তোমার তুলনা মতে নৈশব্দের পাথর ফেটেছে
নিরুত্তর শিলাস্তর তবু আমি স্পর্শ করে বুঝি
দিনান্তের তাপটুকু লেগে আছে পাষানে খানিক,
নির্মম আবেগে তাই গ্লানিতেই গ- চেপে ধরি।
কবে যে তোমার চোখ পৃথিবীর প্রথম আগুনে
লোভীর জিহ্বার মতো তুলে নীল শিখার ঝিলিক
প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল অবিরাম চুম্বনে চাপনে
আমার বিদীর্ণ ওষ্ঠে লেপে দেবে রক্তের লালচ
এখনো তেমনি আছি অবিমৃষ্য কবির মতোই
ফাটা ঠোঁটে বলি, ওগো ভালোবাসি তোমাকে কে সেই
যেমন চিলের দৃষ্টি ভূপৃষ্ঠের খাদ্য খুঁজে ফেরে
যেমন মেঘের ভেলা ভেসে গিয়ে কাঞ্চনজঙ্ঘাকে
দারুণ বেষ্টন দিয়ে শুরু করে জলের স্তম্ভন অথবা
প্রবল বেগে নেমে আসে এই বাংলাদেশে
আইলের মালিকানাময় কিষাণের ছেকের ভেতর।
আমিও তেমনি নামি ছদ্মবেশী বঙ্গোপসাগর
বৃষ্টি বিবৃতি ঝরি, জলবিন্দু, নিস্তব্ধ তোমাতে।
Related Articles
নয়নিমা
ব্যায়াম করিস তুই অবন্তিকা, নরম গোলাপি ম্যাটে শুয়ে, মিহি মিহি বাজনায় বডি তোর মৃদঙ্গ তালের ঢঙে ফুল-অন উরুকে ফোলায় পা দুটো ওপরে ওঠে, উলঙ্গ সাঁতারু, আয়নার পারা গুঁড়ো গুঁড়ো ভাসাস সঙ্গীতে ধোয়া উড়ন্ত বকের ডানা, কাকে দিবি বলে কাঁচা মাটি মাখছিস আঁটোসাঁটো লোভনীয় পাছাকে দুলিয়ে ?
বরকতের সঙ্গে লাঞ্চ করার কথা ছিলো
বরকতের সঙ্গে আমার দুপুরে লাঞ্চ করার কথা ছিলো। খুব ভোরে বেরিয়ে যাবার সময় হলের বারান্দায় দাঁড়িয়ে বলেছিলো, শাদাভাতের সাথে আলুভর্তা আর গরম ডালের সুস্বাদু ঘ্রাণ ফাল্গুনের মগ্ন বাতাস ছড়িয়ে দেবে ঢাকা শহরে। আমি মিছিল শেষ করে চলে যাবো নবাবপুর রোডের শাহী রেস্তোরাঁয়। আকাশে ছেঁড়াখোঁড়া মেঘের আনাগোনা আর কলাভবনের চারপাশে পুলিশের বেষ্টনী দেখে আমি বলেছিলাম, পকেটে […]
কবির সম্বল
কবি এই ত্রিভুবন রাজনীড়ে নেই শস্যদানা, শিরে তবু গোলাপের তাজঠোঁটে তার কষ্টবোঁটা, দুই চোখে দুই ডানা আঁকা ঘাসফড়িঙের খোঁজে ওড়ে তাও অগ্নিবলাকা নিষিদ্ধ নিয়ম ভেঙে অনিয়ম যদিও নিয়তি নিজেকে নিবৃত্ত করে অপরের ক্ষতিকরেনি তো, বল্লম বুলেট নিয়ে ফরমান জারি না করার অভিমানে নেই আহাজারি কবির সম্বল শুধু ঘাসপাতালতা কবিরও বরাদ্দ আছে আপন ক্ষমতা […]

