বলিনি কখনো?
আমি তো ভেবেছি বলা হয়ে গেছে কবে।
এভাবে নিথর এসে দাঁড়ানো তোমার সামনে
সেই এক বলা
কেননা নীরব এই শরীরের চেয়ে আরো বড়ো
কোনো ভাষা নেই
কেননা শরীর তার দেহহীন উত্থানে জেগে
যতদূর মুছে নিতে জানে
দীর্ঘ চরাচর
তার চেয়ে আর কোনো দীর্ঘতর যবনিকা নেই।
কেননা পড়ন্ত ফুল, চিতার রুপালি ছাই, ধাবমান শেষ ট্রাম
সকলেই চেয়েছে আশ্রয়
সেকথা বলিনি? তবে কী ভাবে তাকাল এতদিন
জলের কিনারে নিচু জবা?
শুন্যতাই জানো শুধু? শুন্যের ভিতরে এত ঢেউ আছে
সেকথা জানো না?
Related Articles
প্রতিক্ষার শোকগাথা
তোমার চোখের মতো কয়েকটি চামচ পড়ে আছে দ্যাখো প্রশান্ত টেবিলে আর আমার হাত ঘড়ি নীল ডায়ালের তারা জ্বলছে মৃদু আমারই কব্জিতে ! টুরিস্টের মতো লাগছে দেখতে আমাকে সাংবাদিকের মতো ভীষণ উৎসাহী এ মুহূর্তে সিগ্রেটের ছাই থেকে শিশিরের মতো নম্র অপেক্ষার কষ্টগুলি ঝেড়ে ফেলেছি কালো এ্যাসট্রেতে ! রেস্তোরাঁয় তুমি কি আসবেনা আজ স্বাতী ? তোমার কথার […]
ফুল ফুটেছে
ওইখানে ওই বাগানে তার ফুল ফুটেছে কতো জানতে পারি, ওর মধ্যে কি একটি দেবার মতো? একটি কিম্বা দুটির ইচ্ছে আসতে আমার কাছে তাহার পদলেহন করতে সমস্ত ফুল আছে। সব ফুলই কি গোষ্ঠীগত, সব ফুলই কি চাঁদের একটি দুটি আমায় চিনুক, বাদবাকি সব তাঁদের গাছ তো তাঁহার বাগানভর্তি, আমার রোপণ ছায়া– প্রবীণ তাঁদের ভালোবাসা, আমার বাসতে […]
গ্রিনরোড
একদিন কুলিরোড ছিলে। হাঁটু অব্দি ডোবানো ধুলোয় ছিলে এক নির্জন তাপস। অড়হরখেতে একদিন দেখেছিলাম তরুণ খরগোশ যেন কোন প্রাকৃতিক নিবিড় নিখিলে বিদ্যুচ্চমক তুলে মিশে গিয়েছিলো মটরশুঁটির খেতে। লাল-কালো কুঁচফল পেড়েছি একদিন সান্দ্র ঝোপ থেকে দেখেছি ধানখেত, কামময়, গভীর খোড়ল, কৈশোরক নিরুদ্বেগে, কৌতূহলে। তারপর সপ্তর্ষির নৈশ সংকেতে আমগাছ জামগাছ কাঁঠালগাছের শ্যাম ক্রমাগত মুছে মুছে উঠে আসছে […]

