‘একি, আপনি বাজারে? কবিশাহেব, আপনিও কি বাজার করেন?’
–হ্যাঁ, আমাকেও বাজার করতে হয়,
আমাকেও তেল-নুন-মাংসের হিশেব কষতে হয়–
আমি নই বায়ুভুক রবীন্দ্রনাথ।
কবিতাকেও হতে হয় পৌরুষেয়–
শুধু নারীলাবণিগ্রস্ত নয়।
বসন্তের সংঘর্ষে জ্বলে উঠতে হয় আগুনের মতো।
জীবনানন্দকেও একদিন খালি গায়ে দুই হাতে দুই ভরা পানির বালতি
বয়ে নিয়ে যেতে দেখেছিলেন
অনুজ কবি আলোক সরকার আর অন্ধকার রায় ।
Related Articles
জ্যোৎস্নার অত্যাচার
জ্যোৎস্না আমাকে ঠেলে ফেলে দিলো ফুটপাথে ল্যাম্পপোস্টে সবগুলো গাছের চূড়ায় এই রাতে। আমি জামা খুলে ঘুমাতে যাবার আগে জানালায় অনভ্যাসে দাঁড়িয়েছিলাম আর অমনি জ্যোৎস্না ধাক্কা দিলো এ কী অধঃপতন আমার! ড্রেন ডাস্টবিন একেকটি পদ্মের মতোন ফুটে আছে জ্যোৎস্নায় সাইরেন সানইয়ের সুর আমাকে বাজিয়ে চলে অন্ধ এক শিল্পীর আঙুল আমার সমস্ত পাপ এই রাতে জ্বলজ্বলে নক্ষত্র […]
মিলিত মৃত্যু
বরং দ্বিমত হও, আস্থা রাখ দ্বিতীয় বিদ্যায়। বরং বিক্ষত হও প্রশ্নের পাথরে। বরং বুদ্ধির নখে শান দাও, প্রতিবাদ করো। অন্তত আর যাই করো, সমস্ত কথায় অনায়াসে সম্মতি দিও না। কেননা, সমস্ত কথা যারা অনায়াসে মেনে নেয়, তারা আর কিছুই করে না, তারা আত্মবিনাশের পথ পরিস্কার করে। প্রসঙ্গত, শুভেন্দুর কথা বলা যাক। শুভেন্দু এবং সুধা কায়মনোবাক্যে […]
কাঁপুনি
শেষ হয়নি কি, আমাদের দেয়া-নেয়া? হাত তুলে আছে, পাড়ানি মেয়েটি বিদায়ের শেষ খেয়া, ডাকছে আমাকে হাঁকছে আমাকে আমিই শেষের লোক। শ্লোক শেষ হলো, অন্ত-মিলেরও শেষ। কাঁপছে নায়ের পাটাতন বুঝি ছেড়ে যেতে উৎসুক। আমি চলে গেলে এ পারে আঁধারে কেউ থাকবে না আর সব ভেসে গেছে এবার তবে কি ভাসাবো অন্ধকার? আলো-আঁধারির এই খেলা তবে আমাকে […]

