তুমি উঠে এসেছো অন্ধকূপ থেকে
তোমার মাথায় জ্বলছে চিতার আগুন
তোমার বাহু বেয়ে নেমে যাচ্ছে ঝর্ণা-সরীসৃপ
তোমার শরীরে বলয়িত হচ্ছে ঘূর্ণিঝড়
তোমার পা পিচ্ছিল কর্দমে প্রোথিত
ভয় পেয়ো না, আমি তোমাকে বাঁধবোই
আমার বন্ধনের নাম ভালোবাসা
আমার ভালোবাসার নাম মুক্তি
এই পৃথিবীর দূর এক প্রান্তে
আমি তোমার হাতে, পায়ে, মাথায়, গায়ে
এঁকে দেবো জন্মের স্বার,
তুমি চুষ্মান হও
তোমার শরীর ফুঁড়ে জন্ম নিক
ভুবনবিদারী বর্শা।
Related Articles
আবার সন্ধ্যা হয় চারিদিকে
আবার সন্ধ্যা হয় চারিদিকে । নিথর দেহ হারিয়ে যায় রাত্রির অতলে কোথাও বেচে থাকে একটা শকুনের ডাক ! বেচে থাকার ব্যকুলতায় কি অভিশাপ ! নিদ্রাহীন – রাত্রিদিন এই অস্তাচলে, আবার সন্ধ্যা হয় চারিদিকে । ফিস ফিস করে কথা বলে; শ্মশানের মরাগুলো – বাতাশের গুঞ্জনে – হারিয়ে যাওয়া মুখগুলো । কোথাও পরে থাকে একটা মায়াবী […]
আমার জন্মদিন
আমি কি কফিন থেকে তোমাদের ডেকে বলব কবে আমার জন্মদিন, তোমরা কেউ না কেউ আমার হাতে একটা গোলাপ ফুল দাও কেউ না কেউ আমার জন্য চারুকলার সামনে এসে একটু দাঁড়াও, কারো না কারো হাতে থাকুক, র্যাপিং পেপারে মোড়ানো একটা বাক্স; আজকের দিনে অন্তত কেউ একজন আমার মুখে একটা মিষ্টি তুলে দিক কেউ আমাকে হাতপাখার একটু […]
অপরূপ বাগান
চলে গেলে- তবু কিছু থাকবে আমার : আমি রেখে যাবো আমার একলা ছায়া, হারানো চিবুক, চোখ, আমার নিয়তি। জল নেমে গেলে ডাঙ্গা ধরে রাখে খড়কুটো, শালুকের ফুল : নদীর প্রবাহপলি, হয়তো জন্মের বীজ, অলঙ্কার- অনড় শামুক ! তুমি নেমে গেলে এই বক্ষতলে সমস্ত কি সত্যিই ফুরোবে ? মুখের ভিতরে এই মলিন দাঁতের পংক্তি- তা হলে […]

