হেলায় ফেলায় দিন কাটিয়ে কোথায় এলাম
নাম জানি না মুখ চিনি না ডাকবো কারে!
কে দেবে গো সাড়া আমায়, মুখটি দেখাও
পার হয়েছি অনেক দূরের পথের রেখা
এখন তবে চাইগো তোমার হঠাৎ দেখা।
আর তো আমার পিছন ফেরার নাই সুবিধা,
এগিয়ে যেতে হবে তবে-
কি আর সামনে বল কী দেখাবে?
আমি কবি, আমায় বল কী শেখাবে
ভালোবাসার কথা আমি লিখছি অনেক
এবার ক্লান্তি, শান্তি, সোহাগ দাও
আমি চলছি কার ইশারায় কার যে ডাকে।
চলতে চলতে বলতে বলতে একটি জীবন
পার হয়েছি তেপান্তরের জীবন মরণ।
এবার আমায় ঠাঁই দিতে চাই, কোন সুদূরের মুখের হাসি
আমি শুধু একলা তোমায় ভালোবাসি।
Related Articles
মেধাবী নাবিক তুমি
রচুর চোখের জল, মগজেও মাতাল জাহাজ, বেহেড বাতাস খুব পরামর্শ দিয়ে বেসামাল করতে চাইছে এই কলমের নিবটিকে আজ- এর মধ্যে কোথায় শব্দের মাল্লা ওড়াবে যে পাল? তবু কি নিস্তার আছে? অচিরেই উঠবে যে ঝড় সে বিষয়ে আমি ছাড়া কে আর নাবিক এই স্থলে? কবেই উৎসন্ন গ্রাম, কলেরায়- বসন্ত তৎপর তদুপরি! ডাকে দূর সমুদ্রটি কলকলকলে। অতএব […]
পর্বত
ছোটোবেলায় উঠোনের কোণে স্বপ্নের মতো একরত্তি লাল একটা ঘাসফুল দেখে বিভোর হ’য়ে গিয়েছিলাম। তারপর কতো ভোরে সেই একরত্তি ফুল হ’য়ে উঠোনের কোণে আমি অত্যন্ত নি:শব্দে ফুটেছি। আট বছর বয়সে আমার খুব ভালো লেগেছিলো ডালিমের ডালে ঘুমের মতোন ব’সে থাকা দোয়েলটিকে। তারপর অসংখ্য দুপুরে আমি ঘুম হ’য়ে ডালিমের শাখায় বসেছি। পুকুরে পানির সবুজ কোমল ঢেউ হয়েছি […]
কথোপকথন-৪০
-ধরো কোনো একদিন তুমি খুব দূরে ভেসে গেলে শুধু তার তোলপাড় ঢেউগুলো আজন্ম আমার বুকের সোনালী ফ্রেমে পেনটিং-এর মতো রয়ে গেল। এবং তা ধীরে ধীরে ধুলোয়,ধোঁয়ায়,কুয়াশায় পোকামাকড়ের সুখী বাসাবাড়ি হয়ে যায় যদি? – ধরো কোনো একদিন যদি খুব দূরে ভেসে যাই আমারও সোনার কৌটো ভরা থাকবে প্রতিটি দিনের এইসব ঘন রঙে ,বসন্তবাতাসে,বৃষ্টিজলে। যখন যেমন খুশী […]

