তুমি উঠে এসেছো অন্ধকূপ থেকে
তোমার মাথায় জ্বলছে চিতার আগুন
তোমার বাহু বেয়ে নেমে যাচ্ছে ঝর্ণা-সরীসৃপ
তোমার শরীরে বলয়িত হচ্ছে ঘূর্ণিঝড়
তোমার পা পিচ্ছিল কর্দমে প্রোথিত
ভয় পেয়ো না, আমি তোমাকে বাঁধবোই
আমার বন্ধনের নাম ভালোবাসা
আমার ভালোবাসার নাম মুক্তি
এই পৃথিবীর দূর এক প্রান্তে
আমি তোমার হাতে, পায়ে, মাথায়, গায়ে
এঁকে দেবো জন্মের স্বার,
তুমি চুষ্মান হও
তোমার শরীর ফুঁড়ে জন্ম নিক
ভুবনবিদারী বর্শা।
Related Articles
কাক
বুক থেকে সব স্মৃতি মুছে দিতে চেয়েছিলি, তাই না ? তবে এই নে, কলিজার সবটুকু বিশ্বাস ! ধুয়ে মুছে নিয়ে যা, তোর মুখ নিঃসৃত থুতু- ছেঁড়া লালা গ্রন্থির উপনিবেশ ! বেশ বেশ ! যে বিশ্বাসের স্থানে রেখেছিলাম তোকে সেখানে লিখে এসেছি, “এখানে আবর্জনা ফেলুন” ! তোর প্রাপ্যতায় জীবন সুন্দর হোক, হয়ে ওঠ কুচকুচে কাক […]
বেদিয়া
চুলিচালা সব ফেলেছে সে ভেঙে, পিঞ্জরহারা পাখি! পিছুডাকে কভু আসে না ফিরিয়া, কে তারে আনিবে ডাকি? উদাস উধাও হাওয়ার মতন চকিতে যায় সে উড়ে, গলাটি তাহার সেধেছে অবাধ নদী-ঝর্ণার সুরে; নয় সে বান্দা রংমহলের, মোতিমহলের বাঁদী, ঝোড়ো হাওয়া সে যে, গৃহপ্রাঙ্গণে কে তারে রাখিবে বাঁধি! কোন্ সুদূরের বেনামী পথের নিশানা নেছে সে চিনে, ব্যর্থ ব্যথিত […]
কালো কৃষকের গান
দুঃখের এক ইঞ্চি জমিও আমি অনাবাদী রাখবো না আর আমার ভেতর সেখানে বুনবো আমি তিন সারি শুভ্র হাসি, ধৃতপঞ্চইন্দ্রিয়ের সাক্ষাৎ আনন্দময়ী একগুচ্ছ নারী তারা কুয়াশার মতো ফের একপলক তাকাবে এবং বোলবে,‘তুমি না হোমার? অন্ধ কবি ছিলে? তবে কেন হলে চক্ষুষ্মান এমন কৃষক আজ? বলি কী সংবাদ হে মর্মাহত রাজা? এখানে আঁধার পাওয়া যায়? এখানে কি […]

