হেলায় ফেলায় দিন কাটিয়ে কোথায় এলাম
নাম জানি না মুখ চিনি না ডাকবো কারে!
কে দেবে গো সাড়া আমায়, মুখটি দেখাও
পার হয়েছি অনেক দূরের পথের রেখা
এখন তবে চাইগো তোমার হঠাৎ দেখা।
আর তো আমার পিছন ফেরার নাই সুবিধা,
এগিয়ে যেতে হবে তবে-
কি আর সামনে বল কী দেখাবে?
আমি কবি, আমায় বল কী শেখাবে
ভালোবাসার কথা আমি লিখছি অনেক
এবার ক্লান্তি, শান্তি, সোহাগ দাও
আমি চলছি কার ইশারায় কার যে ডাকে।
চলতে চলতে বলতে বলতে একটি জীবন
পার হয়েছি তেপান্তরের জীবন মরণ।
এবার আমায় ঠাঁই দিতে চাই, কোন সুদূরের মুখের হাসি
আমি শুধু একলা তোমায় ভালোবাসি।
Related Articles
অভিধান
ঘরময় একটি পাতাবাহার। আজ, জন্মদিন অরুণার চোখ দুটি যামিনী রায়ের আঁকা, মুখখানি প্রথম কদমফুল। মন্দাক্রান্ত ছন্দ-মাখা আষাঢ়স্য প্রথম দিবস। বিরহের গান আজ তার জন্মদিন। নদীও আবেগে ছন্দময়। দু’কূল প্লাবিত। সূর্যাস্তেও সূর্যোদয় তোমাকেই জানি জীবনের চলন্তিকা, অভিধান
কথোপকথন-২২
তেরোই জুলাই কথা দিয়েছিলে আসবে । সেই মত আমি সাজিয়েছিলাম আকাশে ব্যস্ত আলর অজস্র নীল জোনাকি। সেই মত আমি জানিয়েছিলাম নদীকে প্রস্তুত থেকো,জলে যেন ছায়া না পড়ে মেঘ বা গাছের।তেরোই জুলাই এলে না। জ্বর হয়েছিল? বাড়িতে তো ছিল টেলিফোন। জানালে পারতে।থার্মোমিটার সাজাতাম। নীলিমাকে ছুঁয়ে পাখি হতো পরিতৃপ্ত
বিদায়-বেলায়
তুমি অমন ক’রে গো বারে বারে জল-ছল-ছল চোখে চেয়ো না, জল-ছল-ছল চোখে চেয়ো না। ঐ কাতর কন্ঠে থেকে থেকে শুধু বিদায়ের গান গেয়ো না, শুধু বিদায়ের গান গেয়ো না।। হাসি দিয়ে যদি লুকালে তোমার সারা জীবনের বেদনা, আজো তবে শুধু হেসে যাও, আজ বিদায়ের দিনে কেঁদো না। ঐ ব্যথাতুর আঁখি কাঁদো-কাঁদো মুখ দেখি আর শুধু […]

