হেলায় ফেলায় দিন কাটিয়ে কোথায় এলাম
নাম জানি না মুখ চিনি না ডাকবো কারে!
কে দেবে গো সাড়া আমায়, মুখটি দেখাও
পার হয়েছি অনেক দূরের পথের রেখা
এখন তবে চাইগো তোমার হঠাৎ দেখা।
আর তো আমার পিছন ফেরার নাই সুবিধা,
এগিয়ে যেতে হবে তবে-
কি আর সামনে বল কী দেখাবে?
আমি কবি, আমায় বল কী শেখাবে
ভালোবাসার কথা আমি লিখছি অনেক
এবার ক্লান্তি, শান্তি, সোহাগ দাও
আমি চলছি কার ইশারায় কার যে ডাকে।
চলতে চলতে বলতে বলতে একটি জীবন
পার হয়েছি তেপান্তরের জীবন মরণ।
এবার আমায় ঠাঁই দিতে চাই, কোন সুদূরের মুখের হাসি
আমি শুধু একলা তোমায় ভালোবাসি।
Related Articles
পহেলা বৈশাখ
মেঘের ডাকের সঙ্গে কাল আমারও সামান্য ডাক মিশে গিয়েছিল ভুলে! ভুল আমি সারা জীবন করেছি অনেক—ভুলে ভুলে ভরে আছে এত্তটুকু ছোট্ট লগবুক! তারও পরে অবিরাম ভুল করে যেতে ইচ্ছে করে! ভুল মানুষের কাছে হাত পেতে খেতে যাই চড় ও চাপড়—অথচ আশ্চর্য, পাই ধুলোমুঠি সোনা! যা চাওয়া উচিত নয় যার কাছে পেয়ে যাই অযাচিত মূল্যবান খনিজ […]
চিরকুট
শতকোটি প্রনামান্তে হুজুরে নিবেদন এই– মাপ করবেন খাজনা এ সন ছিটেফোঁটাও ধান নাই। মাঠেঘাটে কপাল ফাটে দৃষ্টি চলে যত দূর খাল শুক্নো বিল শুক্নো চোখের কোলে সমুদ্দুর। হাত পাতব কার কাছে কে গাঁয়ের সবার দশা এক তিন সন্ধে উপোষ দিলাম আজ খাচ্ছি বুনো শাক। পরনে যা আছে তাতে ঢাকা যায় না লজ্জা ঘটি বাটি বেচেছি […]
তোমার জন্য আমার ২০৬ টি হাড়…
তুমি আমার কাছে চেয়েছো রাবীন্দ্রিক চেতনা, এটেঁল মাটি দিয়ে তৈরি পুতিঁতে আমার নীল তুলির আচড়ের স্বস্তা গহনা, তুমি আমার কাছে চেয়েছো ভাঙ্গনহীন নদীর স্বপ্নীল পাড়, আর একই সাথে থেকে রঙ্গধনুর রঙ্গে বুঁনতে আমাদের একটি কুড়ের আচঁল, হাহ্ … কি সব পুরাতন সাধ। বরং তোমায় আমি দেব ২০৬ টি হাড়, বুকের খাঁচার ভেতরের হৃৎপিন্ড,ফুসফুস, আর আমার […]

