হঠাত্ এ কোন গ্রামে এসে গেলে তুমি!
কোথাও সড়ক নেই, শুধু জলাভূমি
যেন কেউ কেঁদে কেঁদে ঝরিয়েছে জল-
জলে তার চোখের কাজল৷
অথবা সে আকাশের নীলে
ছায়া ফেলে জলসঙ্গী ঝিলে৷
চলা থামে- এখানেই থামা পথিকের
যে হোক সে হোক সে তো আমাদেরই-
সে তো আমাদের৷
Related Articles
সৃজনের শিহরণ
হাওয়ায় তুফান ছোটে থরথর কাঁপা ঠোঁটে যেন কার কথা আমারে পাঠাল বুঝি গূঢ় কোনো শব্দের বারতা তবু জেগে ওঠা এ বক্ষের বাসনা—চোখ তুলে চেয়ে থাকি। চোখ তুলে চেয়ে থাকি এ কোন নৈঃশব্দ্যের বেগ তুলেছে ঝড়ের দৃশ্য? তুলেছে প্রচণ্ড আবেগ আমার মুঠোর মধ্যে— খুলে দেখি আঁকিবুঁকি রেখার রচনা। কী কথা পাঠাল কেউ, চারিদিকে উড়ছে পাতারা— আমি […]
আমি কিরকম ভাবে বেঁচে আছি
আমি কীরকম ভাবে বেঁচে আছি তুই এসে দেখে যা নিখিলেশ এই কী মানুষজন্ম? নাকি শেষ পরোহিত-কঙ্কালের পাশা খেলা! প্রতি সন্ধ্যেবেলা আমার বুকের মধ্যে হাওয়া ঘুরে ওঠে, হৃদয়কে অবহেলা করে রক্ত; আমি মানুষের পায়ের পায়ের কাছে কুকুর হয়ে বসে থাকি-তার ভেতরের কুকুরটাকে দেখবো বলে। আমি আক্রোশে হেসে উঠি না, আমি ছারপোকার পাশে ছারপোকা হয়ে হাঁটি, মশা […]
ঘোষনাপত্র
বেজে উঠুক কাগজের ঘর্ষণ তালপাতার মত। বাতাসে বিশ্রীভাবে বেঁকে যাবে যাক, তবু তারা পদ্মলোচন হবে না। কাণ্ডে তাদের ভর করবে রাজ্যের আকুতির দুঃসাহস। চ্যালা চামুণ্ডেরা যখন যেভাবে পারে পদ্মলোচনের সাথে ঝুলে পড়ে পড়ুক। তবে সাবধান বিপ্লবীরা, মহান কমরেড, তোমরা কাগজের ঘর্ষণ থামিও না। সেই ঘর্ষণে আত্না শুদ্ধ হোক। শুদ্ধতায় গ্রামের কর্দমাক্ত মাঠ থাক, শহরের বাহারি […]

