‘একি, আপনি বাজারে? কবিশাহেব, আপনিও কি বাজার করেন?’
–হ্যাঁ, আমাকেও বাজার করতে হয়,
আমাকেও তেল-নুন-মাংসের হিশেব কষতে হয়–
আমি নই বায়ুভুক রবীন্দ্রনাথ।
কবিতাকেও হতে হয় পৌরুষেয়–
শুধু নারীলাবণিগ্রস্ত নয়।
বসন্তের সংঘর্ষে জ্বলে উঠতে হয় আগুনের মতো।
জীবনানন্দকেও একদিন খালি গায়ে দুই হাতে দুই ভরা পানির বালতি
বয়ে নিয়ে যেতে দেখেছিলেন
অনুজ কবি আলোক সরকার আর অন্ধকার রায় ।
Related Articles
প্রতীক্ষা (কবি – নিলয়)
যেন বুনো হাঁস – শীতের শব্দে খুঁজি সুখের ঠিকানা, দাও রোদের ঝলক বাকি পথ পলকে চেনা । কিংবা সপ্তর্ষি হও রাতের আকাশে, সঠিক পৌঁছে যাবো অটল বিশ্বাসে । লুকাবে? অথবা গুটাবে শরীর শামুকের শাঁসে? পারবে না, জীবনের তাবৎ জমিন চেনা আঁশে আঁশে । ব্রহ্মচারী অথবা ফেরারী যা-ই সাজো হালে, তাহলে – বেলা শেষে পুড়বে মনস্তাপে, […]
কথোপকথন -৫
আমি তোমার পান্থপাদপ তুমি আমার অতিথশালা । হঠাৎ কেন মেঘ চেঁচালো – দরজাটা কই, মস্ত তালা ? তুমি আমার সমুদ্রতীর আমি তোমার উড়ন্ত চুল । হঠাৎ কেন মেঘ চেঁচালো – সমস্ত ভুল , সমস্ত ভুল ? আমি তোমার হস্তরেখা তুমি আমার ভর্তি মুঠো । হঠাৎ কেন মেঘ চেঁচালো – কোথায় যাবি, নৌকো ফুটো ? 15 […]
অবাক বারতা
তিনি লোভী নন জানতাম আমি। তবু, তাকে কিনে দিতে হলো হীরার আংটি, কানপাশা একজোড়া। সামান্য চাকরি করি বিমানবন্দরে যা কিছু পাই তাই দিয়ে চলে যায় দিনমান। সব কথা বললাম তাকে, মৃদু হেসে তাকালেন আমার দিকে। ভাসালেন নিজেকে চোখের জলে আমি বোধহীন মানুষের মতো তার দিকে চাইবার আগে শুনি অবাক বারতা, খুব একা থাকি বিদেশ বিভুইয়ে।

