ডাইনিং টেবিলে বসে ব্রেকফাস্ট ডিনার খাচ্ছ রোজ।
সে তোমাকে চেনে?
যে খাট-পালঙ্গে শুয়ে স্বপ্নে তুমি চাঁদ সদাগর
সে তোমাকে চেনে?
যে আয়নাকে শরীরের সব তিল, সর্বস্ব দেখালে
সে তোমাকে চেনে?
যেন মেয়ে-দেখা, এত বেছে ঐ পর্দা কিনেছিলে
ও তোমাকে চেনে?
এই কালো টেলিফোন, ওয়ার্ডরোব, লং প্লেয়িং, টিভি
এই সব থাক্-থাক্ বই, সোফা, নেপালী মুখোশ
কে তোমাকে চেনে?
একমাত্র কার্পেটের ধুলোটুকু, রোদটুকু ছাড়া
দরোজার জানালার ছেঁড়া-খোঁড়া আলোটুকু ছায়াটুকু ছাড়া
কে তোমাকে চেনে?
Related Articles
ভুল
কোনটা যে চন্দ্রমল্লিকার ফুল আর কোনতা যে সূর্যমুখী — বারবার দেখেও আমার ভুল হয়ে যায়, আমি আলাদা করতে পারি না। ওলকপি এবং শালগম, মৃগেলের বাচ্চা এবং বাটামাছ, মানুষ এবং মানুষের মত মানুষ — বারবার দেখেও আমার ভুল হয়ে যায়, আমি আলাদা করতে পারি না। বই এবং পড়ার মত বই, স্বপ্ন এবং দেখার মত স্বপ্ন, কবিতা […]
এক নদী
তোমার মুখ ভাবলে, এক নদী বুকে আমার জলের ধারা তোলে; সামনে দেখি ভরা ভাতের থালা ঝালের বাটি উপচে পড়ে ঝোলে। পিঠার মতো হলুদ মাখা চাঁদ যেনো নরম কলাপাতায় মোড়া; পোড়া মাটির টুকরো পাত্রকে স্মৃতি কি ফের লাগাতে পারে জোড়া! নীল বইচা মাছের মতো চোখ স্বপ্নে আমায় কুশল পুছে রোজ_ ‘ভালো কি আছো?’ হায়রে ভালো থাকা! […]
একটি শেষমুহূর্তের নারীসিন্ধুতট
একটি শেষমুহূর্তের নারীসিন্ধুতট অন্যটিতে আরম্ভের ডানা ছড়ানো ঈগল ছোঁ মেরে ওঠে আবার, তার নখে সরীসৃপ পায়ের গোছে শিকল একটি শুভ আরম্ভের মাঙ্গলিক ঘট ঘটের নীচে সাপের চোখ, মণি বুড়ো আঙুল কেটে দেওয়ার পরেও বাকি থাকে কলম, তর্জনী মাটির কান, মাটির নীচে রক্ত চলাচল– ভূর্গভের হৃদয় নড়ে–ওষ্ঠ? নড়ে তা-ও! দুঃখ তার কণ্ঠা ক্ষুর দিয়ে ফাঁক করেছে–খাও


