তোমরা যা বলো তাই বলো, আমার লাগে না মনে।
আমার যায় বেলা, বয়ে যায় বেলা কেমন বিনা কারণে॥
এই পাগল হাওয়া কী গান-গাওয়া
ছড়িয়ে দিয়ে গেল আজি সুনীল গগনে॥
সে গান আমার লাগল যে গো লাগল মনে,
আমি কিসের মধু খুঁজে বেড়াই ভ্রমরগুঞ্জনে।
ওই আকাশ-ছাওয়া কাহার চাওয়া
এমন ক’রে লাগে আজি আমার নয়নে॥
Related Articles
ওদের সাথে মেলাও যারা চরায় তোমার ধেনু
ওদের সাথে মেলাও যারা চরায় তোমার ধেনু, তোমার নামে বাজায় যারা বেণু ॥ পাষাণ দিয়ে বাঁধা ঘাটে এই-যে কোলাহলের হাটে কেন আমি কিসের লোভে এনু ॥ কী ডাক ডাকে বনের পাতাগুলি, কার ইশারা-তৃণের অঙ্গুলি! প্রাণেশ আমার লীলাভরে খেলেন প্রাণের খেলাঘরে, পাখির মুখে এই-যে খবর পেনু ॥ রাগ: ভৈরবী-বাউল তাল: কাহারবা রচনাকাল (বঙ্গাব্দ): ২৩ চৈত্র, ১৩২০ […]
আজ জ্যোৎস্নারাতে সবাই গেছে বনে
আজ জ্যোৎস্নারাতে সবাই গেছে বনে বসন্তের এই মাতাল সমীরণে ॥ আজ জ্যোৎস্নারাতে সবাই গেছে বনে,আজ যাব না যাব না গো যাব না যে, রইনু পড়ে ঘরের মাঝে– এই নিরালায় এই নিরালায় রব আপন কোণে। যাব না এই মাতাল সমীরণে ॥ আজ জ্যোৎস্নারাতে সবাই গেছে বনে,আজ আমার এ ঘর বহু যতন করে ধুতে হবে মুছতে হবে […]
আধেক ঘুমে নয়ন চুমে স্বপন দিয়ে যায়
আধেক ঘুমে নয়ন চুমে স্বপন দিয়ে যায়। শ্রান্ত ভালে যুথীর মালে পরশে মৃদু বায়।। বনের ছায়া মনের সাথি, বাসনা নাহি কিছু- পথের ধারে আসন পাতি, না চাহি ফিরে পিছু- বেণুর পাতা মিশায় গাথা নীরব ভাবনায়।। মেঘের খেলা গগনতটে অল্স লিপি-লিখা, সুদূর কোন্ শ্মরণপটে জাগিল মরীচিকা। চৈত্রদিনে তপ্ত বেলা তৃণ-আঁচল পেতে শূন্যতলে গন্ধ-ভেলা ভাসায় বাতাসেতে- কপোত […]

