১২. উপসংহার
আমার যত শুভ্রতা সব দেবো,
আমি নিপুণ ব্লটিং পেপার
সব কালিমা, সকল ব্যথা ক্ষত শুষেই নেবো।
২৪.৭.৮০
১২. উপসংহার
আমার যত শুভ্রতা সব দেবো,
আমি নিপুণ ব্লটিং পেপার
সব কালিমা, সকল ব্যথা ক্ষত শুষেই নেবো।
২৪.৭.৮০
আমার চোখে অনেক দুপুর তোমার চোখে শতেক সন্ধ্যা নিত্য খেলে হীরের নূপুর ছিপছিপে রজনীগন্ধ্যা বর্ষা মুখর নিবিড় রাত্রি এলোমেলো নীরবতা বেগ আকুল ক্লান্তযাত্রী অশ্রু কেবল কয়যে কথা ।গানের চেয়ে অধিক সজল গভীর ঘন দীর্ঘনিশাস তাইতো খুঁজি শেষ সম্বল অধিক কিছুর করিনি আশ।
ধারা বয়ে যায় ঝর ঝর ঝরে বাদলের ধারা অবিরাম বৃষ্টিতে কাঁপছে সৃষ্টি শরীর আমার ঘন ঘন শিহরীত কখনোবা জলের আঙুল কে যেন ছোঁয়ালো পিঠে। আমি বলে উঠি_ কে তুমি অদেখা, কুয়াশায় লেখা বাড়াও একটি হাত। চারদিকে কালো, সন্ধ্যা ঘনালো মনে হয় বুঝি রাত। ফোঁটায় ফোঁটায় জল তরঙ্গ পাতায় পাতায় ঝরে_ শুধু মনে হয়, ধারা বয়ে […]
মেঘ ঝুঁকে আছে বহুতল সেই মানুষের সিঁথির উপরে, যেখানে কখনো সিন্দুর ছোঁয়াবেনা আর, বরং কাটাবে এরপর চেতাবনি দিন, সাঁজোয়াজীবন অম্বার। আমি তাকে বলি (প্রকরণগত কারণে নীরব ভাষায়)—“স্বীকার করাই ভালো, আমারও রক্তে গত কয়েকশো যুগ দূর থেকে আসা অক্ষত আধিপত্য ; তবু কি আমাকে একটুও ভালোবাসবে? যদি কোনদিন নতুন বর্ষপঞ্জি বিধান জানায়—আমি এতদূরই আমি হয়ে উঠেছি […]
