সোঁদা ঘামের গন্ধ জড়িয়ে ছিল আষ্ঠেপৃষ্ঠে,
তুই ছিলি!
বাইরে তখন বালক বাতাস উড়িয়ে দিচ্ছে ধুলো।
বন্ধ চোখে এগিয়ে দিয়েছিলি ভেজা ঠোঁট,
এলোমেলো চুল করে, আবার গোছানো,
আদু কন্ঠে ‘এমনটাই থেকো’
তুই ছিলি!
আজো আমি একই আছি।
তুই?
Related Articles
রবীন্দ্রনাথ, মেলে না উত্তর
প্ল্যানচেটে পেয়ে গেছি রবীন্দ্রনাথ। সোনার তরী থেকে রক্তকরবীর গূঢ় ব্যাখ্যা জেনে নেবো, প্রয়োজনে জিগ্যেস করবো কী করে বাঁচবো, বাঁচাবো নিজেকে? চারদিকে হননের গান, অসহিষ্ণুতা। পাড়ায়-অঙ্গনে প্রকাশ্যে মস্তানি, গুপ্তহত্যা, ভয়ের সংস্কৃতি। ক্রমশ এগিয়ে আসছে ধ্বংসের দিন। সমস্ত সরণি- প্রান্তর জল্লাদ আর যমের দখলে। বধ্যভূমির সম্প্রীতি। রেখেছ বাঙালি করে, মানুষ করোনি। নাগিনীরা ফেলিতেছে বিষাক্ত নিশ্বাস। সর্বত্র নেকড়ে-ভালুক-সিংহের […]
আমাকে কী মাল্য দেবে, দাও
তোমার পায়ের নিচে আমিও অমর হব, আমাকে কী মাল্য দেবে, দাও। এই নাও আমার যৌতুক, এক-বুক রক্তের প্রতিজ্ঞা। ধুয়েছি অস্থির আত্মা শ্রাবণের জলে, আমিও প্লাবন হব, শুধু চন্দনচর্চিত হাত একবার বোলাও কপালে। আমি জলে-স্থলে-অন্তরীক্ষে উড়াব গাণ্ডীব, তোমার পায়ের কাছে নামাব পাহাড়। আমিও অমর হব, আমাকে কী মাল্য দেবে, দাও। পায়ের আঙুল হয়ে সারাক্ষণ লেগে আছি […]
ধ্বনি তরঙ্গ
বহুদূর থেকে ভেসে আসে কানে ধ্বনিত রঙ্গ বুক কাঁপে আর সুখে কেঁপে ওঠে আমার অঙ্গ কবি আমি বটে সবার আগে আমি মনুষ্য দেখি চারিদিকে ছড়িয়ে পড়েছে আমার শস্য গানের আকারে প্রাণের তাগিদে আমি বেঁচে আছি সময়ের মাঝে আমার মৃত্যু নিশ্চিত নয় মৃত্যু মানেই সমাপ্তি তাই গাহি জীবনের জয় আমাকে দেখেই হাত বাড়িয়েছে ঐযে আকাশ মাটি […]

