তোমাদের যা বলার ছিল
বলছে কি তা বাংলাদেশ ?
শেষ কথাটি সুখের ছিল ?
ঘৃণার ছিল ?
নাকি ক্রোধের,
প্রতিশোধের,
কোনটা ছিল ?
নাকি কোনো সুখের
নাকি মনে তৃপ্তি ছিল
এই যাওয়াটাই সুখের।
তোমরা গেলে, বাতাস যেমন যায়
গভীর নদী যেমন বাঁকা
স্রোতটিকে লুকায়
যেমন পাখির ডানার ঝলক
গগনে মিলায়।
সাঁঝে যখন কোকিল ডাকে
কারনিসে কি ধুসর শাখে
বারুদেরই গন্ধস্মৃতি
ভুবন ফেলে ছেয়ে
ফুলের গন্ধ পরাজিত
স্লোগান আসে ধেয়ে।
তোমার যা বলার ছিল
বলছে কি তা বাংলাদেশ ?
Related Articles
কথোপকথন-৪০
-ধরো কোনো একদিন তুমি খুব দূরে ভেসে গেলে শুধু তার তোলপাড় ঢেউগুলো আজন্ম আমার বুকের সোনালী ফ্রেমে পেনটিং-এর মতো রয়ে গেল। এবং তা ধীরে ধীরে ধুলোয়,ধোঁয়ায়,কুয়াশায় পোকামাকড়ের সুখী বাসাবাড়ি হয়ে যায় যদি? – ধরো কোনো একদিন যদি খুব দূরে ভেসে যাই আমারও সোনার কৌটো ভরা থাকবে প্রতিটি দিনের এইসব ঘন রঙে ,বসন্তবাতাসে,বৃষ্টিজলে। যখন যেমন খুশী […]
জন্মদিন
আজ পয়লা শ্রাবণ। খোকন, আজ তোর জন্মদিন। তুই যখন জন্মেছিলি, আমরা তখন যাদবপুরে নতুন গড়ে ওঠা কলোনীর টালির ঘরে তোর ইস্কুল মাস্টার বাবা সেই হ্যারিকেনের আলো জ্বলা ঘরেই আনন্দে আর খুশিতে ঝলমলে হয়ে উঠেছিলেন তুই আসার পর। তোর নাম রেখেছিলেন- সুকল্যাণ। মানুষটার মনটা ছিল শিশুর মতন অভাবে অনটনে, বেঁচে থাকার নানা দুর্বিপাকেও ভেঙ্গে পড়তেন না […]
পাঁচটি উজ্জ্বল মাছ
পাঁচটি উজ্জ্বল মাছ ঝর্না থেকে নেমে এসেছিলো। এখন, রহস্যময় জলে, খেলা করে অবিরল। পদ্মায় গিয়েছে একটি– মেঘনায়-যমুনায়-সুরমায়– আর-একটি গোপন ইচ্ছায়। পাঁচটি উজ্জ্বল মাছ ঝর্না থেকে নেমে এসে সাঁতরে চলে বিভিন্ন নদীতে। পাঁচটি উজ্জ্বল মাছ জলের রহস্য ভেদ করে এখন একাকী এক শব্দহীন সমুদ্রে চলেছে।

