বলিনি কখনো?
আমি তো ভেবেছি বলা হয়ে গেছে কবে।
এভাবে নিথর এসে দাঁড়ানো তোমার সামনে
সেই এক বলা
কেননা নীরব এই শরীরের চেয়ে আরো বড়ো
কোনো ভাষা নেই
কেননা শরীর তার দেহহীন উত্থানে জেগে
যতদূর মুছে নিতে জানে
দীর্ঘ চরাচর
তার চেয়ে আর কোনো দীর্ঘতর যবনিকা নেই।
কেননা পড়ন্ত ফুল, চিতার রুপালি ছাই, ধাবমান শেষ ট্রাম
সকলেই চেয়েছে আশ্রয়
সেকথা বলিনি? তবে কী ভাবে তাকাল এতদিন
জলের কিনারে নিচু জবা?
শুন্যতাই জানো শুধু? শুন্যের ভিতরে এত ঢেউ আছে
সেকথা জানো না?
Related Articles
চিরকুট
শতকোটি প্রনামান্তে হুজুরে নিবেদন এই– মাপ করবেন খাজনা এ সন ছিটেফোঁটাও ধান নাই। মাঠেঘাটে কপাল ফাটে দৃষ্টি চলে যত দূর খাল শুক্নো বিল শুক্নো চোখের কোলে সমুদ্দুর। হাত পাতব কার কাছে কে গাঁয়ের সবার দশা এক তিন সন্ধে উপোষ দিলাম আজ খাচ্ছি বুনো শাক। পরনে যা আছে তাতে ঢাকা যায় না লজ্জা ঘটি বাটি বেচেছি […]
অবেলার ডাক
অনেক ক’রে বাসতে ভালো পারিনি মা তখন যারে, আজ অবেলায় তারেই মনে পড়ছে কেন বারে বারে।। আজ মনে হয় রোজ রাতে সে ঘুম পাড়াত নয়ন চুমে, চুমুর পরে চুম দিয়ে ফের হান্তে আঘাত ভোরের ঘুমে। ভাব্তুম তখন এ কোন্ বালাই! কর্ত এ প্রাণ পালাই পালাই। আজ সে কথা মনে হ’য়ে ভাসি অঝোর নয়ন-ঝরে। অভাগিনীর সে […]
সেই কবিতাটা
সেই কবিতাটা বজ্জাত। সংশোধন করার জন্যে যেই না কবিতাটার একটা জায়গা কেটেছি, অমনি সেই ফাঁক দিয়ে একটা গাছ ডাল বাড়িয়ে দিয়ে বলল। ‘কী রে, আম কুড়োতে যাবি না?’ আর একটা জায়গা কাটতেই সেখান থেকে একটা মেয়ে মুখ বার করে বলল, ‘আমি কিন্তু কিছু জানি না! বিকেলে আমি জামা কিনতে যাবো ই যাবো!’ আমি ভয় পেয়ে […]

