‘একি, আপনি বাজারে? কবিশাহেব, আপনিও কি বাজার করেন?’
–হ্যাঁ, আমাকেও বাজার করতে হয়,
আমাকেও তেল-নুন-মাংসের হিশেব কষতে হয়–
আমি নই বায়ুভুক রবীন্দ্রনাথ।
কবিতাকেও হতে হয় পৌরুষেয়–
শুধু নারীলাবণিগ্রস্ত নয়।
বসন্তের সংঘর্ষে জ্বলে উঠতে হয় আগুনের মতো।
জীবনানন্দকেও একদিন খালি গায়ে দুই হাতে দুই ভরা পানির বালতি
বয়ে নিয়ে যেতে দেখেছিলেন
অনুজ কবি আলোক সরকার আর অন্ধকার রায় ।
Related Articles
চাই আমি তোমাকেই
চাই আমি তোমাকেই, রক্তের ভেতরে চাই, নিঃশ্বাসের চেয়ে আরো বিশ্বস্ত শোধক; আমি চাই একটি গর্ভিনী মাছ আকালের দেশ দিয়ে প্রবাহিত নদীর ভেতরে; যখন পুড়ছে গ্রাম, পান্ডুলিপি পুড়ে যাচ্ছে, ঘন্টার চিৎকারে লাল তোমাকেই চাই; যখন হাতের রশি তরঙ্গের দাঁতে কাটে, বিপন্ন সুনীলে চাই তোমার জাহাজ। বুঝি না তোমার কানে পশে কিনা শব্দহীন সংকেতের অবিরাম এই ধ্বনিগুলো। […]
লিপিড প্রোফাইলের লিব্রেটো
কোলেসটেরলে তুই কবে থেকে লুকিয়ে রয়েছিস অবন্তিকা রাত দু’টোয় জেগে উঠে কড়া নাড়িস বুকে ট্রাইগ্লিসারাইডে তুই কবে থেকে ওড়নায় মুখ ঢেকে অবন্তিকা ছ’তলায় উঠতে দিসনা সিঁড়ি বেয়ে প্রস্টেট গ্ল্যান্ডে তুই কবে থেকে চেপে বসে গেলি অবন্তিকা বার-বার ঘুম ভাঙিয়ে ডাক দিয়ে চলে যাস রাতে ইউসেনোফিলিসে তুই কবে চলে এলি অবন্তিকা কাশির দমকে তুই যখন তখন […]
তুমি যেখানেই যাও
তুমি যেখানেই যাও আমি সঙ্গে আছি। মন্দিরের পাশে তুমি শোনো নি নিঃশ্বাস? লঘু মরালীর মতো হাওয়া উড়ে যায় জ্যোৎস্না রাতে নক্ষত্রেরা স্থান বদলায় ভ্রমণকারিণী হয়ে তুমি গেলে কার্শিয়াং অন্য এক পদশব্দ পেছনে শোনো নি? তোমার গালের পাশে ফুঁ দিয়ে কে সরিয়েছে চুর্ণ অলক? তুমি সাহসিনী, তুমি সব জানলা খুলে রাখো মধ্যরাত্রে দর্পণের সামনে তুমি এক […]

