এই রাত্রি নিঃস্ব। খোলা আকাশকে মুখোমুখি রেখে
শূন্যতার মাঝখানে অবলম্বনহীন ভেসে আছি।
অনন্তশয়ানছবি, দূরে দূরে বুদবুদের মতো
তারাগুলি ধরে আছে সাবেকযুগের কাতরতা।
বিশ্বাস? কোথায় তার বাসা ছিল ভেবেছ কখনো?
আঘাত কোথায়? সে কি ডমরুর মতো বেজে ওঠে?
তোমার মুখের ডৌল মাঝো মাঝে তবু মনে পড়ে
কালরাত্রে, প্রবাহণে, আগুনে না অবিমৃশ্য ঝড়ে—
তুৃৃমিহীন তুমি দিয়ে ভরে রাখি যা ভরার নয়
আজ শুধু মনে পড়ে আমার সমস্ত অপচয়।
Related Articles
মৃত্যুকে
অনুবাদ : মলয় রায়চৌধুরী জানি তুমি আসবেই। তাহলে এ প্রতীক্ষা কেন ? তোমার জন্য আমি পথ চেয়ে, ফুরিয়ে গিয়েছে সব কাজ। আমার আলো তো কবে নিভে গেছে । দরজা রেখেছি খুলে তোমার নামের এক সরল বিস্ময় আসবে সে আশায়। অতএব যে আদল নিতে চাও নাও : ছুঁড়ে মারো তোমার বিষাক্ত বোমা আমার বাসা লক্ষ করে […]
বাঁশি
কিনু গোয়ালার গলি। দোতলা বাড়ির লোহার-গরাদে-দেওয়া একতলা ঘর পথের ধারেই। লোনাধরা দেয়ালেতে মাঝে মাঝে ধসে গেছে বালি, মাঝে মাঝে স্যাঁতাপড়া দাগ। মার্কিন থানের মার্কা একখানা ছবি সিদ্ধিদাতা গণেশের দরজার ’পরে আঁটা। আমি ছাড়া ঘরে থাকে আর একটি জীব এক ভাড়াতেই, সেটা টিকটিকি। তফাত আমার সঙ্গে এই শুধু, নেই তার অন্নের অভাব॥ বেতন পঁচিশ টাকা, সদাগরি […]
চিরমায়া
ঘর দুয়ার বাহিরে দেখি না, শুধু স্থির জানি ভিতরে কোথাও চৌকাঠে পা রেখে তুমি দাঁড়িয়ে রয়েছ, চিরমায়া। দাঁতে-চাপা অধরে কৌতুক স্থির বিদ্যুতের মতো লগ্ন হয়ে আছে, ভুরু বিদ্রুপের ভঙ্গিতে বাঁকানো, জ্বলে কোমল আগুন সিঁথি ও ললাটে। স্থির সরসীর মতো দুই চোখে চক্ষু রেখে জগৎ-সংসার অকস্মাৎ তার কার্যকারণের-সূত্রে গাঁথা মাল্যখানিকে ঘোরাতে ভুলে যায়। বাহিরে দেখি না, […]

