হৃদয়ের একদিকে গোল হয়ে রয়েছে বেদনা।
উপশম খুঁজে আমি নাগালের সমস্ত গাছের
মূল উৎপাটন করে নিংড়ে রস লাগিয়েছি বুকে।
ওষুধের সাধ্য নেই, প্রকৃতি পারে না দিতে আর
আহারের রুচি, ঘুম, স্বপ্নের মধ্যে হেঁটে যাওয়া।
বারান্দার এক কোণে বসে আছি অচিকিৎস্য, কালো।
স্পর্শ দাও হে বাতাস দক্ষিণের উলঙ্গ বাতাস
দাও হাত এইখানে হৃদয়ের বামে, এইখানে
যেন চোখ মুদে আসে স্বপ্নে ভাসে চুড়ির আওয়াজ।
না, নিদ্রা চাইনা আমি। নিরাসক্ত ব্যথা ও বিস্বাদ
ফোঁটা ফোঁটা ঝরে যাক। দেখা যাক কেমনে সে চায়
আমাকে আরাম দিতে, নিয়ে যেতে আমার স্পন্দন।
Related Articles
ভ্রূণ
যে একটি ভ্রূণ নষ্ট করতে পারে সে ইচ্ছে করলেই একঝাঁক তুলতুলে শিশুকে কুয়োর কাছে ডেকে এনে আচমকা ধাক্কা দিতে পারে। যে একটি ভ্রূণ নষ্ট করতে পারে সে বাগানের সমস্ত গোলাপ গাছ উপড়ে ফেলতে পারে স্নানের পুকুরে নামাতে পারে অসংখ্য হাঙর। যে একটি ভ্রূণ নষ্ট করতে পারে বিশাল জনসভায় সে শখ করে ছেড়ে দিতে পারে একলক্ষ […]
সেই কবে থেকে
সেই কবে থেকে জ্বলছি জ্ব‘লে জ্ব‘লে নিভে গেছি ব‘লে তুমি দেখতে পাও নি । সেই কবে থেকে দাঁড়িয়ে রয়েছি দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে বাতিস্তম্ভের মতো ভেঙে পড়েছি ব‘লে তুমি লক্ষ্য করো নি । সেই কবে থেকে ডাকছি ডাকতে ডাকতে স্বরতন্ত্রি ছিঁড়ে বোবা হয়ে গেছি ব‘লে তুমি শুনতে পাও নি । সেই কবে থেকে ফুটে আছি ফুটে ফুটে […]
কচিপাতার বুকের মধ্যে
তোমার কণ্ঠস্বর মনে হয় যেন স্নিগ্ধ পাইনবীথি তুমি অনন্তের মধ্যে যে এক উদাসীন গায়ক পাখি; তোমার কণ্ঠে বনভূমির জঙ্গল বাতাসের শব্দ তোমার বুকে রাত্রিদিন অনন্ত উত্থান-পতন, ভাঙাগড়া। তুমি যখন কথা বলো, মনে হয় গান গাইছে বাতাস তোমার কণ্ঠে শুনতে পাই পুরনো দিনের গান; হঠাৎ মন যেন কেমন করে ওঠে, তোমার কাছে ছুটে যাই, আমার নিজের […]

