এই রাত্রি নিঃস্ব। খোলা আকাশকে মুখোমুখি রেখে
শূন্যতার মাঝখানে অবলম্বনহীন ভেসে আছি।
অনন্তশয়ানছবি, দূরে দূরে বুদবুদের মতো
তারাগুলি ধরে আছে সাবেকযুগের কাতরতা।
বিশ্বাস? কোথায় তার বাসা ছিল ভেবেছ কখনো?
আঘাত কোথায়? সে কি ডমরুর মতো বেজে ওঠে?
তোমার মুখের ডৌল মাঝো মাঝে তবু মনে পড়ে
কালরাত্রে, প্রবাহণে, আগুনে না অবিমৃশ্য ঝড়ে—
তুৃৃমিহীন তুমি দিয়ে ভরে রাখি যা ভরার নয়
আজ শুধু মনে পড়ে আমার সমস্ত অপচয়।
Related Articles
স্বপ্নের শিখরে
আমি এই অন্তহীন কুয়াশায় তোমার মুখটি ছাড়া কিছুই দেখি না এই বৃষ্টির অবেলা, সীমাহীন আঁধারের গ্রীবা, এই ছিন্ন বস্ত্র এখন কোথায় পাবো হরিৎ বৃক্ষের দ্যাখা মায়াময় শস্যের খামার? শেষ হয়ে গেছে কবে স্বপ্নের ভিতরে জেগে ওঠা আদর্শ আবাস। আজ বসে আছি এই ম্লান গোধূলিবেলার শীতে তমসার তীরে অতল শিশির যেন গ্রাস করে সম্পূর্ণ আমাকে সিংহের […]
পুকুরচুরি
জলধারা দূরে সরে যায়, দূর থেকে ক্রমে আরও দূরে। শেষ ক’টি পুকুর শুকায়, শহরের বুক যায় পুড়ে। নেমে গেছে পুকুরের জল, ঘটিতে এখন শুধু নুড়ি উঠে আসে, লেঠেলের দল আঁধারে করেছে জল চুরি। কোথায় শুনেছে কে বা কবে লাঠির দাপটে পরপর এভাবে পুকুরচুরি হবে, থাকবে শুধুই বাড়িঘর। যেখানেই আজ চোখ থুই, জল নেই, শুধু সারি-সারি […]
বর্ষায় রচিত পদ্য ও গদ্য
ধারা বয়ে যায় ঝর ঝর ঝরে বাদলের ধারা অবিরাম বৃষ্টিতে কাঁপছে সৃষ্টি শরীর আমার ঘন ঘন শিহরীত কখনোবা জলের আঙুল কে যেন ছোঁয়ালো পিঠে। আমি বলে উঠি_ কে তুমি অদেখা, কুয়াশায় লেখা বাড়াও একটি হাত। চারদিকে কালো, সন্ধ্যা ঘনালো মনে হয় বুঝি রাত। ফোঁটায় ফোঁটায় জল তরঙ্গ পাতায় পাতায় ঝরে_ শুধু মনে হয়, ধারা বয়ে […]

