অনন্ত বিরহ চাই, ভালোবেসে কার্পণ্য শিখিনি৷
তোমার উপেক্ষা পেলে অনায়াসে ভুলে যেতে পারি
সমস্ত বোধের উত্স গ্রাস করা প্রেম; যদি চাও
ভুলে যাবো, তুমি শুধু কাছে এসে উপেক্ষা দেখাও৷
আমি কি ডরাই সখি, ভালোবাসা ভিখারি বিরহে?
অনন্ত বিরহ চাই, ভালোবেসে কার্পণ্য শিখিনি৷
তোমার উপেক্ষা পেলে অনায়াসে ভুলে যেতে পারি
সমস্ত বোধের উত্স গ্রাস করা প্রেম; যদি চাও
ভুলে যাবো, তুমি শুধু কাছে এসে উপেক্ষা দেখাও৷
আমি কি ডরাই সখি, ভালোবাসা ভিখারি বিরহে?
সেই কোন দেশে আমরা যাচ্ছিলাম কোন দেশ ছেড়ে আমরা যাচ্ছিলাম পেরিয়ে পেরিয়ে উঁচু-নীচু ঢালু মাঠ শিশির ভেজানো কাঁটাতার, গাছপালা আলপথে নেমে আমরা যাচ্ছিলাম ধানখেত ভেঙে আমরা যাচ্ছিলাম ছোটবোন আর মা-বাবা, গ্রামের লোক তার পাশে আমি দুলালী না প্রিয়বালা? বাবা-মা’র ডাক বাড়িতে দুলালী বলে প্রিয়বালা নাম দিয়েছিল পাঠাশালা দু’তিন ক্লাসের লেখা-পড়া সবে শুরু গ্রামে কে বলল […]
কলকাতা আমার বুকে বিষম পাথর হয়ে আছে আমি এর সর্বনাশ করে যাবো- আমি একে ফুসয়িয়ে নিয়ে যাবো হলদিয়া বন্দরে নারকোল নাডুর সঙ্গে সেঁকো বিষ মিশিয়ে খাওয়াবো- কলকাতা আমার বুকে বিষম পাথর হয়ে আছে। কলকাতা চাঁদের আলো জাল করে, চুম্বনে শিয়ালকাঁটা অথবা কাঁকর আজ মেশাতে শিখেছে, চোখের জলের মতো চায়ে তুমি চিনি দিতে ভুলে যাও এত […]
বৃক্ষের ভাগ্যকে ঈর্ষা করি। নিজের বেদনা থেকে নিজেই ফোটায় পুস্পদল। নিজের কস্তুরী গন্ধে নিজেই বিহ্বল। বিদীর্ণ বল্কলে বাজে বসন্তের বাঁশরী বারংবার আত্মজ কুসুমগুলি সহস্র চুম্বনচিহ্নে অলংকৃত করে ওষ্ঠতল। আমি একা ফুটিতে পারি না। আমি একা ফোটাতে পারি না। রক্তের বিষাদ থেকে একটি আরক্তিম কুসুমও। আমাকে বৃক্ষের ভাগ্য তুমি দিতে পারো। বহুজন্ম বসন্তের অম্লান মঞ্জুরী ফুটে […]
