আমার এখন নিজের কাছে নিজের ছায়া খারাপ লাগে
…রাত্রিবেলা ট্রেনের বাঁশি শুনতে আমার খারাপ লাগে
জামার বোতাম আটকাতে কি লাগে, কষ্ট লাগে
তুমি আমার জামার বোতাম অমন কেনো যত্ন করে
লাগিয়ে দিতে?
অমন কেন শরীর থেকে অস্তে আমার
ক্লান্তিগুলি উঠিয়ে নিতে?
তোমার বুকের নিশীথ কুসুম আমার মুখে ছড়িয়ে দিতে?
জুতোর ফিতে প্রজাপতির মতোন তুমি উড়িয়ে দিতে?
বেলজিয়ামের আয়নাখানি কেন তুমি ঘরে না রেখে
অমন কারুকাজের সাথে তোমার দুটি চোখের মধ্যে
রেখে দিতে?
আমার এখন চাঁদ দেখলে খারাপ লাগে
পাখির জুলুম, মেঘের জুলুম, খারাপ লাগে
কথাবর্তায় দয়ালু আর পোশাকে বেশ ভদ্র মানুষ
খারাপ লাগে,
এই যে মানুষ মুখে একটা মনে একটা. . .
খারাপ লাগে
খারাপ লাগে
মোটের উপর, আমি অনেক কষ্টে আছি.. কষ্টে আছি বুজলে যুথী
আমার দাঁতে, আমার নাকে, আমার চোখে কষ্ট ভীসন
চতুর দিকে দাবি আদায় করার মত মিছিল তাদের কষ্ট ভীষণ বুজলে যুথী
হাসি খুসি উড়নচন্ডি মানুষ এখন তাইতো এখন খারাপ লাগে, খারাপ লাগে
আরে তাছাড়া, আমি কি আরে যিশু নাকি- হাবিজাবী ওদের মতন সবসহিষ্ণু
আমি অনেক কষ্টে আছি
কষ্টে আছি, কষ্টে আছি
আমি অনেক কষ্টে আছি
কষ্টে আছি, কষ্টে আছি |
Related Articles
চুড়ি গুলো পেয়েছ তো ?
অফিস থেকে বাড়ি ফিরছিলাম হাতে তোমার জন্য এক জোড়া লাল চুড়ি, কিছু বোঝার আগেই পেছন থেকে একটা ধারালো আঘাত মিশে গেলাম রাজপথে- জ্ঞান হারানোর আগে আবছা শব্দে শুনেছিলাম ওরা বলছিল, আমি নাস্তিক । ব্যস ওটুকুই, তারপর কিছু মনে নেই; জ্ঞান আর ফেরেনি আমার । নিলাদ্রি, চুড়ি গুলো পেয়েছ তো ? গত পূজায় যে লাল শাড়িটা […]
একি অমঙ্গল
তোমার হাতে ছুঁচ-সুতোটি আমার হাতে ফুল দেখতে পেয়েই আকাশ জুড়ে হিংসা হুলুস্থুল। তোমার হাতে রঙের বাটি আমার হাতে তুলি দেখতে পেয়েই শুকনো মড়া চোখে জ্বালায় চুলি। তোমার হাতে ধান-দুর্বো আমার হাতে শাঁখ দেখতে পেয়েই আকাশ চিরে শকুন পাড়ে হাঁক। তোমার হাতে জলের ঘাট আমার ঠোঁটে জল দেখতে পেয়েই দৈববাণী: এ কি অমঙ্গল! Eki Omongol
বৃষ্টি
খররৌদ্রময় এই দিন— শ্যামল বাংলায় বুঝি ফের নেমে আসে খরা! খরতাপে রুদ্ধশ্বাসক্ষুদ্র এই গ্রামীণ শহর, এ রকম এই দিনে চেতনায়ও খরার প্রদাহ— নির্বাচনে হেরে-যাওয়া প্রার্থী যেন: বিরক্ত, বিব্রত; এ রকম দুঃসময়ে এল বৃষ্টির শব্দের মতো সুখকর এই পত্র—প্রাগের প্রাচীর থেকে উড়ে! কুপিত, বিব্রতকর এই রোদে খামটি খুলিনি; আমি তো অপেক্ষা জানি: এই খররৌদ্রে কখনো কি […]

