সূর্য নামের ছোকরাটা বড় জ্বলতে শিখেছে, তাই না হে?
আজ্ঞ হ্যাঁ।
গনগণে চোখ, জ্বলজ্বলে ভূরু, উরু ভেঙে দিলে কেমন হয়?
আজ্ঞ হ্যাঁ।
আজকাল আর চাঁদে সে রকম রাবড়ির মতো জেল্লা নেই
আজ্ঞে হ্যাঁ।
টুনি বালবদের ফোলাপে ফাঁপালে প্রতিভা ছড়াবে হাজার গুণ।
আজ্ঞে হ্যাঁ।
নিজের লালার সরু সুতোর দিয়ে বেনারসী বোনে মাকড়সা।
আজ্ঞে হ্যাঁ।
আমারও তেমনি, থুতু ছিটোলেই হীরে-জহরত আকাশময়।
আজ্ঞে হ্যাঁ।
কানেই শুনেছো, দেখনি কখনো ঈশ্বর নামে লোকটাকে।
আজ্ঞে হ্যাঁ।
কাল এসেছিলো, বেচতে চাইছে ধড়া-চূড়োসহ সিংহাসন।
আজ্ঞে হ্যাঁ।
ঈশ্বর হয়ে প্রথমেই আমি বুনবো কঠিন শৃঙ্খলা।
আজ্ঞে হ্যাঁ।
পাহাড়গুলোকে পিঁপড়ে বানাবো, সব গাছ হবে ভেরেন্ডা।
আজ্ঞে হ্যাঁ।
Related Articles
কাছের মানুষ
কালো রাতের জানলার ফাঁকে একফালি নাগরিক আকাশ আমার একমাত্র অবকাশ। রংবেরঙের কিছু স্মৃতি শুধু রইল পড়ে রইল দুধে-আলতা বিকেল বেলা অনিদ্রিত স্বপ্নমাখা সে এক রাত কিছু কবিতা, অনেক গান পুরনো কয়েকটা বই। আলো আঁধারে প্রতিক্ষণে যখন রক্তক্ষরণ ঘটে প্রাণে তখন সেই স্মৃতি হাতড়ে খুঁজে বেড়াই কাছে দূরে, নীলাভ আকাশের সবুজ ছায়ায় মুহূর্তের নিঃসঙ্গ স্তব্ধতা।
ঘড়ির কাঁটার মতো
খুব ঘন কুয়াশার মধ্যে আমরা দুজন সোনালি কাঁকড়ার ক্ষুদ্র দাঁড়ার ওপর ঘণ্টা আর মিনিটের কাঁটার মতন এক হ’য়ে নিবিড় দাঁড়িয়ে আছি— আমাদের সংকীর্ণ সাঁকোর নিচে সময় গড়ায়… তোমার মুখের মতো আর কোনো গাঢ় লাল ঘড়ি কখনো দেখিনি—নেই; আমাদের তড়িঘড়ি সংক্ষিপ্ত চুমোর মধ্যে কেবল দেখেছি স্বপ্নের বাস্তবে ঘড়ির যুগলে কাঁটা মিলেমিশে স্থির হ’য়ে আছে; ভবিষ্যতে কোনো […]
বেক্তিগত বিছানা
১. শুধু রাধিকাই নয় — গণিকাও ঋতুমতী হয় তিন সন্তানের পিতা — পরিবার পরিকল্পনার আদর্শপুরুষ কৈশোরে করে থাকে আত্মমৈথুন — করে না কি ? ২. আমি রবীন্দ্রনাথ হতে চাই না — হতে চাই না রঘু ডাকাত আমি ফালগুনী রায় হতে চাই — শুধুই ফালগুনী রায় ৩. আমি যে-রাস্তায় থাকি তার একপ্রান্তে প্রসূতিসদন অন্যপ্রান্তে শ্মশানঘাট ৪. […]

