আগাছা ছাড়াই, আল বাঁধি, জমি চষি, মই দিই,
বীজ বুনি, নিড়োই, দিনের পর
দিন চোখ ফেলে রাখি শুকনো আকাশের দিকে। ঘাম ঢালি
খেত ভ’রে, আসলে রক্ত ঢেলে দিই
নোনা পানিরূপে; অবশেষে মেঘ ও মাটির দয়া হলে
খেত জুড়ে জাগে প্রফুল্ল সবুজ কম্পন।
খরা, বৃষ্টি, ঝড়, ও একশো একটা উপদ্রব কেটে গেলে
প্রকৃতির কৃপা হ’লে এক সময়
মুখ দেখতে পাই থোকাথোকা সোনালি শস্যের।
এতো ঘামে, নিজেকে ধানের মতোই
সিদ্ধ করে, ফলাই সামান্য, যেনো একমুঠো, গরিব শস্য।
মূর্খ মানুষ, দূরে আছি, জানতে ইচ্ছে করে
দিনরাত লেফ-রাইট লেফ-রাইট করলে ক-মণ শস্য ফলে
এক গন্ডা জমিতে?
Related Articles
গড়াতে গড়াতে কোন বোঁটা থেকে
কোথায় তার শুরু, কোন আকাশের কোন বোঁটায় কেউ জানে না; কেউ জানে না কোন দরিয়ায় কোন ঘূর্ণিস্রোতের গোপনাঙ্গে শেষমেশ তার ঠাঁই। তবু যখন অঙ্কুরিত হলো তার বীর্য, শুধু যাই-যাই। যাবে তো যাবে, কিন্তু কোথায় যাবে, কোন পথে? ঠিকানা অটুট আছে কোন বটমূলে, কোন অশ্বত্থে? যেতে যেতে পাল গুটাবে কোন চিলমারীর ঘাটে? গাভীর ওলান ছেড়ে কোন […]
শহীদদের প্রতি
তোমাদের যা বলার ছিল বলছে কি তা বাংলাদেশ ? শেষ কথাটি সুখের ছিল ? ঘৃণার ছিল ? নাকি ক্রোধের, প্রতিশোধের, কোনটা ছিল ? নাকি কোনো সুখের নাকি মনে তৃপ্তি ছিল এই যাওয়াটাই সুখের। তোমরা গেলে, বাতাস যেমন যায় গভীর নদী যেমন বাঁকা স্রোতটিকে লুকায় যেমন পাখির ডানার ঝলক গগনে মিলায়। সাঁঝে যখন কোকিল ডাকে কারনিসে […]
ময়না
এই যে কাকভোরে উঠে দরজা ঝাঁট দিই এই যে হাজারবার গিন্নিমার মুখ শুনি বৌদির কাপড় আর দাদার ফুলপ্যান্ট কেচে নড়া ব্যথা করি বাবুর ধমক খাই অপিসের আগে, বাচ্চা সামলাই আর এই যে সাতবার ক’রে দোকানে দৌড়োই, সে তো মোড়ে তুই রিক্সা নিয়ে আছিস ব’লেই, সে তো পাসিঞ্জার তুলে কি নামিয়ে তুই রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিস ব’লেই, […]

