অনন্ত বিরহ চাই, ভালোবেসে কার্পণ্য শিখিনি৷
তোমার উপেক্ষা পেলে অনায়াসে ভুলে যেতে পারি
সমস্ত বোধের উত্স গ্রাস করা প্রেম; যদি চাও
ভুলে যাবো, তুমি শুধু কাছে এসে উপেক্ষা দেখাও৷
আমি কি ডরাই সখি, ভালোবাসা ভিখারি বিরহে?
অনন্ত বিরহ চাই, ভালোবেসে কার্পণ্য শিখিনি৷
তোমার উপেক্ষা পেলে অনায়াসে ভুলে যেতে পারি
সমস্ত বোধের উত্স গ্রাস করা প্রেম; যদি চাও
ভুলে যাবো, তুমি শুধু কাছে এসে উপেক্ষা দেখাও৷
আমি কি ডরাই সখি, ভালোবাসা ভিখারি বিরহে?
বালক জানে না তো পুষবে অনুরাগ হৃদয়ে কতোদিন, কার বা চলা-পথে ছড়াবে মুঠো-মুঠো বকুল ফুলগুলো; কোথায় যেতে হবে, যাবে না কোন দিকে, ব্যাপক হাঁটাহাঁটি করবে কোন পথে! বালক জানলো না—মানুষ ম্লানমুখে কেন যে তারা গোনে; পায়ের নীচে কার কেন যে ফুল ঝরে, কতোটা ফুল ঝরে! মানুষ ভুল পথে গিয়েছে কতো দূর, বেপথু কাকে বলে বালক […]
বাবু মশাইরা গাঁগেরাম থেকে ধুলোমাটি ঘসটে ঘসটে আপনাদের কাছে এয়েচি। কি চাকচিকন শহর বানিয়েছেন গো বাবুরা রোদ পড়লে জোছনা লাগলে মনে হয় কাল-কেউটের গা থেকে খসেপড়া রুপোর তৈরি একখান্ লম্বা খোলস। মনের উনোনে ভাতের হাঁড়ি হাঁ হয়ে আছে খিদেয় চালডাল তরিতরকারি শাকপাতা কিছু নেই কিন্তু জল ফুটছে টগবগিয়ে। বাবু মশাইরা , লোকে বলেছিল, ভালুকের নাচ […]
বৃক্ষের ভাগ্যকে ঈর্ষা করি। নিজের বেদনা থেকে নিজেই ফোটায় পুস্পদল। নিজের কস্তুরী গন্ধে নিজেই বিহ্বল। বিদীর্ণ বল্কলে বাজে বসন্তের বাঁশরী বারংবার আত্মজ কুসুমগুলি সহস্র চুম্বনচিহ্নে অলংকৃত করে ওষ্ঠতল। আমি একা ফুটিতে পারি না। আমি একা ফোটাতে পারি না। রক্তের বিষাদ থেকে একটি আরক্তিম কুসুমও। আমাকে বৃক্ষের ভাগ্য তুমি দিতে পারো। বহুজন্ম বসন্তের অম্লান মঞ্জুরী ফুটে […]
