ওহে দেখতো দেখতো
লোকটা চলে যাওয়ার সময় কি রেখে গেল?
ভারী লুকনো স্বভাবের ছিল মানুষটা।
ঘাড় গুজে, হাঁটু ভেঙে, চোখ জ্বালিয়ে
বন-বাদাড়, নুড়ি পাথর, আগুন অন্ধকার, ঘেঁটে ঘেঁটে
কী সব কুড়িয়ে বেড়াত দিনরাত।
দেখতো কী রেখে গেল যাওয়ার সময়?
সিন্ধুকটা খোল।
ভিতরে কি?
আজ্ঞে পান্ডুলিপি।
ভল্টটা ভাঙো।
ভিতরে কি?
আজ্ঞে পান্ডুলিপি।
Related Articles
ইন্দিরা গান্ধীর প্রতি
প্রিয় ইন্দিরা, তুমি বিমানের জনলায় বসে, গুজরাটের বন্যা দেখতে যেও না এ বড় ভয়ঙ্কর খেলা ক্রুদ্ধ জলের প্রবল তোলপাড়ের উপড়ে গেছে রেললাইন চৌচির হয়েছে ব্রীজ, মৃত পশুর পেটের কাছে ছন্নছাড়া বালক তরঙ্গে ভেসে যায় বৃদ্ধের চশমা, বৃক্ষের শিখরে মানুষের আপৎকালীন বন্ধুত্ব এইসব টুকরো দৃশ্য- এক ধরনের সত্য, আংশিক, কিন্তু বড় তীব্র বিপর্যয়ের সময় এই সব […]
নির্ধুত
প্রতিদিন অন্তত একবার গুম করা হয় আততায়ী আঘাতের পচন ধরা ছুরি, ক্ষত-বিক্ষত করে নেয় নিহত শরীর; তবু কেউ কেউ জেগে ওঠে সব ভুলে, তবু বলে না, ভালোবাসি ।। তার চোখ ভেজা থাকে উৎকণ্ঠার শ্রাবণে কিছু কিছু ভুল, ক্ষণিকের আড়ালে; প্রতিদিন খুন হয়, গুম হয় ক্রন্দনের তীব্র হাহাকার বোঝাবে কাকে ? রক্তের প্রাচুর্যে যার […]
প্রার্থনা
ঋজু শাল অশ্বত্থের শিকড়ে শিকড়ে যত ক্ষুধা সব তুমি সয়েছ, বসুধা। স্তব্ধ নীল আকাশের দৃশ্য অন্তহীন পটভূমি চক্ষুর সীমানা-প্রান্তে বেঁধে দিয়ে তুমি এঁকে দিলে মাঠ বন বৃষ্টি-মগ্ন নদী-তার দুরাভাস তীর আমাকে নিঃশেষে দিলে তোমার একান্ত মৃদু মাটির শরীর। আমার জন্মের ভোর সূযর্য-শরে আহত মাটিতে প্রত্যহকে ধরে থাকা অবাধ্য মুঠিতে। নিবির ঘুমের মৌন জীবনের অস্পষ্ট আভাসে […]

