কাল রাতের বেলা গান এল মোর মনে,
তখন তুমি ছিলে না মোর সনে।।
যে কথাটি বলব তোমায় ব’লে
কাটল জীবন নীরব চোখের জলে
সেই কথাটি সুরের হোমানলে
উঠল জ্বলে একটি আঁধার ক্ষণে-
তখন তুমি ছিলে না মোর সনে।।
ভেবেছিলেম আজকে সকাল হলে
সেই কথাটি তোমায় যাব বলে।
ফুলের উদাস সুবাস বেড়ায় ঘুরে,
পাখির গানে আকাশ গেল পূরে,
সেই কথাটি লাগল না সেই সুরে
যতই প্রয়াস করি পরানপণে-
যখন তুমি আছ আমার সনে।।
Related Articles
বীজ
পশ্চিম থেকে কালো মেঘ উঠে ছেয়ে দিয়েছে আকাশ। ভরদুপুরে কুলুঙ্গিতে লম্ফু জ্বলছে। সে জানে চুল আজ শুকোবে না তাও মাথা ঘসেছে গুঁড়ো সাবান দিয়ে ভেজা চুলে সুগন্ধি তেল মাখিয়েছে। মাটির দাওয়ায় বসে আছে মুন্ডুরি রাঙ্গা মোড়াম এর পথ চেয়ে। চিনিলাল- এর ভাবনায় গায়ের গন্ধ তীব্র হয়। দিগন্তে চুমু খাওয়া মাঠ পেরিয়ে শাল পিয়ালের বন পাশ […]
পরবাসী, চলে এসো ঘরে
পরবাসী, চলে এসো ঘরে অনুকূল সমীরণ-ভরে॥ ওই দেখো কতবার হল খেয়া-পারাবার, সারিগান উঠিল অম্বরে॥ আকাশে আকাশে আয়োজন, বাতাসে বাতাসে আমন্ত্রণ। মন যে দিল না সাড়া, তাই তুমি গৃহছাড়া নির্বাসিত বাহিরে অন্তরে॥ রাগ: ইমনকল্যাণ তাল: কাহারবা রচনাকাল (বঙ্গাব্দ): ২২ মাঘ, ১৩৩২ রচনাকাল (খৃষ্টাব্দ): ৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯২৬ স্বরলিপিকার: অনাদিকুমার দস্তিদার
পুরাণ
হে পিতৃপুরুষবর্গ তোমরা মহৎ ছিলে জানি, রূপদক্ষ কীর্তির প্রভাবে আজো প্রাতঃস্মরণীয়, সে কথা বিশ্বাস করি । যে-প্রাসাদ করেছো নির্মাণ প্রজ্ঞায় অক্লান্ত শ্রমে, জোগায় তা কতো ভ্রাম্যমান চোখের আনন্দ নিত্য : অতীতের ডালপালা এসে চোখে-মুখে লাগে আর ফুটে ওঠে সৃষ্টির বিস্ময় । আরো গাঢ় অন্ধকারে ভিজিয়ে শরীর পেঁচা, কাক অথবা বাদুড় আসে শূন্য কক্ষে বিশাল প্রাসাদে […]

