আজ আর কেউ নেই , ঘুমন্ত ঘরের নীল জল ,
ঠান্ডা বারান্দায় গায়ে মধ্যরাত দেবতার দীপে –
হাতে খেলে যায় হাওয়া ।
আজ চুপ করে ভাবো , এই রাত মৃদুজলঢেউ ,
বড়ো একাকিনী গাছ , মাঝে মাঝে কার কাছে যাব ,
ঘুমায় ঘরের গায়ে ছায়াময় বাহিত প্রপাত
বুকে খেলে যায় হাওয়া ।
দুইজনে পাশাপশি,মাঝে কি পথিক নেই কোনো,
এখন বসন খোলো , দেবতা দেখুক দুই নয়নে,
শিশিরে পায়ের ধবনি সুদূরতা অধীর জলধি
শুধু বয়ে যায় হাওয়া ।
আজ আর কেউ নেই , মাঝে মাঝে কার কাছে যাব ।
Related Articles
আগুন হয়ে জ্বলছে প্রাণ
কোথাও যদি ফুটেছে ফুল ফুটুক না পাগলা হাওয়ার মাতলামিতে হৃদয় জেগে উঠুক না! বন্ধ ঘরের অন্ধকারে সুর তোলা তো সহজ নয়, লড়াই ছাড়াই মানবো কী গো কাব্য-কথার পরাজয়! না কভু না,এই ফাগুনে আগুন হয়ে জ্বলছে প্রাণ, প্রাণের পাখি গান ধরেছে শব্দে বুঝি বয় তুফান। ঝড় উঠেছে চতুর্দিকে বন্ধ ঘরে থাকবো না- পরাজয়ের কালিমা আর নিজের […]
একটি শেষমুহূর্তের নারীসিন্ধুতট
একটি শেষমুহূর্তের নারীসিন্ধুতট অন্যটিতে আরম্ভের ডানা ছড়ানো ঈগল ছোঁ মেরে ওঠে আবার, তার নখে সরীসৃপ পায়ের গোছে শিকল একটি শুভ আরম্ভের মাঙ্গলিক ঘট ঘটের নীচে সাপের চোখ, মণি বুড়ো আঙুল কেটে দেওয়ার পরেও বাকি থাকে কলম, তর্জনী মাটির কান, মাটির নীচে রক্ত চলাচল– ভূর্গভের হৃদয় নড়ে–ওষ্ঠ? নড়ে তা-ও! দুঃখ তার কণ্ঠা ক্ষুর দিয়ে ফাঁক করেছে–খাও
খুকি ও কাঠবেড়ালি
কাঠবেড়ালি! কাঠবেড়ালি! পেয়ারা তুমি খাও? গুড়-মুড়ি খাও? দুধ-ভাত খাও? বাতাবি-নেবু? লাউ? বেড়াল-বাচ্চা? কুকুর-ছানা? তাও- ডাইনি তুমি হোঁৎকা পেটুক, খাও একা পাও যেথায় যেটুক! বাতাবি-নেবু সকলগুলো একলা খেলে ডুবিয়ে নুলো! তবে যে ভারি ল্যাজ উঁচিয়ে পুটুস পাটুস চাও? ছোঁচা তুমি! তোমার সঙ্গে আড়ি আমার! যাও! কাঠবেড়ালি! বাঁদরীমুখী! মারবো ছুঁড়ে কিল? দেখবি তবে? রাঙাদাকে ডাকবো? দেবে ঢিল! […]


