হাঁটতে হাঁটতে পার হয়ে গেছি তপ্ত দুপুর;
এখন বিকেল। সামনে সন্ধ্যা।
কার যেনো সুর_
ইশারায় ডাকে, আয় আয় হাঁকে
আমার নামেই আসছে রাত্রি গভীর কালো
কে যেনো বলছে, দুয়ারে অতিথি
প্রদ্বীপ জ্বালো।
আলোর খেলাতো দেখেছি আগেও
অনেক আমি।
এখন রাতের উষ্ণ হাতের স্পর্শ কী পাবো?
পাই বা না পাই, আমি চলে যাই দূর দিগন্তে
খেলা শেষ হলো, বেলা শেষ হলো নিজের অন্তে
তবু এক নাম বলে পরিণাম কবির কিচ্ছা_
শেষ হবে নাকো কোনো দিন যেনো আমার ইচ্ছা।
Related Articles
আমরা তো অল্পে খুশি
আমরা তো অল্পে খুশি,কী হবে দুঃখ করে?আমাদের দিন চলে যায়সাধারণ ভাতকাপড়ে। চলে যায় দিন আমাদেরঅসুখে ধারদেনাতেরাত্তিরে দুভায়ে মিলেটান দিই গঞ্জিকাতে। সবদিন হয়না বাজার,হলে হয় মাত্রাছাড়া –বাড়িতে ফেরার পথেকিনে আনি গোলাপচারা। কিন্তু পুঁতব কোথায়?ফুল কি হবেই তাতে?সে অনেক পরের কথাটান দিই গঞ্জিকাতে। আমরা তো অল্পে খুশি,কী হবে দু : খ করে?আমাদের দিন চলে যায়সাধারণ ভাতকাপড়ে। মাঝে […]
সনেট ৬৯
অনুবাদ:জি.এম.তানিম শূন্যতা মানে তোমার না থাকা দুপুরকে একটা নীল ফুলের মতো চিরে তোমার না চলা, কুয়াশা ঘেরা বিকেলে নুড়িমাখা পথে তোমার না চলে যাওয়া, তোমার হাতে সোনালি সেই আলো না থাকা, যে আলো চোখে পড়ে না কারো, যে আলো সবার অগোচরে বেড়ে ওঠে লাল গোলাপের কুঁড়ির মতন। সোজা কথায় তোমার না থাকা: ঝরো হাওয়ায় উড়ে […]
খুকি ও কাঠবেড়ালি
কাঠবেড়ালি! কাঠবেড়ালি! পেয়ারা তুমি খাও? গুড়-মুড়ি খাও? দুধ-ভাত খাও? বাতাবি-নেবু? লাউ? বেড়াল-বাচ্চা? কুকুর-ছানা? তাও- ডাইনি তুমি হোঁৎকা পেটুক, খাও একা পাও যেথায় যেটুক! বাতাবি-নেবু সকলগুলো একলা খেলে ডুবিয়ে নুলো! তবে যে ভারি ল্যাজ উঁচিয়ে পুটুস পাটুস চাও? ছোঁচা তুমি! তোমার সঙ্গে আড়ি আমার! যাও! কাঠবেড়ালি! বাঁদরীমুখী! মারবো ছুঁড়ে কিল? দেখবি তবে? রাঙাদাকে ডাকবো? দেবে ঢিল! […]

