মনে পড়ে স্টেশন ভাসিয়ে বৃষ্টি রাজপথ ধ’রে ক্রমাগত
সাইকেল ঘন্টির মতো চলে গেছে, পথিক সাবধান…
শুধু স্বেচ্ছাচারী আমি, হাওয়া আর ভিক্ষুকের ঝুলি
যেতে-যেতে ফিরে চায়, কুড়োতে-কুড়োতে দেয় ফেলে
যেন তুমি, আলস্যে এলে না কাছে, নিছক সুদূর
হয়ে থাকলে নিরাত্মীয় ; কিন্তু কেন? কেন, তা জানো না।
মনে পড়বার জন্য? হবেও বা । স্বাধীনতাপ্রিয়
ব’লে কি আক্ষেপ? কিন্তু বন্দী হয়ে আমি ভালো আছি।
তবু কোনো খর রৌদ্রে, পাটকিলে কাকের চেরা ঠোঁটে
তৃষ্ণার চেহারা দেখে কষ্ট পাই, বুঝে নিতে পারি
জলের অভাবে নয়, কোন টক লালার কান্নায়
তার মর্মছেঁড়া ডাক; কাক যেন তোমারই প্রতীক
রূপে নয়, বরং স্বভাবে – মনে পড়ে, মনে পড়ে যায়
কোথায় বিমূঢ় হয়ে বসে আছো হাঁ-করা তৃষ্ণায়!
Related Articles
মাস্টার বাবু
আমি আজ কানাই মাস্টার, বড় মোর বেড়াল ছানাটি আমি ওকে মারি নে মা বেত, মিছিমিছি বসি নিয়ে কাঠি। রোজ রোজ দেরি করে আসে, পড়াতে দেয় না ও তো মন, ডান পা তুলিয়ে তোলে হাই, যত আমি বলি ‘শোন, শোন’। দিনরাত খেলা খেলা খেলা, লেখা পড়ায় ভারি অবহেলা। আমি বলি ‘চ ছ জ ঝ ঞ’ ও […]
জ্যোৎস্না রাতে, জ্যোৎস্নার ভিতরে
জ্যোৎস্নারাতে, জ্যোৎস্নার ভিতরে তুমি শুয়ে আছো— লাবণ্য ঝরিছে অপরুপ ; এরকম চন্দ্রের ক্রন্দন দেখেছে বাংলাদেশ । মানুষের ভিতরে এক চাঁদরানী আছেন, অতিব্যক্তিগত নাচায় তারে আমৃত্যু-শোণিতে-জোয়ারে ; সুস্থচিত্রকল্প, রোমাঞ্চ! তোমার ভিতরে এক তৃষ্ণা ছিলেন, অন্ধকারের মতো কুটিল জটিলা নদীর মতো বহুব্রীহি, সার্থক ; সেখানে দীক্ষা নেয় জলের প্রাণীরা, গভীরতা কতদূর জানে না মাছরাঙা— শ্মশানে পুড়ছে কাঠ, […]
একেই বুঝি মানুষ বলে
নষ্ট জলে পা ধুয়েছো এখন উপায় কি? আচ্ছাদিত বুকের বোঁটা চুমোয় কেটেছি। কথার কোলে ইচ্ছেগুলো বাৎসায়নের রতি, মানে এবং অন্য মানে দুটোই জেনেছি। নষ্ট জলে ধুইয়ে দেবে কখন আমার গা, তোমার দিকে হাঁটবে কখন আমার দুটো পা? সেই দিকে মন পড়েই আছে, দিন তো হলো শেষ; তোমার মধ্যে পবিত্রতার একটি মহাদেশ এবং এক জলের ধারা […]

