কী দেখলে তুমি? রৌদ্রকঠিন
হাওয়ার অট্টহাসি
দু’হাতে ছড়িয়ে দিয়ে নিষ্ঠুর
গ্রীষ্মের প্রেত-সেনা
মাঠে-মাঠে বুঝি ফিরছে? ফিরুক,
তবু তার পাশাপাশি
কৃষ্ণচূড়ার মঞ্জরী তুমি
একবারও দেখলে না?
একবারও তুমি দেখলে না, তার
বিশীর্ণ মরা ডালে
ছড়িয়ে গিয়েছে নম্র আগুন,
মৃত্যুর সব দেনা
তুচ্ছ সেখানে, নবযৌবনা
কৃষ্ণচূড়ার গালে
ক্ষমার শান্ত লজ্জা কি তুমি
একবারও দেখলে না?
Related Articles
হঠাৎ শূণ্যের দিকে
ক্রমে স্পষ্ট হয় সব । কে সিংহ, কুকুর, হাতি, সার্কাসের ঘোড়া ; কে টিয়া, চন্দনা, কংবা হাঙর কুমির ; বঙ্গোপসাগর থেকে উঠে এসে কলকাতার ভীড় ঠেলে কে সাঁতার কাটে ; কে ধর্মতলায় পাঞ্জাবির হাতা নেড়ে উড়ে যেতে চায় হঠাত্ আকাশে । যেন একে একে সবগুলি অভ্যাসের ফোড়া ফেটে গেলে ঠিক বিকেলে তিন পা হেঁটে চিনে […]
গড়াতে গড়াতে কোন বোঁটা থেকে
কোথায় তার শুরু, কোন আকাশের কোন বোঁটায় কেউ জানে না; কেউ জানে না কোন দরিয়ায় কোন ঘূর্ণিস্রোতের গোপনাঙ্গে শেষমেশ তার ঠাঁই। তবু যখন অঙ্কুরিত হলো তার বীর্য, শুধু যাই-যাই। যাবে তো যাবে, কিন্তু কোথায় যাবে, কোন পথে? ঠিকানা অটুট আছে কোন বটমূলে, কোন অশ্বত্থে? যেতে যেতে পাল গুটাবে কোন চিলমারীর ঘাটে? গাভীর ওলান ছেড়ে কোন […]
ধৃতরাষ্ট্র-বিলাপ
জন্মান্ধ বললে ভুল হবে৷ ইদানীং আমার চোখ ক্রমশ বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে বাতাস কি মুখরিত, আর্তনাদে? সঞ্জয়, যুদ্ধের গতি কোন দিকে? পাণ্ডবরা কী রচনা করেছে বূ্হ্য? অর্জুণ কী এখনো কুরুক্ষেত্রে? কোন্ মন্ত্রবলে প্রতিপক্ষ দুর্জয়, সঞ্জয়? বলো, তবে কী শূন্য হাতে কেবলি বিলাপ, আমার? গর্ভগৃহে পালিয়ে জীবন? না-কি অন্ধতাই জীবন, করুণাঘন মৃত্যু?

