প্রত্যেক বাক্যের মধ্যে কিছু শব্দ পাশ ফিরে থাকে
প্রত্যেক শব্দের মধ্যে কিছু অক্ষর থেকে যায় স্বল্প উচ্চারণে
কিছু উপসর্গ প্রত্যেক ধাতুর সম্পর্কে থেকে যায় অর্থবিহীন
বুঝ আর অবুঝের মধ্যে বোঝাপড়া রাখে কার্যসাধিকা
নীলুদের সংসারে ছোটমাসি মুখ বুজে কাজ করে যায়—
জটিলতার কাছে সোপর্দ রয়েছে
গতির অরৈখিক নকশা
অংশপ্রীতি, ঘুম
যেভাবে বিশৃঙ্খলা ছন্দের মুখোশ ।
Related Articles
কবিতা
অনুবাদ:চয়ন খায়রুল হাবিব এবং ঐ বয়সটাতে…কবিতা এসেছিল আমার খোজে।আমি জানতাম না, জানতাম না কোথ্যেকে, শিতকাল না কি নদি থেকে, কিভাবে কখন জানতে পারি নি, না, কোনরকম শব্দও শুনিনি, নিশব্দও না, কিন্তু রাস্তা থেকে ও আমাকে ডেকেছিল, পুড়তে পুড়তে, ভয়ঙ্কর আগুনের হলকায় হুটোপুটি করতে করতে, রাতের ডালপালারা ডেকেছিল ইশারায়ঃ ভিড় থেকে দুরে সরে যেতে বলেছিল আমার […]
স্বপ্নভ্রমণ
এই হাত ধরো, আমরা নক্ষত্রপথে হেঁটে বেড়াই, মেঘমহলে বিচরণ করি পৃথিবীর বৃহত্তম জলরাশির ওপর দিয়ে হেঁটে যাই, এই হাত ধরো মুহূর্তে স্বপ্নভ্রমণে বেরিয়ে পড়ি। একটু উষ্ণতা দাও ঝমঝম বৃষ্টি হয়ে ঝরি, একবার সঞ্চায়িত করো স্পর্শের বিদ্যুৎপ্রবাহ আমি মূলসুদ্ধ কেঁপে উঠি, অর্ধেক এখানে রাখি অর্ধেক আকাশে উড়াই; এই হাত ধরো আমি হই জাদুমন্ত্র, আমি হই ম্যাজিক […]
প্রতীক্ষা (কবি – নিলয়)
যেন বুনো হাঁস – শীতের শব্দে খুঁজি সুখের ঠিকানা, দাও রোদের ঝলক বাকি পথ পলকে চেনা । কিংবা সপ্তর্ষি হও রাতের আকাশে, সঠিক পৌঁছে যাবো অটল বিশ্বাসে । লুকাবে? অথবা গুটাবে শরীর শামুকের শাঁসে? পারবে না, জীবনের তাবৎ জমিন চেনা আঁশে আঁশে । ব্রহ্মচারী অথবা ফেরারী যা-ই সাজো হালে, তাহলে – বেলা শেষে পুড়বে মনস্তাপে, […]
