হঠাত্ এ কোন গ্রামে এসে গেলে তুমি!
কোথাও সড়ক নেই, শুধু জলাভূমি
যেন কেউ কেঁদে কেঁদে ঝরিয়েছে জল-
জলে তার চোখের কাজল৷
অথবা সে আকাশের নীলে
ছায়া ফেলে জলসঙ্গী ঝিলে৷
চলা থামে- এখানেই থামা পথিকের
যে হোক সে হোক সে তো আমাদেরই-
সে তো আমাদের৷
Related Articles
রাশিয়ার চিঠি-১২
ব্রেমেন জাহাজ তুর্কোমেনদের কথা পূর্বেই বলেছি, মরুভূমিবাসী তারা, দশ লক্ষ মানুষ। এই চিঠি তারই পরিশিষ্ট। সোভিয়েট গবর্মেণ্ট সেখানে কী কী বিদ্যায়তন-স্থাপনের সংকল্প করেছে তারই একটা ফর্দ তুলে দিচ্ছি। Beginning with October 1st, 1930, the new budget year, a number of new scientific institutions and Institutes will be opened in Turcomenia. namely : 1. Turcomen Geological […]
যাদের বেলায় যা প্রযোজ্য
গ্রন্থকীটের কুটকখানি শুনে আমার পিত্তি জ্বলে। কবিই কবির সত্য-স্বজন; তাদের সাথে যুক্ত হয়েই মুক্তি খুঁজি মদ্যপানে। যদিও বই ওরাও কেনে তবুও আমার চিত্ত ঋণী অন্য কোথা, অন্য খানে। পা-িত্যের খ্যাতা পোড়াই আপন তালে তাল মিলিয়ে আমি নাচি আমার টানে। ‘অমরত্ব কবির ভৃত্য’ জেনেও প-িত যখন নৃত্য করেন আমি প্রাতঃকৃত্য সাঙ্গ করি। নাওজুবিল্লাহ, হরি-হরি ‘প্রাতঃকৃত্য’ শব্দ […]
আগুনে পুড়বে ভস্ম এবং শৃঙ্ক্ষল
আকাশকে বিক্ষত করো আকাশ তবুও আকাশ, ফুলকে পোড়াও, ফুল তবু ফুল কাগজের মতো ছেঁড়ো শাড়ী ও শাড়ী ছিঁড়বোই কিন্তু নারী রয়ে যাবে, নারী চিনবেই তার ভীষণ নারীকে । ফুলতো কাগজ নয় ছিঁড়ে ফেলবে, আকাশ তো মানুষ নয় ক্ষত কোরবে । স্বাধীনতাকে যতবার তুমি পরাধীনতা করো আর মানুষকে যতবার তুমি মারো যতবার পরাও শৃঙ্ক্ষল মানুষ তবুও […]

