অনিকেত শব্দরা ঘোরে মুখে মুখে
এক কান থেকে আর এক কানে;
ঝাপটায় ডানা পরিযায়ী হংসযূথ
পড়ে মুখ থুবড়ে ফাঁদে আটকে;
অভিভাবকহীন শব্দের মঞ্জুরি
ঝরে টুপটাপ রাত-দিন সারাবেলা,
নির্জন অরণ্যে বাজে কুঠারের শব্দ
নিঃসঙ্গ আকাশে যায় উঠে যায় চৈত্রের হাওয়া
পাতারা ওড়ে ঘরময় আনাচে-কানাচে কাননে
আলো ছায়ায় নকশা ভাঙে সাদা কাগজে,
আত্মতুষ্ট কালো অক্ষরের চাতক হা-মুখে
মোড়ে মোড়ে এক, ঠ্যাং ঢালে অবিরল নির্ঝর।
বেলাল চৌধুরী
জন্ম: ১২ নভেম্বর ১৯৩৮। বিংশ শতাব্দীর দ্বিতীয়ার্ধে আবির্ভূত একজন আধুনিক বাঙ্গালী কবি যাকে ষাট দশকের সঙ্গে চিহ্নিত করা হয়। তিনি সাংবাদিক, প্রাবন্ধিক, অনুবাদক এবং সম্পাদক হিসাবেও খ্যাতিমান। তাঁর জন্ম ১৯৩৮ সালের ১২ই নভেম্বর বাংলাদেশের ফেনী উপজেলার অন্তর্গত শর্শদি গ্রামে। তাঁর পিতা রফিকউদ্দিন আহমাদ চৌধুরী ও মা মুনীর আখতার খাতুন চৌধুরানী। তিনিঁ দীর্ঘকাল ঢাকাস্থ ভারতীয় দূতাবাস কর্তৃক প্রকাশিত ভারত বিচিত্রা পত্রিকাটির সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছেন।
Related Articles
বাঙলাদেশের কথা (আমরা কি এই বাঙলাদেশ চেয়েছিলাম)
যখন আমরা বসি মুখোমুখি, আমাদের দশটি আঙুল হৃৎপিন্ডের মতো কাঁপতে থাকে দশটি আঙুলে, আমাদের ঠোঁটের গোলাপ ভিজে ওঠে আরক্ত শিশিরে, যখন আমরা আশ্চর্য আঙুলে জ্বলি, যখন আমরাই পরষ্পরের স্বাধীন স্বদেশ, তখন ভুলেও কখনো আমাকে তুমি বাঙলাদেশের কথা জিজ্ঞেস করো না; আমি তা মূহূর্তেও সহ্য করতে পারি না, -তার অনেক কারণ রয়েছে। তোমাকে মিনতি করি কখনো […]
সোনালী কাবিন – ১
সোনার দিনার নেই, দেনমোহর চেয়না হরিণী যদি নাও দিতে পারি কাবিনবিহীন হাত দুটি, আত্মবিক্রয়ের স্বর্ন কোনোকালে সঞ্চয় করিনি আহত বিক্ষত করে চারদিকে চতুর ভ্রুকুটি; ভালবাসা দাও যদি আমি দেব আমার চুম্বন, ছলনা জানিনা বলে আর কোনো ব্যাবসা শিখিনি দেহ দিলে দেহ পাবে দেহের অধিক মূলধন আমারতো নেই শখি, যেই পণ্যে অলংকার কিনি। বিবসন হও যদি […]

