হৃদয়ের একদিকে গোল হয়ে রয়েছে বেদনা।
উপশম খুঁজে আমি নাগালের সমস্ত গাছের
মূল উৎপাটন করে নিংড়ে রস লাগিয়েছি বুকে।
ওষুধের সাধ্য নেই, প্রকৃতি পারে না দিতে আর
আহারের রুচি, ঘুম, স্বপ্নের মধ্যে হেঁটে যাওয়া।
বারান্দার এক কোণে বসে আছি অচিকিৎস্য, কালো।
স্পর্শ দাও হে বাতাস দক্ষিণের উলঙ্গ বাতাস
দাও হাত এইখানে হৃদয়ের বামে, এইখানে
যেন চোখ মুদে আসে স্বপ্নে ভাসে চুড়ির আওয়াজ।
না, নিদ্রা চাইনা আমি। নিরাসক্ত ব্যথা ও বিস্বাদ
ফোঁটা ফোঁটা ঝরে যাক। দেখা যাক কেমনে সে চায়
আমাকে আরাম দিতে, নিয়ে যেতে আমার স্পন্দন।
Related Articles
দুর্দিন চিরকাল থাকে না
যখন দুর্দিন ঘনিয়ে আসে তখন মাথা ঠান্ডা রাখাই সবচেয়ে জরুরী কাজ। যাঁদের মুখে সব সময় কথার খই ফোটে তাঁদের দরকার তখন কিছুদিনের জন্যে বাক্সংযম অভ্যাস করা। দুর্দিন আসছে, এই খবরটুকু যাঁদের কানে পৌঁছে দেওয়ার মানুষ ছিল না, তাঁরা কবি, অধ্যাপক, রাজনীতির পন্ডিত অথবা নেতা যা-ই হোন না কেন, তাঁদের উচিত এখনও কিছুদিন নিজেদের ভাবনাগুলিকে যাচাই […]
কথোপকথন-২৯
-দুরে চলে যাও। তবু ছায়া। আঁকা থাকে মেঘে।যেন ওড়ে বাতাসের সাদা বারান্দায় বালুচরী বহু বর্ণময় । গান শেষ তবু তখনো তার প্রতিধ্বনিরা দশ দিকে। যেন শুধু তুমি তোমারই সব মুরররতিতে ঠাসা মিউজিয়াম ট্রামলাইনের,ছাইগাদার গর্তে গভীর কলকাতায়। কী করে এমন পারো তুমি নন্দিনী? -সহজ ম্যাজিক।শিকবে কি? রুমালটা দাও,ঘন গিঁটে চোখ দুটো বাঁধি।তারপরে যাদুকাঠিটাকে ছুঁইয়ে দি, কাছে […]
কাছে দূরে
মুখখানি যেন ভোরের শেফালি নেমে গেল এক্ষুনি দু-অধরে চেপে চাঁদ একফালি নেমে গেল এক্ষুনি তার দুটি আঁখি খঞ্জন পাখি দূরে কাছে ঘুরে নাচে এই আছে এই নেই আছে নেই দূরে কাছে ঘুরে নাচে নেমে গেল এক্ষুনি হাওয়া বারে বারে আঁচল সরায় হাত বারে বারে ঢাকে হাত খালি হলে আঙুল জড়ায় সময়কে পাকে পাকে নেমে গেল […]

