আগাছা ছাড়াই, আল বাঁধি, জমি চষি, মই দিই,
বীজ বুনি, নিড়োই, দিনের পর
দিন চোখ ফেলে রাখি শুকনো আকাশের দিকে। ঘাম ঢালি
খেত ভ’রে, আসলে রক্ত ঢেলে দিই
নোনা পানিরূপে; অবশেষে মেঘ ও মাটির দয়া হলে
খেত জুড়ে জাগে প্রফুল্ল সবুজ কম্পন।
খরা, বৃষ্টি, ঝড়, ও একশো একটা উপদ্রব কেটে গেলে
প্রকৃতির কৃপা হ’লে এক সময়
মুখ দেখতে পাই থোকাথোকা সোনালি শস্যের।
এতো ঘামে, নিজেকে ধানের মতোই
সিদ্ধ করে, ফলাই সামান্য, যেনো একমুঠো, গরিব শস্য।
মূর্খ মানুষ, দূরে আছি, জানতে ইচ্ছে করে
দিনরাত লেফ-রাইট লেফ-রাইট করলে ক-মণ শস্য ফলে
এক গন্ডা জমিতে?
Related Articles
নজরুলের গান শুনে
নাওয়া, খাওয়া ছাড়িয়া দিয়া, বড়পা কাঁদিতে কাঁদিতে বলিলেন, অভিশাপ দিলাম, তাহার কণ্ঠ যেন চিরতরে স্তব্ধ হইয়া যায় হইলে তাহার সর্বাঙ্গে ঘৃণা মাখিয়া দিব। বড়পার কথায় বুঝিতে পারিলাম নজরুল গীতির গায়ক ইয়াকুব আলী সেইদিন কেন আমার বড়পাকে শুনাইয়াছিলেন ‘জানি বাহিরে আমার তুমি অন্তরে নও’
আমি থাকবো তোমার অপেক্ষায়…
আজ আমি যাব সেখানে, দিগন্তের শেষ সীমান্তে, অস্তমিত রবির শেষ আভা ছোঁয়াবে যেখানে ঠিক সেখানে, আমি থাকবো তোমার অপেক্ষায়। গোধূলির লাল টিপ কপালে পড়ে, কুয়াশার সাদা চাঁদর গায়ে জড়িয়ে, বাতাসের দুরন্তপনার কাজল দৃষ্টির তেপান্তরে এঁকে, আমি থাকবো তোমার অপেক্ষায়। গুচ্ছ পাতার মত বুনন করে কথামালা উপহার দেব বলে, সন্ধ্যা প্রদীপের আলোর মত, মিষ্টি আলো তোমার […]
কী বিষয় কী বিষয়
আররে রবীন্দ্রনাথ তোমার সঙ্গেই তো নেচেছিলুম সেদিন আঙুলের ইতিহাসে একতারার হাফবাউল ড়িং ড়াং তুলে ফ্রিস্কুল স্ট্রিটের জমঘট থেকে সদর স্ট্রিটের লবঙ্গবাজারে যেতে-যেতে তুমি বললে, আমাগো শিলাইদহ থিকা আসতাসি আলুমুদ্দিন দপতর যামু আগুন আর জলের তৈরি তোমার ঠোঁটে তখনও একচিলতে ব্রহ্মসঙ্গীত লেগেছিল কী গরম কী গরম গ্যাবার্ডিনের আলখাল্লা ফেলে দিলে ছুঁড়ে দেখলুম তোমার ফর্সা গায়ে […]

