অহল্যা অভিমানে দূরে সরে আছ কেন…
মেঘে-মেঘে চরে বেড়াচ্ছে বৃষরাশি
বজ্রবিদ্যুতে তার টঙ্কারিত ট্যরাস
দু-পা ছড়িয়ে রয়েছে বসুন্ধরা
ভিজিয়ে নেবে তার মর্জি বৎসতরী
অতিশুক্রপাতে সিক্ত হতে চায় ধরণি
ফোঁটায়-ফোঁটায় মাতাল জঙ্ঘাদেশ
ধর্ম আজ কামবর্ষী ময়ূরপুচ্ছ…
কাছে আরো কাছে এসো অহল্যা
দেরি করে ঘুম ভাঙবে
ভোর হলে দেখব তোমার রঙিনপাড় সকাল…
এসো দেখি বৃষ্টি নামে শরীর ও শুন্যে
Related Articles
আথেন্স থেকে কায়রো
বিমানের মধ্যে টাই খুলে ফেলে, সিট্ বেল্ট বরিয়ে উঠে দাঁড়ালুম চিৎকার করে বললুম কে কোথায় আছো? পেঁজা তুলোর মতন তুলতুলে মুখ দু’জন হাওয়া-সখী ছুটে এলো- তখন মাথার ওপর ও নিচে ভূমধ্য আকাশ এবং রূপালি সাগর মাঝখানে নীল মেঘ ও ফড়িং পিছনে সন্ধেবেলার ইওরোপ জ্বলছে দাউ দাউ আগুনে সামনে প্রাচ্যদেশ জুড়ে অন্ধকার আমি কর্কশভাবে বললুম, কোথায় […]
স্বাধীনতা, উলঙ্গ কিশোর
জননীর নাভিমূল ছিঁড়ে উল্ঙ্গ শিশুর মত বেরিয়ে এসেছো পথে, স্বাধীনতা, তুমি দীর্ঘজীবী হও। তোমার পরমায়ু বৃদ্ধি পাক আমার অস্তিত্বে, স্বপ্নে, প্রাত্যহিক বাহুর পেশীতে, জীবনের রাজপথে, মিছিলে মিছিলে; তুমি বেঁচে থাকো, তুমি দীর্ঘজীবী হও। তোমার হা-করা মুখে প্রতিদিন সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত অবধি হরতাল ছিল একদিন, ছিল ধর্মঘট, ছিলো কারখানার ধুলো। তুমি বেঁচেছিলে মানুষের কলকোলাহলে, জননীর নাভিমূলে […]
প্রতিমা
৩৬. প্রতিমা প্রেমের প্রতিমা তুমি, প্রণয়ের তীর্থ আমার। বেদনার করুণ কৈশোর থেকে তোমাকে সাজাবো বলে ভেঙেছি নিজেকে কী যে তুমুল উল্লাসে অবিরাম তুমি তার কিছু কি দেখেছো? একদিন এই পথে নির্লোভ ভ্রমণে মৌলিক নির্মাণ চেয়ে কী ব্যাকুল স্থপতি ছিলাম, কেন কালিমা না ছুঁয়ে শুধু তোমাকেই ছুঁলাম ওসবের কতোটা জেনেছো? শুনেছি সুখেই বেশ আছো, কিছু ভাঙচুর […]
