হৃদয়ের একদিকে গোল হয়ে রয়েছে বেদনা।
উপশম খুঁজে আমি নাগালের সমস্ত গাছের
মূল উৎপাটন করে নিংড়ে রস লাগিয়েছি বুকে।
ওষুধের সাধ্য নেই, প্রকৃতি পারে না দিতে আর
আহারের রুচি, ঘুম, স্বপ্নের মধ্যে হেঁটে যাওয়া।
বারান্দার এক কোণে বসে আছি অচিকিৎস্য, কালো।
স্পর্শ দাও হে বাতাস দক্ষিণের উলঙ্গ বাতাস
দাও হাত এইখানে হৃদয়ের বামে, এইখানে
যেন চোখ মুদে আসে স্বপ্নে ভাসে চুড়ির আওয়াজ।
না, নিদ্রা চাইনা আমি। নিরাসক্ত ব্যথা ও বিস্বাদ
ফোঁটা ফোঁটা ঝরে যাক। দেখা যাক কেমনে সে চায়
আমাকে আরাম দিতে, নিয়ে যেতে আমার স্পন্দন।
Related Articles
প্রত্যাবর্তন
৩৭. প্রত্যাবর্তন প্রত্যাবর্তনের পথে কিছু কিছু ‘কস্ট্লি’ অতীত থেকে যায়। কেউ ফেরে, কেউ কেউ কখনো ফেরে না। কেউ ফিরে এসে কিছু পায়, মৌলিক প্রেমিক আর কবি হলে অধিক হারায়। তবু ফেরে, কেউ তো ফেরেই, আর জীবনের পক্ষে দাঁড়ায়, ভালোবাসা যাকে খায় এইভাবে সবটুকু খায়। প্রত্যাবর্তনের প্তহে পিতার প্রস্থান থেকে, থাকে প্রণয়ের প্রাথমিক স্কুল, মাতার মলিন […]
তাপমাত্রা
আমি তোমার বাসায় এক হাঁড়ি শীত পাঠিয়ে দেবো, তুমি শীতপিঠা ভেবে ঢাকনা খুলতেই শীতের কুন্ডুলী অজগরের মতো তোমার কামিজের তলা দিয়ে ঢুকে যাবে অন্ধকার শরীরে, যেখানে যেখানে উত্তাপ লুকিয়ে আছে ছড়ানো-ছিটানো খুচরা পয়সার মতো, সেগুলো গিলে খাবে গোগ্রাসে, ঠান্ডা কুয়াশায় ঢেকে যাবে তোমার মায়াবি স্তন, ফালি ফালি শীত শুয়ে পড়বে ঠোঁটের চাদরে ভুল করে তুমি […]
সময়
সময় চলে যাচ্ছে– এই বীভৎস ব্যাপারটি দেখতে ইচ্ছে করে না তাই অনেককাল ঘড়ির দিকে তাকাইনি, অনেককাল হাতে আমি ঘড়ি পরি না, আর যেই না তুমি বলছো সোয়া দশটায় কোথাও দেখা হবে কী দেড়টায় বাড়িতে আসবে কী সাতটায় থিয়েটারে, অমনি তড়িঘড়ি ঘড়ি খুঁজে হাতে পরছি, ঘরের সবগুলো টেবিলে দেয়ালে বাচ্চা-মেয়ের মত রাখছি, টাঙাচ্ছি। যেন একটি দিনের […]

