দারুণ সুন্দর কিছু দেখলে আমার একটু একটু
কান্না আসে।
এমন আগে হতনা,
আগে ছিল দুরন্ত উল্লাস,
আগে এই পৃথিবীকে জয় করে নেবার বাসনা ছিল
এখন মনে হয় আমার এই পৃথিবীটা
বিলিয়ে দেই সকলকে
পরশুরামের মত রক্তস্নান সেরে
চলে যাই দিগন্ত কিনারে
যত সব মানুষকে চিনেছি, তাদের ডেকে বলতে ইচ্ছে হয়
নাও, যার যা খুশি নাও,
শিশির ভেজা মাঠে শুয়ে থাক কিছু সুখী মাথা।
Related Articles
দুঃসময়
যদিও সন্ধ্যা আসিছে মন্দ মন্থরে, সব সংগীত গেছে ইঙ্গিতে থামিয়া, যদিও সঙ্গী নাহি অনন্ত অম্বরে, যদিও ক্লান্তি আসিছে অঙ্গে নামিয়া, মহা-আশঙ্কা জপিছে মৌন মন্তরে, দিক্-দিগন্ত অবগুণ্ঠনে ঢাকা- তবু বিহঙ্গ, ওরে বিহঙ্গ মোর, এখনি, অন্ধ, বন্ধ কোরো না পাখা। এ নহে মুখর বনমর্মরগুঞ্জিত, এ যে অজাগর-গরজে সাগর ফুলিছে; এ নহে কুঞ্জ কুন্দকুসুমরঞ্জিত, ফেনহিল্লোল কলকল্লোলে দুলিছে। কোথা […]
অনুভব
১৯৪০ অবাক পৃথিবী! অবাক করলে তুমি জন্মেই দেখি ক্ষুব্ধ স্বদেশভূমি। অবাক পৃথিবী! আমরা যে পরাধীন অবাক, কী দ্রুত জমে ক্রোধ দিন দিন; অবাক পৃথিবী! অবাক করলে আরো— দেখি এই দেশে অন্ন নেইকো কারো। অবাক পৃথিবী! অবাক যে বারবার দেখি এই দেশে মৃত্যুরই কারবার। হিসাবের খাতা যখনি নিয়েছি হাতে দেখেছি লিখিত— `রক্ত খরচ’ তাতে; এদেশে জন্মে […]
যুগল জীবনী
৪৬. যুগল জীবনী আমি ছেড়ে যেতে চাই, কবিতা ছাড়ে না। বলে,–’কি নাগর এতো সহজেই যদি চলে যাবে তবে কেন ঘর বেঁধেছিলে উদ্ধাস্তু ঘর, কেন করেছিলে চারু বেদনার এতো আয়োজন। শৈশব কৈশোর থেকে যৌবনের কতো প্রয়োজন উপেক্ষার ‘ডাস্টবিনে’ ফেলে মনে আছে সে-ই কবে চাদরের মতো করে নির্দ্বিধায় আমাকে জড়ালে, আমি বাল্য-বিবাহিতা বালিকার মতো অস্পষ্ট দু’চোখ তুলে […]

