এই গাছ বৃষ্টিতে ভিজেছে, আহা গন্ধ ধুয়ে যাবে
কোথায় বর্ষার ছাতা, রেনকোট, সিল্কের পাঞ্জাবি,
গাছের রয়েছে মায়া, গাছের রয়েছে ঘরবাড়ি
গাছের ভিতরে আমি গাছের ক্রন্দনধ্বনি শুনি
গাছেরও সঙ্কট বাড়ে দ্রব্যমূল্য জলের সংসারে
অন্তহীনভাবে গাছ আছে মগ্ন পরার্থে সেবায়
গাছের শরীরে সেই আলো ঝরে, লাবণ্য যে ঝরে
এই সেবাপরায়ণ বৃক্ষ পেয়েছে কি আকাশের চিঠি
পেয়েছে মেঘের স্পর্শ, তার কোনো কাতরতা নেই
ভিজেছে বৃষ্টির জলে ঝাউবন, আমের মঞ্জরি
বৃষ্টিতে ভিজেছে গাছ, উড়ে যাবে অনন্তের দিকে।
Related Articles
ওই কালস্রোত
ওই কালস্রোত। আমি সিমেন্ট বাঁধানো পাড় থেকে হাত ডোবাই। আমার আঙুল গলে যায়। কব্জি, বাহু গলে যায়। ঘাড়ের উপরে মুণ্ডু নিয়ে আমি হাত-পা-কাটে জগন্নাথ নদী-নালা আঁকা এক ঘুরন্ত বলের পিঠে বসে থাকি। শূন্যে পাক খাই।
একাকার
একাকার ——————- নির্ঘুম রাতে কালপুরুষের সাথে শেষ হলে জোছনার খেলা, ভোরের শিশির যখন ছুঁয়ে যায় চন্দ্রাহত নিশিথের ঠোঁট, কুয়াশার চাদর সরিয়ে আড়মোড়ে জাগে রতিসিক্ত সূর্য । সকালের সোনা রোদের আলতো স্পর্শে কাঁপে পৃথিবীর চিবুক, ওম ওম উষ্ণতায় তবু জড়িয়ে থাকে বিগত রমনের তাপ, সুখ জাগানিয়া স্বপ্ন ভেঙ্গে যাবে ভেবে নিমিলিত রাখে চোখ, নিজেই নিজেকে সুধায় […]
তোমার নাম লিখতে লিখতে
এ পর্যন্ত তেত্রিশ কোটি বার তোমার নাম লিখেছি। তোমার নাম লিখতে লিখতে হাত ক্লান্ত হয়েছে, চোখ তবুও ক্লান্ত হয় না। দেখতে চায় তোমার নামের শ্রী, বানান, ব্যাকরণে এবং সম্মিলিত শব্দের চেহারায়। যেখানে তিনটি অক্ষরের ক্রমিক আড়াল ভেঙে বেড়িয়ে আসে তোমার হারিয়ে যাওয়া মুখ, গৌরচিক্কন কন্ঠনালী, কোঁকড়ানো চুলের এলানো খোঁপায় জড়ানো একটুকরো লাল ফিতে। কালো চশমার […]

