো ? […]
প্রেমহীন
শেষ ভালোবাসা দিয়েছি তোমার পূর্বের মহিলাকে এখন হৃদয় শূন্য, যেমন রাত্রি রাজপথ ঝকমক করে কঠিন সড়ক, আলোয় সাজানো, প্রত্যেক বাঁকে বাঁকে প্রতীক্ষা আছে আঁধারে লুকানো তবু জানি চিরদিন এ-পথ্ থাকবে এমনি সাজানো, কেউ আসবে না, জনহীন, প্রেমহীন শেষ ভালোবাসা দিয়েছি তোমার পূর্বের মহিলাকে! রূপ দেখে ভুলি কী রূপের বান, তোমার রূপের তুলনা কে দেবে? এমন […]

