‘একি, আপনি বাজারে? কবিশাহেব, আপনিও কি বাজার করেন?’
–হ্যাঁ, আমাকেও বাজার করতে হয়,
আমাকেও তেল-নুন-মাংসের হিশেব কষতে হয়–
আমি নই বায়ুভুক রবীন্দ্রনাথ।
কবিতাকেও হতে হয় পৌরুষেয়–
শুধু নারীলাবণিগ্রস্ত নয়।
বসন্তের সংঘর্ষে জ্বলে উঠতে হয় আগুনের মতো।
জীবনানন্দকেও একদিন খালি গায়ে দুই হাতে দুই ভরা পানির বালতি
বয়ে নিয়ে যেতে দেখেছিলেন
অনুজ কবি আলোক সরকার আর অন্ধকার রায় ।
Related Articles
দ্রোহ ও দহন
অন্ধকার মৃত্যুসম এক জগদ্দল পাথর আজ চেপে বসেছে বাংলাদেশের বুকে ভাঙছে পাঁজর, বিবেকবর্জিত দূর্নীতিবাজ লোভী শকুনের দল ঠুকরে খাচ্ছে সোনার স্বদেশ । মা গো, আর কত গুনবো প্রহর? দ্রোহে ও দহনে পুঞ্জীভূত ঘৃণা ও ক্রোধের আগুনে প্রজ্জলিত কর মাটি ও মানুষ । রুখে দাঁড়াও শাশ্বত বাঙালি । ******************** – নিলয় ২৪ এপ্রিল ২০১৩
একটি সন্তানসম্ভবা পাখির গল্প
একজন পাখি বিশারদ আমাকে বলেছিলেন-, পাখিদের আপনি বিশ্বাস করতে পারেন। ওরা কখনও মিথ্যা কথা বলে না। সম্প্রতি আমি হাতে নাতে তার প্রমাণ পেয়েছি। নয়াগাঁওয়ের এই নতুন বাড়িটিতে আসার পর বেশ ক’জন পাখির সঙ্গে আমার আলাপ হয়েছে। তাদের মধ্যে একজন বাবুই পাখির সঙ্গে গড়ে উঠেছে আমার খুব বিশেষ সম্পর্ক। আমরা পরস্পরকে ভালোবেসে ফেলেছি। এখন আর আমাদের […]
ফুলদানি
যেকোনো বাগান থেকে যেটা ইচ্ছে সেই ফুল, যেকোনো সময় আমি তুলে নিয়ে যদি কভু তোমার খোঁপায়, আহা, অজগর তোমার খোঁপায় সাজাবার সুজোগ পেতাম–; তাহলে দেখতে লীলা, তোমার শরীর ছুঁয়ে লাবণ্যের লোভন ফুলেরা উদ্বেল হৃদয়ে নিত্য বিপর্যস্ত হতো, মত্ত মমতায় বলতো আশ্চর্য হয়ে, হতো বলতেইঃ ‘খোঁপার মতন কোনো ফুলদানি নেই৷’

