এই রাত্রি নিঃস্ব। খোলা আকাশকে মুখোমুখি রেখে
শূন্যতার মাঝখানে অবলম্বনহীন ভেসে আছি।
অনন্তশয়ানছবি, দূরে দূরে বুদবুদের মতো
তারাগুলি ধরে আছে সাবেকযুগের কাতরতা।
বিশ্বাস? কোথায় তার বাসা ছিল ভেবেছ কখনো?
আঘাত কোথায়? সে কি ডমরুর মতো বেজে ওঠে?
তোমার মুখের ডৌল মাঝো মাঝে তবু মনে পড়ে
কালরাত্রে, প্রবাহণে, আগুনে না অবিমৃশ্য ঝড়ে—
তুৃৃমিহীন তুমি দিয়ে ভরে রাখি যা ভরার নয়
আজ শুধু মনে পড়ে আমার সমস্ত অপচয়।
Related Articles
এ কেমন বৈরী
ভাবা যায় ? কোনো প্রতিপক্ষ নেই ! সবকটা আধমরা হয়ে আজ শুয়ে আছে জুতোর তলায় ? কিছুই করিনি আমি কেবল মুখেতে হাত চাপা দিয়ে চিৎকার করেছি থেকে-থেকে হাহাহা হাহাহা হাহা হাহা পিস্তল কোমরে বাঁধা তেমনিই ছিল সঙ্গোপনে ক্ষুর বা ভোজালি বের করিনিকো বোমাগুলো শান্তিনিকেতনি ব্যাগে চুপচাপ যেমন-কে-তেমন পড়ে আছে আমি তো আটঘাট বেঁধে ভেবেছি […]
দুঃসময়ে আমার যৌবন
২৮. দুঃসময়ে আমার যৌবন মানব জন্মের নামে হবে কলঙ্ক হবে এরকম দুঃসময়ে আমি যদি মিছিলে না যাই, উত্তর পুরুষে ভীরু কাপুরুষের উপমা হবো আমার যৌবন দিয়ে এমন দুর্দিনে আজ শুধু যদি নারীকে সাজাই। ১৪.২.৭১
এশিয়া
এখন অস্ফুট আলো । ফিকে ফিকে ছাড়া অন্ধকারে অরণ্য সমুদ্র হ্রদ, রাত্রির শিশির-শিক্ত মাঠ অস্থির আগ্রহে কাঁপে, আসে দিন, কঠিন কপাট ভেঙে পড়ে । দুর্বিনীত দুরন্ত আদেশ শুনে কারো দীর্ঘরাত্রি মরে যায়, ধসে পড়ে শীর্ণ রাজ্যপাট ; নির্ভয়ে জনতা হাঁটে আলোর বলিষ্ঠ অভিসারে । হে এশিয়া, রাত্রিশেষ, “ভস্ম অপমান শয্যা” ছাড়, উজ্জীবিত হও রূঢ় অসংকোচ […]

